শোয়েব আখতার-এর কেরিয়ার বাঁচিয়েছিলেন এক প্রাক্তন বিসিসিআই কর্তা, জানুন নেপথ্য-কাহিনি

First Published 19, Apr 2020, 2:09 PM

সম্প্রতি করোনাভাইরাস-এর প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে তহবিল সংগ্রহে জন্য ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট সিরিজ আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন প্রাক্তন পাকিস্তানি পেস বোলার শোয়েব আখতার। তিনি। কপিল দেব, গাভাস্করদের মতো প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটাররা তাঁর প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। ১৯৯৭ থেকে ২০১১ - দীর্ঘ চোদ্দ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন আখতার। তবে অনেকেরই জানা নেই এক ভারতীয় বোর্ড কর্তা না থাকলে, হয়তো মেরেকেটে বছর তিনেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে পারতেন তিনি। ঠিক কী ঘটেছিল, জেনে নেওয়া যাক, নেপথ্যের কাহিনি।

<p style="text-align: justify;">১৯৯৭ সালে ঘরের মাঠ রাওয়ালপিন্ডিতেই ওয়েস্টইন্ডিজ-এর বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে কেরিয়ার শুরু হয়েছিল আখতারের। পরের বছর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ওডিআই অভিষেকও হয়। প্রথম থেকেই দুর্দান্ত গতিতে বল করলেও, কেরিয়ারের শুরুতে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। প্রথম ৮ টেস্টে পেয়েছিলেন মাত্র ১৮টি উইকেট।</p>

<p style="text-align: justify;">&nbsp;</p>

১৯৯৭ সালে ঘরের মাঠ রাওয়ালপিন্ডিতেই ওয়েস্টইন্ডিজ-এর বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে কেরিয়ার শুরু হয়েছিল আখতারের। পরের বছর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ওডিআই অভিষেকও হয়। প্রথম থেকেই দুর্দান্ত গতিতে বল করলেও, কেরিয়ারের শুরুতে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। প্রথম ৮ টেস্টে পেয়েছিলেন মাত্র ১৮টি উইকেট।

 

<p style="text-align: justify;">তবে, ১৯৯৯ সালের ভারত সফর থেকেই নিজের জাত চেনাতে শুরু করেছিলেন তিনি। তারপরপরই শারজায় এবং তারপর ১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বিশ্বমানের পেস বোলিং-এর নিদর্শন রাখেন তিনি। বলের তীব্র গতি এবং নিখুঁত নিশানার জোরে বিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের রীতিমতো ত্রাস হয়ে ওঠেন তিনি।</p>

<p style="text-align: justify;">&nbsp;</p>

তবে, ১৯৯৯ সালের ভারত সফর থেকেই নিজের জাত চেনাতে শুরু করেছিলেন তিনি। তারপরপরই শারজায় এবং তারপর ১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বিশ্বমানের পেস বোলিং-এর নিদর্শন রাখেন তিনি। বলের তীব্র গতি এবং নিখুঁত নিশানার জোরে বিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের রীতিমতো ত্রাস হয়ে ওঠেন তিনি।

 

<p style="text-align: justify;">ঠিক এই সময়েই তাঁর জীবনে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছিল বলা চলে। তাঁর কেরিয়ার উত্থানের মুখেই থেমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি প্রশ্ন তুলেছিল শোয়েব আখতারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে। পিসিবিকে জানানো হয়েছিল, তাদের নয়নের মণি এই গতি-তারকার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।</p>

<p style="text-align: justify;">&nbsp;</p>

ঠিক এই সময়েই তাঁর জীবনে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছিল বলা চলে। তাঁর কেরিয়ার উত্থানের মুখেই থেমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি প্রশ্ন তুলেছিল শোয়েব আখতারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে। পিসিবিকে জানানো হয়েছিল, তাদের নয়নের মণি এই গতি-তারকার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

 

<p style="text-align: justify;">তদন্তে বেরিয়েছিল, আইসিসি বোলিং-এর সময় বোলারদের যতটা কনুই ভাঙার অনুমতি দেয়, আখতার তার থেকে বেশি কনুই ভাঙছেন। বোলিং অ্য়াকশন সংশোধন না করলে, তাঁকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত করতে হবে।</p>

<p style="text-align: justify;">&nbsp;</p>

তদন্তে বেরিয়েছিল, আইসিসি বোলিং-এর সময় বোলারদের যতটা কনুই ভাঙার অনুমতি দেয়, আখতার তার থেকে বেশি কনুই ভাঙছেন। বোলিং অ্য়াকশন সংশোধন না করলে, তাঁকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত করতে হবে।

 

<p style="text-align: justify;">সেই অবস্থায় পাক বোর্ডের বলতে গেলে কিছুই করার ছিল না। সব আইসিসি সদস্যই আখতারের নির্বাসনের পক্ষে ছিল। সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন, সেই সময়কার পিসিবির প্রধান তথা অবসরপ্রাপ্ত পাক লেফট্যানেন্ট জেনারেল তৌকির জিয়া। ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত পাক বোর্ডের মাথায় ছিলেন তিনি।</p>

