শরীরের কারণে একবারও প্রচারমঞ্চে যেতে পারেননি. শেষ তাঁকে জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল জানুয়ারি মাসের আঠাশ তারিখ।  ব্রিগেডের মঞ্চে না উঠলেও একমাঠ লোকের কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। সেদিন দেবলীনা হেমব্রেম আর তাঁর  জোড়া ফলায় অনেকটা অক্সিজেন পেয়ে গিয়েছিল সিপিআইএম-এর কর্মী সমর্থকরা। এদিন ফের শেষ মুহূর্তে দলকে অক্সিজেন  দিয়ে গেল তাঁর জেদ। 

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়ে দিলেন, ভোট দিতে যাবেন তিনি। তাঁর মনোভাব মনে করিয়ে দিল সদ্য প্রয়াত বাম অর্থনীতিবিদ অশোক মিত্রর কথা। অশীতিপর অশোক মিত্র প্রায় কোলে চড়ে গুন্ডাশাহীর বিরুদ্ধে ভোট দিতে গিয়েছিলেন।

এক সংবাদমাধ্যমকে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী বলেছেন, শরীরের জন্যে প্রচারে না গেলেও তিনি ভোট দিতে যাবেন।

এবার লোকসভার প্রচার মরশুমে একবারও বের হতে পারেননি বুদ্ধবাবু। এমনকী ভিডিও বার্তার আবেদন এসেছিল সীতারাম ইয়েচুরির কাছ থেকে। তাঁকেও ফিরিয়ে দেন অপারগ বুদ্ধবাবু। কিন্তু একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি ইন্টারভিউতে  নিজের মত ব্যক্ত করতে পিছপা হননি। তা অনেকটাই চাগিয়ে দিয়েছিল দলীয় কর্মীদের। রাজ্যে চূড়ান্ত নৈরাজ্যের মুহূর্তে শেষ দফা নির্বাচনের আগে তাঁর সদর্থক 'বডি ইমেজ' সিপিআইএম-এর পালে হাওয়া আনবে বলেই মনে হচ্ছে।