১৯৯২ সালে বেশ দুর্বল একটি দলকেই তিনি নিজস্ব ক্যারিশমায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন ভিন্ন মাত্রায়। দেশকে এনে দিয়েছিলেন বিশ্বকাপ। সেই কাপ্তান এক আর শুধু ক্রিকেট দলের নয়, পাকিস্তান দেশেরই কাপ্তান। বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে বর্তমান দলকেও পরামর্শ দিয়েছিলেন ইমরান খান। তাতে দেশের ক্রিকেট প্রেমীরা আবেগে ভাসলেও কাজ হল না সরফরাজদের। বরং বিশ্বকাপ ২০১৯-এর প্রথম ম্যাচেই তাদের জুটল দ্বিতীয় সর্বনিন্ম স্কোরের লজ্জা।  

এদিন ওশানে থমাসদের লাগাতার শর্ট বলের মোকাবিলা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হল পাকিস্তান দল। ২১.৪ ওবারে র্যন্ত স্থায়ী হয় তাদের ইনিংস। ১০৫-এর বেশি তুলতে পারেনি। মজার ব্যাপার হল বিশ্বকাপে এদিনের থেকেও কম স্কোরে একবারই আউট হয়েছে পাকিস্তান। সেই লজ্জায় পাকিস্তান পড়েছিল ১৯৯২ বিশ্বকাপেই। অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৪ রানেই অলআউট হয়ে গিয়েছিল ইমরান খানের দল।

এদিন ম্যাচের আগে ইমরান খান টুইট করে বলেন, তিনি তাঁর দলের ছেলেদের যা পরামর্শ দিতেন, বর্তমান দলকেও একই পরামর্শ দিতে চান। তা হল ১০০ শতাংশ দিতে হবে। শেষ বল পর্যন্ত লড়তে হবে। ভয় পেয়ে গুটিয়ে গেলে চলবে না। ভয় যেন দলের কৌশল বা খেলায় প্রভাব না ফেলতে পারে। গোটা দেশের মানুষের সমর্থন ও দোয়া সরফরাজের দলের সঙ্গে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তা পাক ক্রিকেট সমর্থকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। অনেকেই তাঁকে জানিয়েছএন, তিনি এখনও 'কাপ্তান'। কিন্তু কাপ্তানের অনুপ্রেরণায় পাকিস্তান দলের কোনও উন্নতি ঘটেনি। চলতি বছরে পর পর দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া. ইংল্য়ান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ হেরেছে পাকিস্তান। গা-ঘামানো ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধেও পরাজিত হয়েছে। আর বিশ্বকাপের শুরুতেই খেতে হল লজ্জার হোঁচট।