17

প্রথমেই আসা যাক, আদানি গোষ্ঠীর (Adani Group) ডিরেক্টর তথা প্রতিষ্ঠাতা, গৌতম আদানির (Gautam Adani) কথায়। সদ্য, মুকেশ অম্বানিকে পিছনে ফেলে তিনিই হয়েছেন, ভারতের ধনীতম ব্যক্তি। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে ফেরারি ক্যালিফোর্নিয়া, বিএমডব্লু সেভেন সিরিজ, রোলস-রয়েস গোস্ট-এর মতো কিছু অসাধারণ গাড়ি। এর মধ্যে গৌতম আদানির সবথেকে পছন্দে হল, রোলস রয়েস গোস্ট। গাড়িটির প্রাথমিক দাম ৭ কোটির টাকার বেশি হলেও, আদানি গাড়িটি কাস্টমাইজ ও করিয়েছেন। যার জন্য খরচটা আরও অনেক বেশি হয়েছে। 
 

Subscribe to get breaking news alerts

27

বর্তমানে ভারতের দ্বিতীয় ধনীতম ব্যক্তি হলেন, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ-এর চেয়্যারম্যান মুকেশ অম্বানী। এমনিতেই চারটি মার্সিডিজ এবং একটি রোলস-রয়েস কালিনান গাড়ি থাকে তাঁর নিরাপত্তা কনভয়ে। সেইসঙ্গে তাঁর সংগ্রহে রয়েছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ এস ক্লাস, মার্সিডিজ-মেব্যাক এস ৬৬০ পুলম্যান গার্ড, বেন্টলি কন্টিনেন্টাল ফ্লাইং স্পার, বেন্টেগা, অ্যাস্টন মার্টিন র‌্যাপিড, বিএমডব্লিউ ৭৬০ লি-এর মতো আরও বেশ কয়েকটি অতি বিলাসবহুল এবং দামী গাড়ি। তবে, অম্বানির গ্যারেজের সবচেয়ে দামী গাড়িটি হল রোলস রয়েস ফ্যান্টম সিরিজ এইচ ইবিডব্লু। এটি রোলস রয়েস সংস্থার সবচেয়ে ভাল গাড়ি। কাস্টমাইজেশন ছাড়াই এর আনুমানিক দাম ছিল ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা। মুকেশ অম্বানির প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো-গোছানোর পর, গাড়িটির দাম ১৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। গাড়িটি সর্বোচ্চ বেগ প্রতি ঘন্টায় ২৫০ কিলোমিটার।
 

37

ভারতীয় ধনকুবেরদের মধ্যে ব্যতিক্রনী রতন টাটা। গাড়ির প্রতি তার অদম্য উৎসাহের জন্য তিনি বিশেষ পরিচিত। জাগুয়ার ও টাটা মোটর-এর মালিক, ২০১০ সালেই একটি টকটকে লাল রঙের ফেরারি ক্যালিফোর্নিয়া গাড়ি কিনেছিলেন। ভারতের তিনিই ছিলেন এই গাড়িটির প্রথম মালিক। সেই সময়ে দাম পড়েছিল প্রায় ৩ কোটি টাকা। রতন টাটার চাহিদা মেটাতে কাস্টমাইজ করায় আরেকটু বেশি খরচ হয়েছিল। মার্সিডিজ এসএল ৫০০, মাসেরটি কোয়াট্রোপোর্ট, ক্যাডিলাক এক্সএলআর এবং ক্রিসলার সেব্রিং-এর মতো গাড়ি থাকলেও টাটা গোষ্ঠীর প্রাক্তন চেয়ারম্যান, তাঁর লাল রঙের ফেরারি ক্যালিফোর্নিয়া গাড়িটিকেই সবথেকে ভালোবাসেন। বস্তুত, মাঝে মধ্যেই রবিবার করে, মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভে,  তাঁকে এই ফেরারি ক্যালিফোর্নিয়া গাড়িটি চালাতে দেখা যায়। গাড়িটি ৩.৬ সেকেন্ডেই ০ থেকে ১০০ কিমি/ঘন্টা গবিবেগ অর্জন করতে পারে এবং এর সর্বোচ্চ বেগ ঘন্টায় ৩১৫ কিমি। 
 

