প্রত্যাশামতোই রঞ্জি ফাইনালের প্রথম দিনের পিচ দেখে সকলেই বুঝে গেছে চিরাচরিত রীতি মেনে সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ব্যাটসম্যানদের স্বর্গরাজ্য তৈরি করেছে। সাধারণত এই ধরণের পিচে প্রথম দুদিন ব্যাটিং করা খুবই সহজ। তারপর সময় যত গড়াবে তত পিচের ফাটলগুলো আরও খুলবে। সাথে সাথে মন্থর থেকে মন্থরতর হবে উইকেট। বল পরে থমকে ব্যাটে আসবে। চর্তুথ এবং পঞ্চম দিনে স্পিনাররা স্কোয়ার টার্ন করাতে পারবেন। রিভার্স সুইং না জানা থাকলে পেসারদের কাজ হবে কঠিন। কিন্তু সৌরাষ্ট্র টসে জিতে ব্যাটিং নিলে দুই দল মাঠে নামার পর দেখা গেল সৌরাষ্ট্রের পিচ রয়েছে আরও কয়েক কদম এগিয়ে। 

প্রথম দিনের প্রথম ঘন্টায় পিচ থেকে মনে হচ্ছিলো যে সিমেন্টের পিচে ব্যাটিং করছে সৌরাষ্ট্র। কোনরকম মুভমেন্ট পাননি পেসাররা। খেলা একটু এগোতেই পিচের মন্থর চরিত্র প্রকাশ পেতে থাকে। পেসারদের বল কখনও কখনও দুটি ড্রপে পৌঁছয় কিপারের কাছে। প্রথম দিনের শেষ দিক থেকেই বেশ কিছু বল নিচু হতে থাকে। সৌরাষ্ট্র তাও তাজা উইকেটে ব্যাট করছে। বাংলার ব্যাটিংয়ের সময় পিচের যে কি অবস্থা হবে তা নিয়ে এখনই আতঙ্কিত বাংলার ক্রিকেটভক্তরা। 

পিচ নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বাংলার কোচ অরুনলাল। মনোজ তিওয়ারিদের হেডস্যার জানিয়েছেন রঞ্জি ফাইনালের পিচ এমন হতে পারে না, পিচ কিউরেটর নিজের কাজ ঠিকঠাক করেননি বলেই তার ধারণা। তবে প্রথম দিনের শেষে নিজের দলের পারফরম্যান্সে খুশি তিনি। তবে খেলা এখনও অনেক বাকি জানিয়ে রেখেছেন তিনি। বিসিসিআইয়ের উচিত পিচের ব্যাপারটিতে একটু নজর দেওয়া, জানিয়েছেন বর্ষীয়ান কোচ। তিনি নিজে সৌরভ গাঙ্গুলির সাথে এই ব্যাপারে কথা বলবেন কিনা জিজ্ঞাসা করা হলে দেশের হয়ে ১৬ টি টেস্ট খেলা ক্রিকেটার জানিয়েছেন সেটি তার কাজ নয়, বিসিসিআইয়ের নিজে থেকে ব্যাপারটি নিয়ে আলোকপাত করা উচিত।