এক্সিট পোল যে ইঙ্গিতই দিক না কেন, হারার আগে হারতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর জোটসঙ্গীরা। আজই কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করার কথা অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর. মমতার আগে রাহুল গাঁধী, মায়াবতী, অখিলেশ যাদবদের মতো নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করে বিরোধী জোটের মঞ্চ প্রস্তুত করে রাখতে চাইছেন টিডিপি প্রধান। এক্সিট পোলের ফলাফলে নরেন্দ্র মোদীর প্রত্যাবর্তনের খবরেও সেই প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে নারাজ চন্দ্রবাবু-মমতারা।

এক্সিট পোলের ফল প্রকাশের পরেই মমতা অবশ্য দাবি করেছিলেন যে এসব বিরোধী শিবিরের মনোবল ভাঙার চক্রান্ত। নিজের আগের অবস্থানেই অনড় থেকে তাঁর দাবি, বিজেপি হারছেই।

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রবাবুরা বিরোধী জোট গঠনের প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখলেও বিএসপি প্রধান মায়াবতী কিন্তু সাবধানী পদক্ষেপ করছেন। শোনা গিয়েছিল, দিল্লি গিয়ে সোনিয়া গাঁধী-সহ বিরোধী নেতানেত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন তিনি। কিন্তু সেই আপাতত মায়াবতী দিল্লি আসছেন না বলেই খবর। সম্ভবত বৃহস্পতিবারের ফল প্রকাশের পরেই তিনি পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করবেন। তবে একা মায়াবতী নন, এক্সিট পোলের ফলাফল সামনে আসার পরে অনেক বিরোধী নেতারাই এবারে মেপে পা ফেলতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

চন্দ্রবাবু নাইডুর ঘনিষ্ঠ সূত্রদের অবশ্য দাবি, কোনও দলই পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে বিরোধী দলগুলি যাতে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে দাবি জানাতে পারে, সেই ক্ষেত্রই প্রস্তুত করে রাখতে চাইছেন টিডিপি প্রধান। 

দিল্লিতে গিয়ে রাহুল গাঁধী ছাড়াও এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন চন্দ্রবাবু। এর পরে সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি এবং লখনৌতে গিয়ে অখিলেশ এবং মায়াবতীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। তার পরেই মায়ার সঙ্গে সোনিয়া গাঁধীর বৈঠকের সম্ভাবনা জোরালো হয়েছিল।