111

বাবা, দাদুর পরিচয়ে নয়, সম্পূর্ণ নিজের দক্ষতায় নিজের আসন পাকিয়ে নিয়েছেন নবাবকন্যা। কেদারনাথ ছবি দিয়ে বলিউডে  পা রেখে একের পর এক ছবিতে বাজিমাত করেছেন সারা আলি খান। এবার সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলেছেন সুশান্তের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সাবির আহমেদ।

Subscribe to get breaking news alerts

211

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাবির জানিয়েছেন,  ২০১৮ সালে ব্যাঙ্ককে বন্ধুদের নিয়ে বয়েজ ট্রিপে গিয়েছিলেন সুশান্ত। সারা আলি খানও উপস্থিত ছিলেন সেই বয়েজ ট্রিপে। 

311

সেই ট্রিপেরই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন সুশান্তের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সাবির  । ব্যাঙ্কক ট্রিপে গিয়েই নাকি অন্তরঙ্গতায় মজেছিলেন সারা ও সুশান্ত। যদিও এ আর নতুন কি। কিন্তু এতটাই একান্ত মুহূর্তে সময় কাটিয়েছিলেন এই যুগল যে বিলাসবহুল হোটেল ছেড়ে টানা  ৩ দিন বের হতে দেখা যায়নি সারা-সুশান্তকে।

411

সাবির জানিয়েছেন, ব্যাঙ্ককে পৌঁছানোর পর সকলে মিলে সাইড সিনে গেলেও সারা-সুশান্ত কার্যত নিজেদের ঘরবন্দি করে দিয়েছিলেন। একটানা ৩ দিন তাদের হোটেলের বাইরে বের হতে দেখা যায়নি।

511

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারেও এই ব্যাঙ্কক ট্রিপের কথা রিয়ার কাছ থেকেও উঠে এসেছিল। ওই ট্রিপে গিয়েই নাকি সুশান্ত ৭০ লক্ষ টাকা খরচ করেছিল।

611

একাধিক বিতর্কে ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা। সমস্ত জল্পনায়  ইতি টেনে মুখ খুলেছেন সইফ কন্যা সারা আলি খান।

711


সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে  সারা জানিয়ছেন,  সুশান্তের চাটার্ড ফ্লাইট করেই ব্যাঙ্কতে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। এবং সেই ট্রিপে সুশান্তের খরচ হয়েছিল ৭০ লাখ টাকা।

811

রাজার মতোই জীবনযাপনই করত সুশান্ত, তেমনটাই দাবি করেছেন সুশান্ত। কেদারনাথ ছবির সাফল্যেই এই ট্রিপটি করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই ট্রিপে গিয়েছিলেন সারা-সুশান্ত। 

911

সাবির আরও জানায়, সুশান্ত ছাড়া ওই ট্রিপে আরও ৫ জন ছিলেন কুশাল জাভেরি, সিদ্ধার্থ গুপ্তা, আব্বাস, মুস্তাক, সাবির আহমেদ। এই ৬ জন ছাড়াও  আর ১ জন ছিলেন তিনি হলেন সারা আলি খান।

1011

সাবির বলেছেন, সেই ট্রিপে সুশান্ত-সারা ও দেহরক্ষী মুস্তাক বাদে সকলেই ফিরে এসেছিলেন সুনামীর সতর্কতার কারণে। কিন্তু সকলে ফিরলেও সারা-সুশান্ত ফেরেনি। 

1111

সুশান্তের প্রাক্তন এক সহযোগী জানান, সারা নাকি টিকিট পাচ্ছিলেন না। সারার ব্যবহারেরও অনেক প্রশংসা করেছেন সাবির। কিন্তু দুজনের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় খুবই অবাক হয়েছিলেন বলেও দাবি করেন সাবির।