সাপের খেলায় মত্ত সৃজিত, ভাইরাল পরিচালকের আফ্রিকা-সফর

First Published 12, Mar 2020, 2:37 PM IST

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবি পরিচালনার ভক্ত অসংখ্য সিনেপ্রেমীরা। তবে ছবি পরিচালনার পাশাপাশি এখন তাঁর পালকে জুড়েছে নয়া পালক। ট্র্যাভেল ব্লগিং। ছবির শ্যুটিংয়ের কারণে হোক কিংবা মিথিলার সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া, ট্যাভেল নিয়ে ব্লগিং করতে আজকাল ভোলেন না সৃজিত।  

আপাতত আফ্রিকায় চলছে 'কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন'র শ্যুটিং। সেখান থেকেই একের পর এক ছবি শেয়ার করে তাক লাগাচ্ছেন সৃজিত। সম্প্রতি আফ্রিকার জঙ্গলে গিয়ে সাপের খেলায় মজলেন সৃজিত। দু'টো সাপ নিয়ে গায়ের উপর ফেলে ছবি তুলেছেন পরিচালক।

আপাতত আফ্রিকায় চলছে 'কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন'র শ্যুটিং। সেখান থেকেই একের পর এক ছবি শেয়ার করে তাক লাগাচ্ছেন সৃজিত। সম্প্রতি আফ্রিকার জঙ্গলে গিয়ে সাপের খেলায় মজলেন সৃজিত। দু'টো সাপ নিয়ে গায়ের উপর ফেলে ছবি তুলেছেন পরিচালক।

সেই ছবি ভাইরাল হয়েছে কয়েক মুহূর্তে। ক্যাপশনে অবশ্য মজার জিনিস লিখেছেন তিনি। 'স্লিদারিন অ্যালুমনাই মিট।' সৃজিতের এই ছবিটি দেখলে মনে পরে যাবে 'হ্যারি পটার'র দৃশ্যের কথা।

সেই ছবি ভাইরাল হয়েছে কয়েক মুহূর্তে। ক্যাপশনে অবশ্য মজার জিনিস লিখেছেন তিনি। 'স্লিদারিন অ্যালুমনাই মিট।' সৃজিতের এই ছবিটি দেখলে মনে পরে যাবে 'হ্যারি পটার'র দৃশ্যের কথা।

আফ্রিকা যেখানে শ্যুটিং হচ্ছে, সেখানেই একান্তে বসে আরও একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন সৃজিত। ছবির ক্যাপশনে স্ত্রী মিথিলার কথাও লিখেছেন। এমন ফাঁকা, সুন্দর পরিবেশে মিথিলাকেই পাশে চান সৃজিত।

আফ্রিকা যেখানে শ্যুটিং হচ্ছে, সেখানেই একান্তে বসে আরও একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন সৃজিত। ছবির ক্যাপশনে স্ত্রী মিথিলার কথাও লিখেছেন। এমন ফাঁকা, সুন্দর পরিবেশে মিথিলাকেই পাশে চান সৃজিত।

সৃজিতের ইনস্টাগ্রামে রয়েছে আফ্রিকার জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট কার্নিভোরের ঝলক। সব ধরণের মাংসের প্ল্যাটার পাওয়া যায় এই রেস্তোরাঁয়। খাদ্যরসিক সৃজিত তাই নিত্যনতুন মাংসের ডিশের ছবি পোস্ট করেছেন।

সৃজিতের ইনস্টাগ্রামে রয়েছে আফ্রিকার জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট কার্নিভোরের ঝলক। সব ধরণের মাংসের প্ল্যাটার পাওয়া যায় এই রেস্তোরাঁয়। খাদ্যরসিক সৃজিত তাই নিত্যনতুন মাংসের ডিশের ছবি পোস্ট করেছেন।

