দরজায় কড়া নাড়ছে লা-লিগা, চিনে নিন লিগের ইতিহাসে সেরা গোলকিপারদের

First Published 1, Jun 2020, 6:44 PM

করোনা আবহ পুরোপুরি কাটার আগেই ফিরতে চলেছে স্প্যানিশ লিগ। ১১ তারিখ শুরু হচ্ছে লা-লিগা। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি সেভিয়া ও রিয়েল বেটিস। পুনরায় শুরুর আগে চিনে নিন প্রায় শতাব্দী প্রাচীন লিগের  ইতিহাসের সেরা ১০ গোলকিপারদের।
 

<p><strong>১০. কার্লোস কামেনি</strong><br />
 ক্যামেরুনের এই গোলকিপার লা-লিগায় পরিচিত ছিলেন 'জায়েন্ট-কিলার' হিসাবে। ২০০৪ থেকে ২০১৭ অবধি লা-লিগায় ৩৩৪ টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। মালাগা এবং এস্পানিয়োলের হয়ে তিনি লা-লিগায় খেলেছেন। একটিও লা-লিগা জেতেনি তার কোনও দল। কিন্তু তার অসাধারণ পারফরম্যান্স অনেকক্ষেত্রে তার পারফরম্যান্স লিগের পয়েন্টস টেবিলের চেহারা পালটে দিয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সালোনার মতো দলকে অনেকসময় একার হাতে রুখে দিয়েছেন। ২০০৫-০৬ মরশুমে এস্পানিয়োলের হয়ে কোপা-দেল-রে জিতেছেন তিনি। ২০০৬ সালে দেশকে "আফ্রিকান কাপ অফ নেশনস" জিততে সাহায্য করেছেন তিনি। এছাড়া ২০০০ অলিম্পিকে সোনা জয়ী দলের সদস্যও ছিলেন তিনি। আফ্রিকার শ্রেষ্ঠ গোলকিপারদের মধ্যে অন্যতম তিনি। লা-লিগার ইতিহাস তাকে মনে রাখবে।  </p>

১০. কার্লোস কামেনি
 ক্যামেরুনের এই গোলকিপার লা-লিগায় পরিচিত ছিলেন 'জায়েন্ট-কিলার' হিসাবে। ২০০৪ থেকে ২০১৭ অবধি লা-লিগায় ৩৩৪ টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। মালাগা এবং এস্পানিয়োলের হয়ে তিনি লা-লিগায় খেলেছেন। একটিও লা-লিগা জেতেনি তার কোনও দল। কিন্তু তার অসাধারণ পারফরম্যান্স অনেকক্ষেত্রে তার পারফরম্যান্স লিগের পয়েন্টস টেবিলের চেহারা পালটে দিয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সালোনার মতো দলকে অনেকসময় একার হাতে রুখে দিয়েছেন। ২০০৫-০৬ মরশুমে এস্পানিয়োলের হয়ে কোপা-দেল-রে জিতেছেন তিনি। ২০০৬ সালে দেশকে "আফ্রিকান কাপ অফ নেশনস" জিততে সাহায্য করেছেন তিনি। এছাড়া ২০০০ অলিম্পিকে সোনা জয়ী দলের সদস্যও ছিলেন তিনি। আফ্রিকার শ্রেষ্ঠ গোলকিপারদের মধ্যে অন্যতম তিনি। লা-লিগার ইতিহাস তাকে মনে রাখবে।  