<p style="text-align: justify;">&nbsp;</p>

সেই অবস্থায় পাক বোর্ডের বলতে গেলে কিছুই করার ছিল না। সব আইসিসি সদস্যই আখতারের নির্বাসনের পক্ষে ছিল। সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন, সেই সময়কার পিসিবির প্রধান তথা অবসরপ্রাপ্ত পাক লেফট্যানেন্ট জেনারেল তৌকির জিয়া। ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত পাক বোর্ডের মাথায় ছিলেন তিনি।

 

<p style="text-align: justify;">তৌকির জানিয়েছেন, সেই সময় রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস তথা পাকিস্তানের পক্ষে এসে দাঁড়িয়েছিলেন, তৎকালীন আইসিসি প্রধান তথা প্রাক্তন বিসিসিআই চেয়ারম্যান জগমোহন ডালমিয়া, বা আমাদের কলকাতার জগু দা। আইসিসি-র প্রায় সব সদস্য আখতারের নির্বাসন চাইলেও আইসিসি-তে নিজের প্রভাব খাটিয়ে একাই আখতারের পক্ষে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।</p>

<p style="text-align: justify;">&nbsp;</p>

তৌকির জানিয়েছেন, সেই সময় রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস তথা পাকিস্তানের পক্ষে এসে দাঁড়িয়েছিলেন, তৎকালীন আইসিসি প্রধান তথা প্রাক্তন বিসিসিআই চেয়ারম্যান জগমোহন ডালমিয়া, বা আমাদের কলকাতার জগু দা। আইসিসি-র প্রায় সব সদস্য আখতারের নির্বাসন চাইলেও আইসিসি-তে নিজের প্রভাব খাটিয়ে একাই আখতারের পক্ষে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

 

<p style="text-align: justify;">তৌকির আরও জানিয়েছেন, জগমোহন ডালমিয়ার জন্যই আইসিসি শেষ পর্যন্ত মেনে নিয়েছিল, তার বোলিং অ্য়াকশনে ত্রুটির কারণটি চিকিৎসা সংক্রান্ত, একটি জন্মগত সমস্যা। জন্মের সময়ই আখতার যে হাতে বল করতেন, অর্থাৎ তাঁর ডানহাতে একটি সমস্যা ছিল, যাকে চিকিৎসা পরিভাষায় বললা হয় হাইপার এলবো এক্সটেনশন। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের থেকে কনুই বেশি বাঁকে। সেই যুক্তি মেনে নিয়েই আখতার-কে খেলতে দেওয়া হয়েছিল। &nbsp;</p>

<p style="text-align: justify;">&nbsp;</p>

তৌকির আরও জানিয়েছেন, জগমোহন ডালমিয়ার জন্যই আইসিসি শেষ পর্যন্ত মেনে নিয়েছিল, তার বোলিং অ্য়াকশনে ত্রুটির কারণটি চিকিৎসা সংক্রান্ত, একটি জন্মগত সমস্যা। জন্মের সময়ই আখতার যে হাতে বল করতেন, অর্থাৎ তাঁর ডানহাতে একটি সমস্যা ছিল, যাকে চিকিৎসা পরিভাষায় বললা হয় হাইপার এলবো এক্সটেনশন। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের থেকে কনুই বেশি বাঁকে। সেই যুক্তি মেনে নিয়েই আখতার-কে খেলতে দেওয়া হয়েছিল।  

 

<p style="text-align: justify;">১৪ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ৪৬টি টেস্ট খেলে শোয়েব আখতার ১৭৬টি উইকেট নিয়েছেন। আর ১৬৩টি একদিনের ম্যাচে ২৪৭টি উইকেট। পাকিস্তানের জার্সিতে রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস টি২০ ম্য়াচও খেলেছেন ১৫টি,উইকেট পেয়েছেন ১৯টি। তবে পরিসংখ্যান হিসাবে নয়, আখতারকে ক্রিকেট দুনিয়া মনে রেখেছে গতির ত্রাস হিসাবে। ২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে সময় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি গ্রুপ ম্যাচে তাঁর করা ১৬১.৩ কিমি প্রতি ঘন্টা বেগে করা বলটিই এখনও পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম বল।</p>

<p style="text-align: justify;">&nbsp;</p>

১৪ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ৪৬টি টেস্ট খেলে শোয়েব আখতার ১৭৬টি উইকেট নিয়েছেন। আর ১৬৩টি একদিনের ম্যাচে ২৪৭টি উইকেট। পাকিস্তানের জার্সিতে রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস টি২০ ম্য়াচও খেলেছেন ১৫টি,উইকেট পেয়েছেন ১৯টি। তবে পরিসংখ্যান হিসাবে নয়, আখতারকে ক্রিকেট দুনিয়া মনে রেখেছে গতির ত্রাস হিসাবে। ২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে সময় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি গ্রুপ ম্যাচে তাঁর করা ১৬১.৩ কিমি প্রতি ঘন্টা বেগে করা বলটিই এখনও পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম বল।

 

loader