মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর), ৩১ বছরে পা দিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। জন্মদিনটা অবশ্যই স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে কাটাচ্ছেন বিরাট, কিন্তু কোথায় এখন তাঁরা? সোশ্যাল মিডিয়া সূত্রে জানা যাচ্ছে ৩১তম জন্মদিনটা বিরাট কাটাবেন ভারতের প্রতিবেশি দেশ ভূটানে। ইতিমধ্যেই এই ছোট্ট পাহাড়ি দেশে ক্রিকেটার-অভিনেত্রী জুটির বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

গত কয়েকদিনে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভূটান ভ্রমণের বেশ কয়েকটি ছবি দিয়েছেন অনুষ্কা শর্মা। সেখানে তাঁকে নস্টালজিক মেজাজে পাওয়া গিয়েছে। তিনি নিজের ছোটবেলার স্মৃতিচারণা করেছেন। পাহাড়ি যে পথে তাঁরা গুরে বেড়াচ্ছেন, সেই সব পথের ছবিও দেখা গিয়েছে। স্থানীয় এক সব্জি বাজারে যাওয়ার ছবিও দিয়েছেন অনুষ্কা। কোনটিতেই অবশ্য বিরাটের ছবি ছিল না।

তবে সারা বিশ্বেই তো হিরাট ভক্তরা ছড়িয়ে আছেন। ভূটানেও তার অভাব নেই। তাই ভক্তদের ক্যামেরার লেন্সে ভূটানের রাস্তায় ঠিকই ধরা পড়েছেন বিরুষ্কা। আর বিরাটের জন্মদিন আসার কয়েক মিনিট আগে সোশ্য়াল মিডিয়ায় বিরাটের সঙ্গে তার ছবি পোস্ট করেছেন অনুষ্কা।

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

Today , during our 8.5 km uphill trek we stopped by a small village on a mountain to pet and feed a baby calf who was born just 4 months ago . While we did that the owner of the house asked us if we were tired and wanted to have a cup of tea ? So we went in to the home of this beautiful and warm family who had absolutely no idea who we were and yet they treated us with such warmth and love . We spent some time with them chatting and drinking tea and the whole time they just know us as two tired trekkers ! Whoever knows virat and me very closely, know that both of us live for such moments of genuine , simple & pure human connection . It fills us with such joy and peace knowing that they just wanted to be kind to two random foreigners ( plus our guide ) without seeking anything in return. If this is not the true meaning of life then i dont know what is . A memory we will cherish forever 🙏💜✨

A post shared by AnushkaSharma1588 (@anushkasharma) on Nov 4, 2019 at 8:44am PST

জানিয়েছেন এদিন তাঁরা ৮.৫ কিলোমিটার চড়াই পথে ট্রেক করেছেন। পথে একটি ছোট্ট গ্রামে কিছুক্ষণের জন্য থেমেছিলেন। সেখানে একটি বাছুরকে খাইয়েছেন তাঁরা। বাড়ির কর্তা তাঁদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে চা খাওয়ান।