স্মৃতির পাতা উল্টে ফিরে দেখা ১৯৯০-তে লিভারপুলের লিগ জয়ের ইতিহাস

First Published 26, Jun 2020, 4:16 PM

কেনি দালগিসের কোচিংয়ে শেষ বার ১৯৯০ তে লিগ পেয়েছিল লিভারপুল। তারপর সুদীর্ঘ ৩০ বছর পর লিগ পেল তারা য়ুর্গান ক্লপের অধীনে। প্রিমিয়ার লিগ জমানায় এটিই প্রথম লিগ ট্রফি তাদের। জেনে নিন ৩০ বছর আগের লিগ জয়ের খুঁটিনাটি তথ্য।
 

<p><strong>ম্যানেজার-</strong><br />
শেষবার লিভারপুল যখন লিগ জিতেছিল ১৯৮৯-৯০ মরশুমে তখন তাদের ম্যানেজার ছিলেন কেনি দালগিস। মোট ছয় বছর লিভারপুলে কোচিং করিয়েছেন তিনি। ওই মরশুম বাদে তিনি লিভারপুলকে আরও ২টি মরশুমে লিগ জিতিয়েছেন। এছাড়া লিভারপুলকে ২ বার এফ.এ কাপও জিতিয়েছেন তিনি</p>

ম্যানেজার-
শেষবার লিভারপুল যখন লিগ জিতেছিল ১৯৮৯-৯০ মরশুমে তখন তাদের ম্যানেজার ছিলেন কেনি দালগিস। মোট ছয় বছর লিভারপুলে কোচিং করিয়েছেন তিনি। ওই মরশুম বাদে তিনি লিভারপুলকে আরও ২টি মরশুমে লিগ জিতিয়েছেন। এছাড়া লিভারপুলকে ২ বার এফ.এ কাপও জিতিয়েছেন তিনি

<p><strong>দলের পারফরম্যান্স-</strong><br />
সেইবার লিগে ৩৮ টি ম্যাচ খেলে ৭৯ পয়েন্ট পেয়েছিল লিভারপুল। ২৩ টি ম্যাচে জয়, ১০ টি ড্র এবং ৫ টি ম্যাচে হেরেছিল তারা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অ্যাস্টোন ভিলার থেকে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে মরশুম শেষ করেছিল তারা। <br />
 </p>

দলের পারফরম্যান্স-
সেইবার লিগে ৩৮ টি ম্যাচ খেলে ৭৯ পয়েন্ট পেয়েছিল লিভারপুল। ২৩ টি ম্যাচে জয়, ১০ টি ড্র এবং ৫ টি ম্যাচে হেরেছিল তারা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অ্যাস্টোন ভিলার থেকে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে মরশুম শেষ করেছিল তারা। 
 

<p><br />
<strong>উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স-</strong><br />
লিগে মোট ৩টি ম্যাচ পাঁচ গোলে জিতেছিল তারা। সেই প্রতিপক্ষরা হল ক্রিস্টাল প্যালেস, চেলসি এবং কনভেন্ত্রী সিটি। তার মধ্যে লেস্টার সিটি-কে ৯-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। <br />
 </p>


উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স-
লিগে মোট ৩টি ম্যাচ পাঁচ গোলে জিতেছিল তারা। সেই প্রতিপক্ষরা হল ক্রিস্টাল প্যালেস, চেলসি এবং কনভেন্ত্রী সিটি। তার মধ্যে লেস্টার সিটি-কে ৯-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। 
 

<p><strong>অন্যান্য ট্রফি-</strong><br />
সেইবার লিগ ছাড়া আর অন্য কোনও ট্রফি জিততে পারেনি লিভারপুল। বাকি সব প্রতিযোগিতাতেই হতাশ করেছিল তারা। অন্যান্য সব ট্রফি মিলিয়ে এফ.এ কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছনোই ছিল তাদের সেরা পারফরম্যান্স। <br />
 </p>

অন্যান্য ট্রফি-
সেইবার লিগ ছাড়া আর অন্য কোনও ট্রফি জিততে পারেনি লিভারপুল। বাকি সব প্রতিযোগিতাতেই হতাশ করেছিল তারা। অন্যান্য সব ট্রফি মিলিয়ে এফ.এ কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছনোই ছিল তাদের সেরা পারফরম্যান্স। 
 

<p><strong>পরিসংখ্যান-</strong><br />
লিগে সেই মরশুমে লিভারপুলের স্ট্যাটস ছিল অন্যান্য যে কোনও দলের চেয়ে অনেক ভালো। সেবার লিগে তারা মোট ৭৮ টি গোল করেছিল। এই পরিসংখ্যানের ধারে কাছে ছিল না অন্য কোনও দল। সেই মরশুমে মাত্র ৩৭ টি গোল খেয়েছিল লিভারপুল, যা ছিল লিগের সর্বনিন্ম। <br />
 </p>