<p><strong>৯. মার্ক-আন্দ্রে টার স্টেগেন</strong><br />
জার্মান এই গোলকিপার জার্মানির বুরুশিয়া মুনচেনগ্ল্যাডব্যাক থেকে বার্সালোনায় আসেন ২০১৪-১৫ ফুটবল মরশুমে। লা-লিগায় প্রথম ম্যাচ খেলার সুযোগ পান ২০১৫-১৬ মরশুমে। বর্তমানে বার্সেলোনা দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইনি। এখনও অবধি বার্সার হয়ে ৪ টি লা লিগা জিতেছেন তিনি। জিতেছেন ৪ টি কোপা-দেল-রে এবং ১ টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। জার্মানির হয়ে তিনি জিতেছেন ২০১৭ কনফেডারেশন কাপ। সেই প্রতিযোগিতার ফাইনালে তিনিই পেয়েছিলেন ম্যাচের সেরার পুরস্কার। ২০১৮ তে ইউয়েফা টিম অফ দ্য ইয়ারের অংশ ছিলেন তিনি। ২০১৪-১৫ মরশুমে "ইউয়েফা সেভ অফ দ্য সিজন" পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এখনও বেশ কিছুদিন থাকবেন তিনি বার্সালোনায়। লা-লিগার দর্শকরা এখনও অনেকদিন উপভোগ করবেন স্টেগেন দুরন্ত সেভগুলি।</p>

৯. মার্ক-আন্দ্রে টার স্টেগেন
জার্মান এই গোলকিপার জার্মানির বুরুশিয়া মুনচেনগ্ল্যাডব্যাক থেকে বার্সালোনায় আসেন ২০১৪-১৫ ফুটবল মরশুমে। লা-লিগায় প্রথম ম্যাচ খেলার সুযোগ পান ২০১৫-১৬ মরশুমে। বর্তমানে বার্সেলোনা দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইনি। এখনও অবধি বার্সার হয়ে ৪ টি লা লিগা জিতেছেন তিনি। জিতেছেন ৪ টি কোপা-দেল-রে এবং ১ টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। জার্মানির হয়ে তিনি জিতেছেন ২০১৭ কনফেডারেশন কাপ। সেই প্রতিযোগিতার ফাইনালে তিনিই পেয়েছিলেন ম্যাচের সেরার পুরস্কার। ২০১৮ তে ইউয়েফা টিম অফ দ্য ইয়ারের অংশ ছিলেন তিনি। ২০১৪-১৫ মরশুমে "ইউয়েফা সেভ অফ দ্য সিজন" পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এখনও বেশ কিছুদিন থাকবেন তিনি বার্সালোনায়। লা-লিগার দর্শকরা এখনও অনেকদিন উপভোগ করবেন স্টেগেন দুরন্ত সেভগুলি।

<p><strong>৮. থিবো কুর্তোয়া</strong><br />
লা-লিগার ইতিহাসে সেরা গোলকিপারদের একজন। সারা কেরিয়ার জুড়ে অনেকবার মুখোমুখি হয়েছেন নানা উত্থান পতনের। ২০১১ থেকে ২০১৪ অবধি খেলেছিলেন আতলেতিকো মাদ্রিদে। এই সময় তিনি একটি লা-লিগা, একটি ইউরোপা লিগ এবং একটি ইউয়েফা সুপার কাপ জিতেছেন। তারপর ইংলিশ ক্লাব চেলসিতে। ওখানে কয়েকটি মরশুম কাটিয়ে তিনি আবার ফিরেছেন লা-লিগায়। রিয়াল মাদ্রিদের এখন প্রধান গোলকিপার তিনি। এখনও অবধি মাদ্রিদের হয়ে একটি ক্লাব বিশ্বকাপ এবং একটি স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছেন তিনি। চলতি মরশুমে ফুটবল বন্ধ হওয়ার আগে অবধি অসাধারণ ফর্মে ছিলেন তিনি। তার খেলা ২৪ টি ম্যাচের মধ্যে ১২ টি ম্যাচে কোনও গোল খাননি তিনি। </p>