এ তো আফ্রিকার কথা, ভারতেরও কিছু জায়গা সৃজিতের বড়ো প্রিয়। যেমন ব্যাঙ্গালোর। তাঁর কাছে দ্বিতীয় কলকাতা হল ব্যাঙ্গালোর। বাড়ির মতই অনুভূতি দেয় তাঁকে এই জায়গা।

এ তো আফ্রিকার কথা, ভারতেরও কিছু জায়গা সৃজিতের বড়ো প্রিয়। যেমন ব্যাঙ্গালোর। তাঁর কাছে দ্বিতীয় কলকাতা হল ব্যাঙ্গালোর। বাড়ির মতই অনুভূতি দেয় তাঁকে এই জায়গা।

কয়েক মাস আগে হাম্পিতে গিয়েছিলেন সৃজিত। সেখানকার বেশ কিছু স্থাপত্য তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। সেই ধ্বংশাবশেষের ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি।

কয়েক মাস আগে হাম্পিতে গিয়েছিলেন সৃজিত। সেখানকার বেশ কিছু স্থাপত্য তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। সেই ধ্বংশাবশেষের ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি।

এথেনস ঘুরেছিলেন মিথিলার সঙ্গে। থিয়েটার অফ ডাওনিসাসের বেশ কয়েকটি ছবির কোলাজ শেয়ার করেছিলেন। একটি ছবির মধ্যে সৃজিত-মিথিলাকেও দেখা যাচ্ছে।

এথেনস ঘুরেছিলেন মিথিলার সঙ্গে। থিয়েটার অফ ডাওনিসাসের বেশ কয়েকটি ছবির কোলাজ শেয়ার করেছিলেন। একটি ছবির মধ্যে সৃজিত-মিথিলাকেও দেখা যাচ্ছে।

স্যান্তোরিনির সূর্যাস্ত যে বিশ্ববিখ্যাত তা প্রায় সকল ট্র্যাভেলাররাই জানেন। এমন অসামান্য সূর্যাস্তের দৃশ্য নাকি সচরাচর দেখা যায় না। তাই সেই সূর্যাস্তের একটি বার্ড ভিউ নিয়ে মিথিলাকে ফ্রেমে রেখে ছবি তুলেছিলেন সৃজিত।

স্যান্তোরিনির সূর্যাস্ত যে বিশ্ববিখ্যাত তা প্রায় সকল ট্র্যাভেলাররাই জানেন। এমন অসামান্য সূর্যাস্তের দৃশ্য নাকি সচরাচর দেখা যায় না। তাই সেই সূর্যাস্তের একটি বার্ড ভিউ নিয়ে মিথিলাকে ফ্রেমে রেখে ছবি তুলেছিলেন সৃজিত।

তাঁর এবং মিথিলার জায়গাটি এতটাই পছন্দ হয়েছে যে একটি বড়ো ছবির কোলাজ শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, স্যান্টো মুহূর্তগুলোর কাছে ঋনি রইলাম।

তাঁর এবং মিথিলার জায়গাটি এতটাই পছন্দ হয়েছে যে একটি বড়ো ছবির কোলাজ শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, স্যান্টো মুহূর্তগুলোর কাছে ঋনি রইলাম।

এথেনসের যে হোটেলে তাঁরা ছিলেন, তার সামনের জানলা থেকে জিউসের মন্দির স্পষ্ট করে দেখা যাচ্ছে। এমন দৃশ্য হোটেল রুমের বিছানায় বসে উপভোগ করেছিলেন মিথিলা-সৃজিত। সে ছবি বেশ ভাইরালও হয়েছিল নেটদুনিয়ায়।

এথেনসের যে হোটেলে তাঁরা ছিলেন, তার সামনের জানলা থেকে জিউসের মন্দির স্পষ্ট করে দেখা যাচ্ছে। এমন দৃশ্য হোটেল রুমের বিছানায় বসে উপভোগ করেছিলেন মিথিলা-সৃজিত। সে ছবি বেশ ভাইরালও হয়েছিল নেটদুনিয়ায়।

loader