পরিসংখ্যান-
লিগে সেই মরশুমে লিভারপুলের স্ট্যাটস ছিল অন্যান্য যে কোনও দলের চেয়ে অনেক ভালো। সেবার লিগে তারা মোট ৭৮ টি গোল করেছিল। এই পরিসংখ্যানের ধারে কাছে ছিল না অন্য কোনও দল। সেই মরশুমে মাত্র ৩৭ টি গোল খেয়েছিল লিভারপুল, যা ছিল লিগের সর্বনিন্ম। 
 

<p><strong>সমৃদ্ধ দল-</strong><br />
সেই মরশুমে দলে ছিলেন কয়েকজন উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড় যাদের লিভারপুলের ইতিহাস মনে রাখবে। তারা হলেন গোলকিপার ব্রুস গ্রবেলার, ডিফেন্ডারদের মধ্যে ছিলেন স্টিভ নিকোলা, গ‍্যারি গিলেসপি, গ্লেন হেসন, মিডফিল্ডারদের মধ্যে ছিলেন রয় হাউটন, জান ইম্বলে, জন বার্নস, স্টিভ ম্যাকমোহন। ফরোয়ার্ডদের মধ্যে ছিলেন পিটার বার্ডসলি, রনি রসেন্টাল, ইয়ান রাসের মতো খেলোয়াড়। <br />
 </p>

সমৃদ্ধ দল-
সেই মরশুমে দলে ছিলেন কয়েকজন উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড় যাদের লিভারপুলের ইতিহাস মনে রাখবে। তারা হলেন গোলকিপার ব্রুস গ্রবেলার, ডিফেন্ডারদের মধ্যে ছিলেন স্টিভ নিকোলা, গ‍্যারি গিলেসপি, গ্লেন হেসন, মিডফিল্ডারদের মধ্যে ছিলেন রয় হাউটন, জান ইম্বলে, জন বার্নস, স্টিভ ম্যাকমোহন। ফরোয়ার্ডদের মধ্যে ছিলেন পিটার বার্ডসলি, রনি রসেন্টাল, ইয়ান রাসের মতো খেলোয়াড়। 
 

<p><strong>সর্বোচ্চ গোলদাতা-</strong><br />
সেই বছর লিগে লিভারপুলের হয়ে সবথেকে বেশি গোল করেছিলেন মিডফিল্ডার জন বার্নস। লিগের খেলায় তিনি মোট ২২ টি গোল করেছিলেন। সবরকম প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সেই মরশুমে লিভারপুলের হয়ে তার গোলসংখ্যা ছিল ২৮।<br />
 </p>

সর্বোচ্চ গোলদাতা-
সেই বছর লিগে লিভারপুলের হয়ে সবথেকে বেশি গোল করেছিলেন মিডফিল্ডার জন বার্নস। লিগের খেলায় তিনি মোট ২২ টি গোল করেছিলেন। সবরকম প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সেই মরশুমে লিভারপুলের হয়ে তার গোলসংখ্যা ছিল ২৮।
 

<p><strong>দর্শকসংখ্যা-</strong><br />
লিভারপুলের নিজস্ব স্টেডিয়াম এনফিল্ডের দর্শক ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৫৫,০০০। সেই মরশুমে এনফিল্ডের গড় দর্শকসংখ্যা ছিল ৩৬,০০০ এর কিছু বেশি। সবচেয়ে বেশি লোক হয়েছিল লিভারপুলের বনাম এভার্টন ম্যাচে। প্রায় ৪০,০০০ লোক সেই ম্যাচটি দেখতে এসেছিল। <br />
 </p>

দর্শকসংখ্যা-
লিভারপুলের নিজস্ব স্টেডিয়াম এনফিল্ডের দর্শক ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৫৫,০০০। সেই মরশুমে এনফিল্ডের গড় দর্শকসংখ্যা ছিল ৩৬,০০০ এর কিছু বেশি। সবচেয়ে বেশি লোক হয়েছিল লিভারপুলের বনাম এভার্টন ম্যাচে। প্রায় ৪০,০০০ লোক সেই ম্যাচটি দেখতে এসেছিল। 
 

<p><strong>৩০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান</strong><br />
১৯৯০-এর পর ২০২০। মাঝে ৩০ বছরের অপক্ষা। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আরও একবার ইংল্যান্ডের সেরা ক্লাবের তকমা ছিনিয়ে নিল রেড ডেভিলসরা।  একইসঙ্গে পরপর চ্য়াম্পিয়নস লিগ, ক্লাব বিশ্বকাপ ও ইপিএল জিতে গড়েছে এক অন্যন্য নজির। ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন কোচ য়ুর্গান ক্লপ।সঙ্গে সালহা,মানে, ফির্মিনো, হেন্ডারসনরা।</p>

৩০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান
১৯৯০-এর পর ২০২০। মাঝে ৩০ বছরের অপক্ষা। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আরও একবার ইংল্যান্ডের সেরা ক্লাবের তকমা ছিনিয়ে নিল রেড ডেভিলসরা।  একইসঙ্গে পরপর চ্য়াম্পিয়নস লিগ, ক্লাব বিশ্বকাপ ও ইপিএল জিতে গড়েছে এক অন্যন্য নজির। ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন কোচ য়ুর্গান ক্লপ।সঙ্গে সালহা,মানে, ফির্মিনো, হেন্ডারসনরা।

loader