৮. থিবো কুর্তোয়া
লা-লিগার ইতিহাসে সেরা গোলকিপারদের একজন। সারা কেরিয়ার জুড়ে অনেকবার মুখোমুখি হয়েছেন নানা উত্থান পতনের। ২০১১ থেকে ২০১৪ অবধি খেলেছিলেন আতলেতিকো মাদ্রিদে। এই সময় তিনি একটি লা-লিগা, একটি ইউরোপা লিগ এবং একটি ইউয়েফা সুপার কাপ জিতেছেন। তারপর ইংলিশ ক্লাব চেলসিতে। ওখানে কয়েকটি মরশুম কাটিয়ে তিনি আবার ফিরেছেন লা-লিগায়। রিয়াল মাদ্রিদের এখন প্রধান গোলকিপার তিনি। এখনও অবধি মাদ্রিদের হয়ে একটি ক্লাব বিশ্বকাপ এবং একটি স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছেন তিনি। চলতি মরশুমে ফুটবল বন্ধ হওয়ার আগে অবধি অসাধারণ ফর্মে ছিলেন তিনি। তার খেলা ২৪ টি ম্যাচের মধ্যে ১২ টি ম্যাচে কোনও গোল খাননি তিনি। 

<p><strong>৭. রিকার্ডো জামোরা</strong><br />
 ৩০ এর দশকে স্পেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারদের অন্যতম একজন তিনি। লা-লিগায় খেলেছেন এস্পানিয়ল, বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। এস্পানিয়ল এবং বার্সেলোনার হয়ে তিনি মোট তিনটি কোপা-দেল-রে জিতেছেন। মাদ্রিদের ১৯৩১-৩২ ও ১৯৩২-৩৩ মরশুমে লিগ জেতার অন্যতম কারণ ছিলেন তিনি। এছাড়া দেশের হয়ে অলিম্পিকে সোনা জিতেছেন। ১৯৩৪ বিশ্বকাপে সেরা গোলকিপারের তকমাও পেয়েছিলেন তিনি। খেলা ছাড়ার পর কোচ হিসাবেও দুটি লা-লিগা জিতেছিলেন তিনি। বার্লিন ব্রিটজের বিচারে বিশের দশকের (১৯২০) সেরা গোলকিপারের সম্মান পেয়েছেন তিনি। <br />
 </p>

৭. রিকার্ডো জামোরা
 ৩০ এর দশকে স্পেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারদের অন্যতম একজন তিনি। লা-লিগায় খেলেছেন এস্পানিয়ল, বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। এস্পানিয়ল এবং বার্সেলোনার হয়ে তিনি মোট তিনটি কোপা-দেল-রে জিতেছেন। মাদ্রিদের ১৯৩১-৩২ ও ১৯৩২-৩৩ মরশুমে লিগ জেতার অন্যতম কারণ ছিলেন তিনি। এছাড়া দেশের হয়ে অলিম্পিকে সোনা জিতেছেন। ১৯৩৪ বিশ্বকাপে সেরা গোলকিপারের তকমাও পেয়েছিলেন তিনি। খেলা ছাড়ার পর কোচ হিসাবেও দুটি লা-লিগা জিতেছিলেন তিনি। বার্লিন ব্রিটজের বিচারে বিশের দশকের (১৯২০) সেরা গোলকিপারের সম্মান পেয়েছেন তিনি। 
 

<p><strong>৬. আন্দনি জুবিজারেত্য</strong><br />
দীর্ঘদিন ধরে স্প্যানিশ জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি নিজের নামে রেখেছিলেন এই ৬ ফুট ২ ইঞ্চির গোলকিপার। নিজের প্রায় দু দশক জোড়া কেরিয়ারে মোট ৬ বার লা-লিগা জিতেছেন। খেলেছেন আতলেতিকো বিলবাও, ভ্যালেন্সিয়া, বার্সালোনার মত বড় ক্লাবে। দেশের হয়ে ৪ টি বিশ্বকাপেও খেলেছেন তিনি। বার্সার সিস্টেমে মানিয়ে নিতে একসময় অসুবিধায় পড়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে স্কিলের দিক সীমাবদ্ধতাই ছিল এর কারণ। তবে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও ঠান্ডা মাথা সহযোগে সেই ঘাটতি পূরণ করে নিয়েছিলেন। <br />
 </p>

