শিখর ধবন এবং রোহিত শর্মার উপরে অনেকটাই নির্ভরশীল ভারত বিশ্বের অন্যতম সেরা ওপেনিং জুটি ভারতের বিশ্বকাপের আগে দারুণ মেজাজে দুই ভারতীয় ওপেনার  

একদিনের ক্রিকেটে তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা ওপেনিং জুটি। এবারের বিশ্বকাপে ভারতের সাফল্যও অনেকটা নির্ভর করছে এই দু' জনের ফর্মের উপরে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সেই রোহিতই ফাঁস করে দিলেন তাঁর ওপেনিং পার্টনারের জোড়া বদভ্যাসের কথা। ধবনের সামনেই রোহিত জানালেন, শিখরের এই অভ্যাসগুলির কারণে এক এক সময় বেশ রেগেই যান তিনি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ইউটিউব চ্যানেলে একটি জনপ্রিয় টক শো-তে অংশ নিয়েছিলেন রোহিত এবং ধবন। সেখানেই মজাচ্ছলে মাঠ এবং ড্রেসিংরুমের নানা অজানা তথ্য সামনে এনেছেন দু' জনে। সেখানেই সঞ্চালক রোহিতের কাছে জানতে চান, শিখরের কোন বদভ্যাসগুলিতে তিনি সবথেকে বিরক্ত হন?

জবাবে রোহিত বলেন, প্রায় প্রতিটি ম্যাচে শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে অবধারিতভাবে বাথরুমে ঢুকতে হয় শিখরকে। আর এটাই তাঁকে খুব বিব্রত করে। মজাচ্ছলেই রোহিত বলেন, "যখনই আমরা ব্যাট করতে নামতে যাব, ঠিক তখনই ওঁর (ধবনের) মনে হয় বাথরুমে যেতে হবে। কিন্তু আমি চাই ম্যাচ শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে মাঠে নেমে যেতে, যাতে মনসংযোগ করতে পারি। কিন্তু প্রতিবারই ওঁকে ঠিক ওই সময়ই বাথরুমে ঢুকতে হয়। আর যেহেতু আমি আগে স্ট্রাইক নিই, তাই এক এক সময় খুব বিরক্ত লাগে।" এর পরেই অবশ্য রোহিত বলেন, "কিন্তুু এখন আমার বিষয়টি বেশ মজারই লাগে। আমি ভেবে পাই না, প্রতিটি ম্যাচের আগে কীভাবে এটা হতে পারে! এছাড়াও ওঁর (ধবনের) মোজা আনতে ভুলে যাওয়ার একটা অভ্যাসও আছে। শেষ মুহূর্তে সতীর্থদের থেকে মোজা চেয়ে পরতে হয় শিখরকে।"

মাঠের মধ্যে স্লেজিং নিয়েও এরকই মজাদার ঘটনার কথা শুনিয়েছেন রোহিত। তিনি জানিয়েছেন, সতীর্থদের মধ্যে অজিঙ্কে রাহানে বিপক্ষের স্লেজিংয়ের মজাদার জবাব দিতে ওস্তাদ। যেমন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একটি ম্যাচের কথা তুলে রোহিত বলেন, "একবার রাহানেকে অস্ট্রেলিয়ানরা মাঠের মধ্যে খুব স্লেজ করছিল। যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেল, তখন রাহানে জিভ বের করে বোলারকে ভেঙচে দিল। রাহানে কী করতে চাইছে, বুঝতে না পেরে গোটা অস্ট্রেলিয়া দলটাই বোকা বনে গেল।"

মনে করা হচ্ছে, বিরাট কোহলির সঙ্গে শিখর এবং রোহিতই ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা। এই দু' জন শুরুটা ভালভাবে করে দিতে পারলে, মিডল অর্ডারের উপরে চাপ অনেকটাই কমবে। বিশ্বকাপের আগে এই সাক্ষাৎকার বুঝিয়ে দিল, মাঠের বাইরে দুই ভারতীয় ওপেনারের বোঝাপড়া কতটা ভাল।