বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যেই লোকসভা নির্বাচন ২০১৯-এর ফলাফলটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তখনও ভিভিপ্যাট গণনা শেষ না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন সরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করতে পারেনি। অবশেষে শুক্রবার বিকেলে এল সেই সরকারি ঘোষণা। শেষ পর্যন্ত ২০১৪ সালের থেকে ২২টি আসন বাড়িয়ে ৩০০ পার করে ৩০৩ আসনে থামল গেরুয়া বাহিনী। আর সপ্তদশ লোকসভায় তাদের নেতৃত্বে এনডিএ জোট পেল মোট ৩৫২টি আসন।

এইবারও বিজেপির মোট আসনের সিংহভাগই এসেছে উত্তরপ্রদেশ থেকে। বুয়া-ভাতিজার জোটকে নস্যাৎ করে এই রাজ্য থেকে তারা মোট ৬২ টি আসন জিতেছে। আর এনডিএ সঙ্গী আপনা দল জিতেছে ২টি আসন। এর পাশাপাশি বিজেপি নতুন শক্তি অর্জন করেছে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায়। পূর্ব ভারতের এই দুই রাজ্যে তাদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ক্রমে ১৮ ও ৮।

বিজেপির এনডিএ সঙ্গীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে শিবসেনা, ১৮টি। তারপরেই আছে নীতিশকুমারের জেডিইউ - ১৬টি। এছাড়া ৬টি আসন জিতেছে লোক জনশক্তি পার্টি, ২টি করে আসন জিতেছে অকালি দল ও আপনা দল, ১টি করে আসন জিতেছে অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্ট্স ইউনিয়ন, লোকতান্ত্রিক পার্টি, মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট ও ন্য়াশনাল পিপলস পার্টি। এছাড়া কর্নাটকে বিজেপি সমর্থিত এক নির্দল প্রার্থীও জয়ী হয়েছেন।

অপরপক্ষে গত ৫ বছরে রাহুল গান্ধী তাঁর দলের আসন বাড়াতে পেরেছেন মাত্র ৮টি। এইবার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ৫২। আর তাদের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট পেয়েছে ৮৭টি আসন। কংগ্রেসের ৫২ আসনের পাশাপাশি ডিএমকে পেয়েছে ২৩টি আসন, এনসিপি ৫টি, আইইউএমএল ৩টি ও ১টি করে আসন জিতেছে আরএসপি, কেসি (এম), জেএমএম এবং ভিসিকে।
 
এই দুই প্রধান জোটের বাইরে থাকা দলগুলির মিলিত আসন সংখ্যা ১১০। এরমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২২টি আসন, ওয়াইএসআর কংগ্রেস পেয়েছে ২২টি, বিজেডি ১২টি, বিএসপি ১০টি, টিআরএস ৯টি, এসপি ৫টি, টিডিপি ৩টি।