ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আছড়ে পড়েছে। আর তা রীতিমত সুমানির আকার নিয়েছে। কী কারণে ভারতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গ এই ভয়ঙ্কর চেহারা নিয়েছে- তা নিয়ে শুরু হয়ে গেছে কাটাছেঁড়া। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে ভারতের পরিস্থিতি সম্পর্কে সাম্প্রতিক ঝুঁকিপূর্ঁ মূল্যায়ণে দেখা গেছে এই দেশে কোভিড ১৯এর সংক্রমণ পুনরুত্থান ও ত্বরণ এর বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ রয়েছে। যার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল ধর্মী ও রাজনৈতিক গণসংযোগ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানগুলিকে কেন্দ্র করে যে ভিড় তৈরি হয়েছিল সেখান থেকেই সংক্রমণ দ্রুততার সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে। 

বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত সাপ্তাহিক এপিডেমিওলজিক্যাল আপডেটে বলা হয়েছে ২০২০-র অক্টোবরে ভারতের প্রথম করোনাভাইরাসের বি ১.৬১৭ জিনটিকে চিহ্নিত করা গিয়েছিল।  কোভিডে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য করোনাভাইরাসের এই নতুন রূপকেই দায়ি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে ভারতে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। যার মধ্যে ধর্মী ও রাজনৈতিক সমাবেশগুলি রীতিমত গুরুত্বপূর্ণ। এই জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রবল ভিড় হয়। আর সেখান থেকে সংক্রমণ দ্রুততার সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। রিপোর্টে বলা হয়েছে ওই সময় ভারতে জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক ব্যবস্থাগুলির ব্যবহার রীতিমত হ্রাস পেয়েছিল। তবে ভারতে ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের কারণ যথাযথভাবে ব্যাখ্যা করা এখনও সম্ভবপর নয় বলেও জানান হয়েছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছেন সার্স কোভ ২ রূপগুলি সনাক্ত করতে ভারতে প্রায় ০.০১ শতাংশ পজেটিভ করোনা রিপোর্ট খতিয়ে দেখেছে সিআইএএআইডি। সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দেখা গেছে বি ১.১৭ ও বি ১.৬১৭ এই দুটি রূপই একসঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিলের শেষের দিক থেকে বি ১.৬১৭.১ ও বি ১.৬১৭.২ ২১ ও ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।