সারা বিশ্ব জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কোবিড ১৯। প্রতিটি মানুষের মনে ত্রাস সৃষ্টি করেছে এই মারণ ভাইরাস। ভারতে এই পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫৭ তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৩ জন রোগী। এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬০১ জন। আর সারা বিশ্বজুড়ে ৪,৭২, ৮৮২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২১,৩১৫ জনের, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১,১৪,৭৭৫ জন। তবে বুঝতেই পারছেন মৃত্যুর হার তুলনামূলক কম। তবে সাবধাণতা অবলম্বন করা খুব জরুরি। ইতিমধ্যেই সমগ্র বিশ্ব লকডাউনের পথেই হাঁটছে করোনা সংক্রমণের থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এর মতে,  লকডাউন এর সময় কাজে লাগাতে হবে। লকডাউন এই মহামারী ঠেকানোর একমাত্র উপায় নয়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজন দ্রুত পরীক্ষার। লকডাউন শুধু নতুন করে সংক্রমণ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে। তবে যারা ইতিমধ্যেই সংক্রামিত হয়ে আছেন, তাঁদের সনাক্ত করা প্রয়োজন। এই বিষয়ে হু আরও জানিয়েছে, করোনার চিকিৎসার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বাহক-কে চিহ্নিত করা এবং দ্রুত আইশোলেসনে রাখা।

পৃথিবীর প্রায় বেশিরভাগ দেশে-ই করোনা মোকাবিলায় এই লকডাউন ব্যবস্থার উপরেই বেশি জোড় দিয়েছে। কারণ দেখা গিয়েছে করোনা ভাইরাসের উৎস চিনের উহান প্রদেশে এই লকডাউন প্রথা মেনেই প্রায় করোনা মুক্ত হতে চলেছে তারা। কারণ নতুন করে সে দেশে আর আক্রান্তের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। আর লকডাউনে থাকলে শরীর বিশ্রামে থাকবে ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে উঠবে। তাই এই সময় সকলের বাড়িতেই থাকা উচিৎ।