করোনামুক্ত হয়েও স্বস্তি নেই অমিতাভের, ছেলের জন্য উদ্বেগ বাড়ছে ক্রমশ

First Published 3, Aug 2020, 10:56 PM

তিন সপ্তাহের বেশি হয়ে নানাবতী হাসপাতালে কোভিড পজিটিভ হয়ে ভর্তি ছিলেন অমিতাভ বচ্চন। সেখান থেকে দিন কতক আগেই কোভিড নেগেটিভ পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে জলসায় ফিরেছেন তিনি। এখনও নানাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিষেক বচ্চন। ১১ জুলাই কোভিড পজিটিভ হওয়ার পর শারীরিক অবস্থার খানিক অবনতি হওয়ায় থেকেই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় তাঁকে। হাসপাতালের কেবিনের চার দেওয়ালে যেন দম বন্ধ হয়ে আসছিল অমিতাভের। একাকীত্বে ভুগছিলেন তিনি। 

<p>অবশেষে বাড়ি ফিরে খানিক স্বস্তি এলেও উদ্বেগ যায়নি তাঁর। তিন সপ্তাহের বেশি ছেলে ভর্তি নানাবতী হাসপাতালে। অবস্থার তেমন অবনতি না হলেও তাঁকে পর্যবেক্ষণেই রাখা হচ্ছে।</p>

অবশেষে বাড়ি ফিরে খানিক স্বস্তি এলেও উদ্বেগ যায়নি তাঁর। তিন সপ্তাহের বেশি ছেলে ভর্তি নানাবতী হাসপাতালে। অবস্থার তেমন অবনতি না হলেও তাঁকে পর্যবেক্ষণেই রাখা হচ্ছে।

<p>ছেলের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন অমিতাভ। নিজের ব্লগে সে কথাই লিখেছেন তিনি। "করোনামুক্ত হয়েও মনটা ভাল নেই। অভিষেক এখনও হাসাপাতে।"</p>

ছেলের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন অমিতাভ। নিজের ব্লগে সে কথাই লিখেছেন তিনি। "করোনামুক্ত হয়েও মনটা ভাল নেই। অভিষেক এখনও হাসাপাতে।"

<p>"নিত্যদিনের পরীক্ষা, ল্যাবের ফলাফল, ডাক্তারদের মাঝে থাকা। এসবই চলছে মাথায়। এতকিছুর মধ্যে থেকেও চিন্তা হয় অবশেষে সব ঠিক হয়ে যাবে।"</p>

"নিত্যদিনের পরীক্ষা, ল্যাবের ফলাফল, ডাক্তারদের মাঝে থাকা। এসবই চলছে মাথায়। এতকিছুর মধ্যে থেকেও চিন্তা হয় অবশেষে সব ঠিক হয়ে যাবে।"

<p>"অভিষেকের জন্য খারাপ লাগছে। মন ভাল নেই। আমি বাড়িতে, ও হাসপাতালে। আশা করছি খুব শীঘ্রই ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসবে।" অমিতাভের লেখায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভক্তরাও।&nbsp;</p>

"অভিষেকের জন্য খারাপ লাগছে। মন ভাল নেই। আমি বাড়িতে, ও হাসপাতালে। আশা করছি খুব শীঘ্রই ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসবে।" অমিতাভের লেখায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভক্তরাও। 

<p>করোনার মতো ছোঁয়াছে ভাইরাসের কারণে হাসপাতালের ঘরের আশপাশেও ঠিকভাবে পায়চারি করার সুযোগ পাননি তিনি। এই সময় তাঁর সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছিল বাবাকে।&nbsp;</p>

করোনার মতো ছোঁয়াছে ভাইরাসের কারণে হাসপাতালের ঘরের আশপাশেও ঠিকভাবে পায়চারি করার সুযোগ পাননি তিনি। এই সময় তাঁর সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছিল বাবাকে। 

<p>বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন, কিংবদন্তী কবি। তাঁর কবিতা একসময় আবৃত্তি করে ভিডিও করেছিলেন। পুরনো সেই ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন তিনি।&nbsp;</p>

বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন, কিংবদন্তী কবি। তাঁর কবিতা একসময় আবৃত্তি করে ভিডিও করেছিলেন। পুরনো সেই ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন তিনি। 

<p>সম্প্রতি বচ্চন পরিবারের মিলেছে খানিক স্বস্তি। অমিতাভের পাশাপাশি ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের কোভিড পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে ফলাফল। আরাধ্যাও এখন কোভিড নেগেটিভ। মা ও মেয়ে একসঙ্গেই ছাড়া পেয়ে গিয়েছিলেন নানাবতী হাসপাতাল থেকে।&nbsp;</p>

সম্প্রতি বচ্চন পরিবারের মিলেছে খানিক স্বস্তি। অমিতাভের পাশাপাশি ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের কোভিড পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে ফলাফল। আরাধ্যাও এখন কোভিড নেগেটিভ। মা ও মেয়ে একসঙ্গেই ছাড়া পেয়ে গিয়েছিলেন নানাবতী হাসপাতাল থেকে। 

<p>অভিষেক বচ্চন টুইট করে খবরটি প্রকাশ্যে আনেন। অভিনেতা টুইটে লেখেন, "আপনাদের প্রার্থনার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যার কোভিড টেসট নেগেটিভ এসেছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গিয়েছে দু'জনেই। আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইন থাকবে দু'জনেই। আমি এবং বাবা এখনও হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে থাকছি।"&nbsp;</p>

অভিষেক বচ্চন টুইট করে খবরটি প্রকাশ্যে আনেন। অভিনেতা টুইটে লেখেন, "আপনাদের প্রার্থনার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যার কোভিড টেসট নেগেটিভ এসেছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গিয়েছে দু'জনেই। আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইন থাকবে দু'জনেই। আমি এবং বাবা এখনও হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে থাকছি।" 

<p>অমিতাভ বচ্চন এবং অভিষেকের কোভিড পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসার পরই রাতারাতি ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যার কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অমিতাভ এবং অভিষেক প্রথমেই নানাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।&nbsp;</p>

অমিতাভ বচ্চন এবং অভিষেকের কোভিড পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসার পরই রাতারাতি ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যার কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অমিতাভ এবং অভিষেক প্রথমেই নানাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। 

<p>তবে ঐশ্বর্য, আরাধ্য প্রথমে বাড়িতে ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে থাকলেও পরে শ্বাসকষ্টের জেরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। ১৭ জুলাই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন মা ও মেয়ে। দশদিনের দীর্ঘ চিকিৎসার পর ছাড়া পেলেন তাঁরা। &nbsp;</p>

তবে ঐশ্বর্য, আরাধ্য প্রথমে বাড়িতে ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে থাকলেও পরে শ্বাসকষ্টের জেরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। ১৭ জুলাই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন মা ও মেয়ে। দশদিনের দীর্ঘ চিকিৎসার পর ছাড়া পেলেন তাঁরা।  

loader