দিনভর বৃষ্টি, টানা চারঘণ্টা ধরে আমিরকে চুম্বন, রোম্যান্টিক দিনের কথা আজও ভোলেননি করিশ্মা

First Published 5, Oct 2020, 11:33 PM

বলিউডের আনাচে কানাচে লুকিয়ে হাজার এক রহস্য়। যার পরতে পরতে রয়েছে নানা প্রেম কাহিনির ওঠা পড়ার গল্প। কিছু সামনে আসে কিছু আবার গোপনেই হারিয়ে যায়। তবে এই কাহিনি প্রেমের নয়। তবে শ্যুটিং সেটেই যা ঘটেছিল তা যেন এক ইতিহাস

<p>সালটা ১৯৯৬। তখন দর্শকমহলের ছবির থেকে চাহিদা ছিল ভিন্ন। ঘরোয়া, রোম্যান্টি, কিংবা পারিবারিক মেলোড্রামা এমন ছবিতেই সহজ ছিল তাঁরা।&nbsp;</p>

সালটা ১৯৯৬। তখন দর্শকমহলের ছবির থেকে চাহিদা ছিল ভিন্ন। ঘরোয়া, রোম্যান্টি, কিংবা পারিবারিক মেলোড্রামা এমন ছবিতেই সহজ ছিল তাঁরা। 

<p>এমনই সময় মুক্তি পেয়েছিল রাজা হিন্দুস্তানি ছবিটি। যা সকলে নাড়া দিয়ে গিয়েছিল। আমির খান ও করিশ্মা কপুরে এক বৃষ্টি ভেজা দিনে চুম্বনের দৃশ্য।&nbsp;</p>

এমনই সময় মুক্তি পেয়েছিল রাজা হিন্দুস্তানি ছবিটি। যা সকলে নাড়া দিয়ে গিয়েছিল। আমির খান ও করিশ্মা কপুরে এক বৃষ্টি ভেজা দিনে চুম্বনের দৃশ্য। 

<p>মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়েছিল সকলের মুখে মুখে। সৃষ্টি করেছিল বিতর্ক। কেমন ছিল সেই চুম্বনের অভিজ্ঞতা!&nbsp;</p>

মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়েছিল সকলের মুখে মুখে। সৃষ্টি করেছিল বিতর্ক। কেমন ছিল সেই চুম্বনের অভিজ্ঞতা! 

<p>এবার প্রকাশ্যে সেই কথা জানালেন খোদ করিশ্মা কাপুর। টানা তিন দিন ধরে শ্যুটিং চলেছিল এই পর্বের।&nbsp;</p>

এবার প্রকাশ্যে সেই কথা জানালেন খোদ করিশ্মা কাপুর। টানা তিন দিন ধরে শ্যুটিং চলেছিল এই পর্বের। 

<p style="text-align: justify;">একের পর এক টেক, শট কিছুতেই মনের মত হচ্ছিল পরিচালকের। সেই দৃশ্যে শ্যুট করা ছিল বিস্তর কষ্টের।&nbsp;</p>

একের পর এক টেক, শট কিছুতেই মনের মত হচ্ছিল পরিচালকের। সেই দৃশ্যে শ্যুট করা ছিল বিস্তর কষ্টের। 

<p>উটিতে টানা তিনদিন ধরে চলতে থাকে এই শ্যুটিং। মাসটা ছিল ফেব্রুয়ারি।&nbsp;</p>

উটিতে টানা তিনদিন ধরে চলতে থাকে এই শ্যুটিং। মাসটা ছিল ফেব্রুয়ারি। 

<p>গায়ের মধ্যে জল পাশাপাশি সামনে থেকে আসা ঠাণ্ডা পাখার হাওয়া। শীতে জমে গিয়েছিলেন তাঁরা দুজনে।</p>

গায়ের মধ্যে জল পাশাপাশি সামনে থেকে আসা ঠাণ্ডা পাখার হাওয়া। শীতে জমে গিয়েছিলেন তাঁরা দুজনে।

<p>পাশাপাশি এদিন অভিনেত্রী এও জানান, তখন শ্যুটিং-এর পদ্ধতি ছিল ভিন্ন। অনেক কষ্টে একটা টেক পাওয়া যেত।&nbsp;</p>

পাশাপাশি এদিন অভিনেত্রী এও জানান, তখন শ্যুটিং-এর পদ্ধতি ছিল ভিন্ন। অনেক কষ্টে একটা টেক পাওয়া যেত। 

<p>তাঁরা দুজনেই ভাবছিলেন, কবে শেষ হবে এই চুম্বনের দৃশ্যের শ্যুটিং। প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত চলত এই ছবির শ্যুটিং পর্ব।&nbsp;</p>

তাঁরা দুজনেই ভাবছিলেন, কবে শেষ হবে এই চুম্বনের দৃশ্যের শ্যুটিং। প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত চলত এই ছবির শ্যুটিং পর্ব। 

<p>এতক্ষণ ধরে তাঁরা ঠাণ্ডার মধ্যে কাঁপতেন। মাঝে কেটে গিয়েছে ২৪ বছর। তবুও আজও তিনি ভুলতে পারেন না সেই দৃশ্য।</p>

এতক্ষণ ধরে তাঁরা ঠাণ্ডার মধ্যে কাঁপতেন। মাঝে কেটে গিয়েছে ২৪ বছর। তবুও আজও তিনি ভুলতে পারেন না সেই দৃশ্য।

loader