47

রতন টাটার মতো, পুনাওয়ালা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান সাইরাস পুনাওয়ালাও বরাবরই গাড়ির ব্যাপারে দারুণ উৎসাহী। এমনকী মাত্র ২০ বছর বয়সেই একটি জাগুয়ার ডি-টাইপ গাড়ি দেখে নিজে নিজেই একটি কার্যকরভাবে একটি স্পোর্টস কার নকশা করেছিলেন তিনি। পরে অবশ্য গাড়ি নকশা করার থেকে বিলাসবহুল চিত্তাকর্ষক গাড়ির মালিক হতেই বেশি উৎসাহ দেখা গিয়েছে তাঁর। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে রোলস-রয়েস, বেন্টলি, ফেরারি এফ৪৩০-র মতো বেশ কয়েকটি নামী-দামী গাড়ি।
 

57

দেশের সেরা গাড়ির মালিক যে ধনকুবের, তিনি হলেন সাইরাসের ছেলে তথা সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার সিইও আদর পুনাওয়ালা। অবিশ্বাস্য হলেও তিনি একটি ব্যাটমোবিলের মালিক! অর্থাৎ, যে গাড়ি কমিক চরিত্র ব্যাটম্যানকে ব্যবহার করতে দেখা যায়। এই গাড়ির মালিক তো আর যে কেউ হতে পারে না, কারণ এটি রোজ রোজ তৈরিই হয় না। আদর পুনাওয়ালা কীভাবে পেলেন? এটি আসলে একটি মার্সিডিজ এস৩৫০ গাড়ি। কাস্টমাইজ করে ব্যাটমোবাইলের রূপ দেওয়া হয়েছে। এই অসামান্য যানটি ছাড়াও, আদর পুনাওয়ালার গ্যারাজে ফেরারি ৩৬০ স্পাইডার, রোলস-রয়েস ফ্যান্টম, পোর্শে কেয়েন, বিএমডব্লু সেভেন সিরিজ, মার্সিডিজ-বেঞ্জ এস৬০০, বেন্টলি কন্টিনেন্টাল ফ্লাইং স্পার এবং আরও বেশ কয়েকটি দামী গাড়ি রয়েছে।
 

67

বিড়লা গোষ্ঠীর কুমার মঙ্গলম বিড়লার গাড়ি সংগ্রহ দেখলেই বোঝা যায়, তিনি বিএমডব্লুর ভক্ত। কারণ তাঁর গ্যারাজ ভর্তি  এই সংস্থার গাড়িতেই। এরমধ্যে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের হল এবং সবথেকে অভিনব গাড়িটি হল বিএমডব্লু ৭৬০ এলআই। এটি একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি! গাড়িটি জার্মানি থেকে ভারতে আনা হয়েছিল এবং এর জন্য কুমার মঙ্গলম বিড়লাকে সরকারের কাছ থেকে বিশেষ সম্মতি নিতে হয়েছিল। এমনিতে, গাড়িটির দাম ২ কোটি টাকার মতো। কিন্তু, এই ক্ষেত্রে, ভারতীয় ধনকুবেরের চাহিদা মতো কাস্টমাইজেশন এবং আমদানি শুল্ক যোগ করে অনেক বেশি দাম পড়েছিল বলে জানা যায়। এছাড়াও, তাঁর সংগ্রহের উল্লেখযোগ্য গাড়িগুলির মধ্যে রয়েছে তিনি মার্সিডিজ মেব্যাক ৬০০ এবং বিএমডব্লিউ ৫ সিরিজ।
 

77

রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান তথা রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস-এর এমডি অনিল অম্বানি হেলিকপ্টারে করে তাঁর অফিসে আসার জন্য পরিচিত। কাজেই, তাঁর সংগ্রহে যে বেশ কিছু চমকপ্রদ গাড়ি থাকবে, তা আর আশ্চর্যের কী? মুকেশ অম্বানির ভাইয়ের গ্যারাজে রয়েছে রোলস রয়েস ফ্যান্টম, ল্যাম্বরগিনি গ্যালার্দো, রেঞ্জ রোভার ভোগ, মার্সিডিজ বেঞ্জ এস-ক্লাস এবং টয়োটা ফরচুনারের মতো গাড়ি। তবে তাঁর সবথেকে প্রিয় হল ল্যাম্বরগিনি গ্যালার্দো। মাঝে মাঝেই অনিল অম্বানিকে এই গাড়িটি চড়তে দেখা যায়। এটির দাম ৩ কোটি টাকার বেশি।

Read more Articles on