করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে গোটা দেশ। করোনা মোকাবিলায় প্রথম থেকেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা। তা সে সামাজিক সচেতনতার বার্তা দেওয়াই হোক অথবা প্রধানমন্ত্রী বা রাজ্যসরকারের নির্মীত ত্রাণ তহবিলগুলিতে যথাসাধ্য অনুদান দেওয়া। বরাবর দেশের পাশে থেকেছেন ক্রীডাবিদরা। এবার করোনা মোকাবিলায় সামাজিক সতেনততা বৃদ্ধিতে নয়া উদ্যোগ নিল বিসিসিআই ও কেন্দ্রীয় সরকার।  ভারতীয় পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটারদের নিয়ে তৈরি হল নয়া এক টিম। টিম ইন্ডিয়ার এখন নতুন নাম টিম মাস্ক ফোর্স। বাড়িতে বসেই যে ফোর্সের অংশীদার হয়ে উঠতে পারবেন আপনিও। বিরাট কোহলি, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রাহুল দ্রাবিড়ের মতো তারকাদের সঙ্গে বসতে পারবেন একই আসনে। 

আরও পড়ুনঃএবার করোনার থাবা ২০২২ কাতার ফুটবল বিশ্বকাপে,আক্রান্ত স্টেডিয়াম নির্মাণে নিযুক্ত মোট ৮ শ্রমিক

করোনা ভাইরাস  সংক্রমণ রুখতে দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। দেশের বিপদের দিনে বাড়িতে বসেই দেশসেবা কাজের ব্রতী দলেন ক্রিকেটাররা।। জনসাধারণকে সচেতন করতে দল বেঁধে কাজে নেমেছেন তাঁরা। কোহলি, রোহিত, শচীন, সৌরভ, রাহুল, হরমনপ্রীত, মিতালি রাজ, হরভরজ সিং- কে নেই। আর একটু সচেতনতা থাকলে সেই দলে যোগ দিতে পারবেন আপনিও। এই মাস্ক ফোর্সে যোগ দিতে গেলে আপনাকেও বাড়িতে বানিয়ে ফেলতে হবে পছন্দসই মাস্ক। করোনাকে দূরে রাখতে যে মাস্ক পরে থাকা অত্যন্ত জরুরি। শুধু নিজে মাস্ক পড়লেই চলবে না, অন্যকেও এই মাস্ক পড়ার জন্য বোঝাতে হবে। অবশ্যই গোটা কাজ করতে হবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে।

আরও পড়ুনঃব্যাপক আর্থিক সংকটে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া,৮০ শতাংশ কর্মীকে পাঠানো হচ্ছে ছুটিতে

আরও পড়ুনঃপরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফাঁকা স্টেডিয়ামে টেনিস খেলতে আপত্তি নেই সানিয়া মির্জার

নিজেদের বাড়িতে থেকেই ভিডিওটি শুট করেছেন প্রত্যেকে।নিজেদের পছন্দসই মাস্কও পড়েছেন সকলে। সৌরভের মাস্কে লেখা, ‘দাদা’। শচীন পরেছেন ১০ নম্বরের মাস্ক। কোহলির মাস্কে লেখা ভি। রাহুল দ্রাবিড়ের মাস্কটি দেখতে দেওয়ালের মতো। যা বেশ ভালই মানিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের দ্য ওয়াল-এর মুখে। মিতালি রাজ জানিয়ে দিলেন, এই মাস্ক কাপড়ের হওয়ায় বেশ নরম। প্রয়োজন মতো ধুয়েও নেওয়া যাবে। মাস্ক পরার সঙ্গে শচীন আবার ভালভাবে হাত ধোয়ার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে নিজেদের পছন্দে মাস্ক পরে বুঝিয়ে দিয়েছেন, বাড়িতেই এটি তৈরি করে নেওয়া খুবই সহজ। আর যদি একান্তই কঠিন মনে হয়, তাহলে দ্রুত ডাউনলোড করে ফেলুন কেন্দ্রের তৈরি আরোগ্য সেতু অ্যাপ। যেখানে মাস্ক তৈরির প্রক্রিয়া সুন্দরভাবে বোঝানো আছে।