আর কয়েক ঘণ্টা পরেই বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। শুরু হবে ভোটগণণা। জনাদেশ ভাগ্যনির্ধারণ করবে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির। তবে কমিশন জানাচ্ছে, প্রতি বারের তুলনায় দেরিতে মিলবে ভোটের ফল।

এ বছর ভারতবর্ষে ভোট দিয়েছে মোট ৯০ কোটি জনগণ। ভোট গ্রহণ করতে লেগেছে ২৩ লক্ষ ব্যালট ইউনিট, ১৬ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট এবং ১৭.৩ লক্ষ ভিভিপ্যাট।

এর মধ্যে থেকে  ২০৬২৫ টি ভিভিপ্যাটের স্লিপ  বাছাই করে ভোটের ফলাফল যাচাই করা হবে। গত লোকসভা ভোটে  মাত্র ৪১২৫টি ভিভিপ্যাট যাচাই করা হয়েছিল।  কিন্তু এ বছর  সুপ্রিম কোর্টের আদেশে গণনা পদ্ধতিতে এসেছে বড় রদবদল।

প্রতি ৫ টি বুথের একটি থেকে ভিভিপাট যাচাই হবে এবার। অর্থাৎ ২৩ মে ভোটগণনার সময় ১০.৩০ লক্ষ পোলিং স্টেশনেরর মোট ২০৬৬৫টি ভিভিপ্যাড পুনরায় যাচাই করে দেখা হবে।

 এছাড়া এ বছর মোট ভোটার সংখ্যাও বেড়েছে। গত বছর ভোট দিয়েছিলেন মোট জনতার ৬৬.৪০ শতাংশ। এবছর ভোট দিয়েছেন ৬৭.১১ শতাংশ ভোটার। কমিশন সূত্রে খবর, অতীতে কেন্দ্র পিছু একটি ভিভপ্যাট যাচাই হত বলে তাতে সর্বমোট সময় লাগত ১ঘন্টা। এখন কেন্দ্র পিছু ভিভিপাট গণনা হবে মোট পাঁচটি করে। অর্থাৎ চারটি অতিরিক্ত যন্ত্রের জন্য সময় লাগবে অন্তত আরও ৪ ঘন্টা।  এর সঙ্গে রয়েছে ১৩ লক্ষ ভোটকর্মীদের পোস্টাল ব্যালট। তাছাড়া কমিশনের গুনতি হবে অন্তত দুই দফায়।  

অর্থাৎ কোন রকম তঞ্চকতা এড়াতে, এই পুনরায় যাচাই বাছাই করা, কেন্দ্র পিছু পাঁচটি করে ভিভিপাট গণনা, পোস্টাল ব্যালট গুনতি, ভোটারের হার বৃদ্ধি, এই কারণগুলির কারণে আগামীকাল অর্থাৎ ২৩ মে নজিরবিহীনভাবে  প্রতি বারের তুলনায় অন্তত তিন থেকে চার ঘণ্টা দেরিতে ভোটের ফল প্রকাশিত হবে। যদিও ভোটের হাওয়া বোঝা যাবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই। তবে ভোটের শেষ ফলাফল জানতে অপেক্ষা করতে হবে বেশ রাত্রি পর্যন্ত।