বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই তামিলনাড়ুর অলরাউন্ডার বিজয় সঙ্কর খবরে রয়েছেন। আম্বাতি রায়ডুর বদলে তাঁকে দলে নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত কিনা তাই নিয়ে নানা মুনির নানা মত ছিল। নির্বাচকদের যুক্তি ছিল, বিজয় শঙ্কর অলরাউন্ডার হওয়ায় ব্য়াটিং, বোলিং ফিল্ডিং - ক্রিকেটের তিন বিভাগেই তিনি কার্যকরী হবেন। তাঁকে বলা হয়েছিল থ্রিডি ক্রিকেটার।

এই বিষয়টিকে অন্য মাত্রা দিয়েছিলেন আম্বাতি রায়ডু। দলে সুযোগ না পাওয়া হতাশা তিনি ব্যক্ত করেছিলেন সোশ্য়াল মিডিয়ায়। নির্বাচকদের শঙ্করকে 'থ্রিডি ক্রিকেটার' বলাকে ব্যঙ্গ করে তিনি বলেন, বিশ্বকাপ দেখবেন 'থ্রিডি চশমা' দিয়ে।

এরপর বিশ্বকাপে প্রথম চার ম্যাচে সুযোগ না পেলেও শিখর ধাওয়ানের চোট তাঁর সামনে খেলার সুযোগ এনে দেয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ১৫ রান করে অপরজাত ছিলেন। বল হাতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। এক্ষেত্রেও সুযোগ এসেছিল ভুবনেশ্বর কুমারের চোটের কারণে। ভুবি ওভার শেষ করতে না পারায় তাঁর হাতে শেষ দুই বল করার ভার দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। আর বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচের প্রথম বলেই তিনি উইকেট তুলে নেন।

সমস্যা হল আফগানিস্তান ম্যাচের আগে তিনি নিজেই পড়েছেন চোটের কবলে। অনুশীলনে বুমরার ইয়র্কার তাঁর বাঁপায়ে এসে আছড়ে পড়ে। যে কারণে তিনি আফগান চ্যালেঞ্জের ২৪ ঘন্টা আগেও খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। আর এরপরই নেটিজেনরা মজা করে বলছেন, বিজয় শঙ্করের চোটের জন্য় দায়ী আম্বাতি রায়ডু ও ঋষভ পন্থের 'কালা জাদু'। কেউ বলছেন তাঁর উপর কারোর 'থ্রিডি নজর' লেগেছে।

কোনও দলই তার জয়ী একাদশ বদলাতে চায় না। অস্ট্রেলিয়া ম্য়াচের পর ধাওয়ানের চোটের জন্য ভারত কিন্তু প্রথম একাদশ বদলাতে বাধ্য হয়েছিল। আফগানিস্তান ম্যাচে শেষ পর্যন্ত বিজয় শঙ্কর খেলতে না পারলে কিন্তু ফের বদলাতে হবে টিম কম্বিনেশন।