ভোটের এই তুমুল উত্তেজনার মধ্যেই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জানান, ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও তিনি নরেন্দ্র মোদীকেই দেখতে চান। পাক প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য রীতিমতো বিস্ফোরকের মতো কাজ করেছে এই ভোটের বাজারে। 

শুরু হয়ে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচন। ভোটের এই তুমুল উত্তেজনার মধ্যেই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জানান, ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও তিনি নরেন্দ্র মোদীকেই দেখতে চান। পাক প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য রীতিমতো বিস্ফোরকের মতো কাজ করেছে এই ভোটের বাজারে। আর তার জেরেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, পাকিস্তানের কাছে মোদীর থেকে ভাল ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী আর কেউ নয়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শনিবার দক্ষিণ গোয়ায় একটি প্রচার সভায় গিয়ে এই মন্তব্যই করেন কেজরিওয়াল। আম আদমি পার্টির প্রার্থী এলভিস গোমজের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সভায় তিনি মোদীর সঙ্গে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকেও আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, "মোদী ও শাহের এই যুগলবন্দী গণতন্ত্র ও দেশের সংবিধানের জন্য খুবই ভয়ঙ্কর।" 

মোদী ভারতের মধ্যেই বিভেদ তৈরি করছেন। দু'ধরনের দল তৈরি হচ্ছে। দাবি কেজরিওয়ালের। তাঁর কথায়, "ভারতে এই ধরনের পরিবেশ গত ৭০ বছরে তৈরি হয়নি যা মোদী ও অমিত শাহ ৫ বছরে করে দেখাচ্ছে। এই পরিবেশ ভারতের জন্য বিশাক্ত। "

কেজরিওয়ালের দাবি, ভারতেই এত অন্তবর্তী বিভেদ তৈরি হচ্ছে, যা পাকিস্তানের কাছে সুবিধাজনক হয়ে উঠছে। তাই পাকিস্তানের কাছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীই সেরা। 

সম্প্রতি একটি সভায় অমিত শাহ বলেন, সারা দেশে নাগরিকপঞ্জী চালু করা হবে। হিন্দু,বৌদ্ধ ও শিখ ছাড়া যে কোনও অণুপ্রবেশকারীকে বহিষ্কার করা হবে। এই প্রসঙ্গেও এদিন কেজরিওয়াল বলেন, "অমিত শাহের জন্য খ্রীষ্টান. মুসলমান, পারসি, জৈন এরা সবাই অণুপ্রবেশকারী। ধর্মের মধ্যে এভাবে বিভেদ তৈরি করে প্রচার সভায় খোলাখুলি কথা বলছেন তিনি। এটা খুব ভয়ঙ্কর।" 

তিনি আরও বলেন, "গোয়ায় ১৫ লক্ষ মানুষের বসবাস। তার মধ্য ২৮ শতাংশ ক্যাথলিক এবং ১১ শতাংশ মুসলমান। এখানে অমিত শাহ কী করবেন! এই মানুষগুলোকে কি সমুদ্রে ছুড়ে ফেলে দেবেন, নাকি মেরে ফেলবেন, নাকি এদের চাকরি ছিনিয়ে নিয়ে দাঙ্গা শুরু করবেন! আমি হিন্দুদেরও জিজ্ঞাসা করতে চাই, তারা কি সত্যি এমন পরিস্থিতি চান!" 

ইমরান খানের মন্তব্য প্রসঙ্গে কেজরিওয়াল বলেন, "ভারতে ধর্মকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ তৈরি হোক, পরিস্থিতি খারাপ হোক, এটা পাকিস্তানও চায়। আর তাই ইমরান খানও মোদীকেই ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন। "