ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেস দল ও মন্ত্রীত্ব ছেড়েছিলেন প্রাক্তন বাংলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তারপরই ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন আরও এক বামলার প্রাক্তন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি। ২২ গজের পরিবর্তে রাজনীতির অচেনা ময়দানে নেমে কিন্তু একেবারেই নড়বড়ে দেখায়নি তারকা ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে। বরঞ্চ একের পর এক অনবদ্য ইনিংস খেলে চেলছেন মনোজ। প্রথমবার নির্বাচনে দাঁড়িয়েই বিপূল ভোটে জয়, তারপর মন্ত্রীত্ব। এযেন রাজনীতির কেরিয়ারে স্বপ্নের অভিষেক হয়েছে মনোজ তিওয়ারির।

হাওড়ার শিবপুর আসন থেকে ৩২ হাজার ৩৩৯ ভোটে জিতেছেন মনোজ তিওয়ারি।  হারিয়েছেন হাওড়ার প্রাক্তন মেয়র ও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দেওয়া রথীন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে। একইসঙ্গে বিপুল জয়ের উপহার হিসেবে পেয়েছেন রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৪৩ জনের মন্ত্রীসভায় এখন মনোজ। যাবেন দিল্লির ক্যাবিনেটে। সোমমবার নতুন দায়িত্বে রাজভবনে শপথ নিয়েছেন মনোজ। বিধায়ক ও দুই দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়ে আবেগাপ্লুত তারকা ক্রিকেটটার। দায়িত্বপালনেও অবচিল থাকার কথা জানিয়েছেন মনোজ।

 

 

জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোরপাধ্যায় ও নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্বাদ জানাতে ভোলোননি মনোজ। 'দিদি' ও টভাইট সম্বোধন করে সোশ্য়াল মিডিয়ায় বার্তায় মনোজ লিখেছেন,'এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আমার কাছে এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা। আমি আমাদের ফেভারিট দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আমার ভাই অভিষেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তাঁরা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন ও বাংলার মানুষকে সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। এক নতুন যাত্রার শুভারম্ভ।' তবে বর্তমানে প্রধান গুরুত্ব যে করোনা মোকাবিলা করা তাও জানিয়েছেন মনোজ তিওয়ারি।