৬. আন্দনি জুবিজারেত্য
দীর্ঘদিন ধরে স্প্যানিশ জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি নিজের নামে রেখেছিলেন এই ৬ ফুট ২ ইঞ্চির গোলকিপার। নিজের প্রায় দু দশক জোড়া কেরিয়ারে মোট ৬ বার লা-লিগা জিতেছেন। খেলেছেন আতলেতিকো বিলবাও, ভ্যালেন্সিয়া, বার্সালোনার মত বড় ক্লাবে। দেশের হয়ে ৪ টি বিশ্বকাপেও খেলেছেন তিনি। বার্সার সিস্টেমে মানিয়ে নিতে একসময় অসুবিধায় পড়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে স্কিলের দিক সীমাবদ্ধতাই ছিল এর কারণ। তবে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও ঠান্ডা মাথা সহযোগে সেই ঘাটতি পূরণ করে নিয়েছিলেন। 
 

<p><strong>৫. ভিক্টর ভালদেস</strong><br />
বার্সেলোনার "লা মেসিয়া" একাডেমির ছাত্র এই গোলকিপার দীর্ঘকাল সাফল্যের সাথে খেলেছেন বার্সালোনায়। ক্যাসিয়াসের মতো কিংবদন্তির সমসাময়িক হওয়ায় জাতীয় দলে খুব বেশি সুযোগ পাননি কিন্তু স্পেনের ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ী এবং ২০১২ ইউরো জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। বার্সালোনার হয়ে অসংখ্য ট্রফি জিতেছেন। তার মধ্যে রয়েছে ৬ টি লা-লিগা এবং ৩ টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ব্যাক্তিগত ভাবে ৫ বার জামোরা ট্রফি জিতেছেন এবং দু বার লা লিগার সেরা গোলকিপারের সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। বার্সালোনার হয়ে মোট ৩৮৭ ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। <br />
 </p>

৫. ভিক্টর ভালদেস
বার্সেলোনার "লা মেসিয়া" একাডেমির ছাত্র এই গোলকিপার দীর্ঘকাল সাফল্যের সাথে খেলেছেন বার্সালোনায়। ক্যাসিয়াসের মতো কিংবদন্তির সমসাময়িক হওয়ায় জাতীয় দলে খুব বেশি সুযোগ পাননি কিন্তু স্পেনের ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ী এবং ২০১২ ইউরো জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। বার্সালোনার হয়ে অসংখ্য ট্রফি জিতেছেন। তার মধ্যে রয়েছে ৬ টি লা-লিগা এবং ৩ টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ব্যাক্তিগত ভাবে ৫ বার জামোরা ট্রফি জিতেছেন এবং দু বার লা লিগার সেরা গোলকিপারের সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। বার্সালোনার হয়ে মোট ৩৮৭ ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। 
 

<p><strong>৪. অ্যান্টনি রামালেটস</strong><br />
১৯৪৬ থেকে ১৯৬২ অবধি বার্সেলোনা দলের সদস্য ছিলেন। তার আগে দুটো মরশুম কাটিয়েছিলেন ম্যালোরোকা তে। বার্সালোনার হয়ে মোট ৬ টি লা-লিগা জিতেছেন। সেই সময় লা-লিগার সেরা গোলকিপারের জন্য বরাদ্দ ট্রফি রিকার্ডো জামোরা ট্রফি জিতেছেন পাঁচ বার। খেলা ছাড়ার পর দেশের অনেকগুলি ক্লাবে ম্যানেজার হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। <br />
 </p>

৪. অ্যান্টনি রামালেটস
১৯৪৬ থেকে ১৯৬২ অবধি বার্সেলোনা দলের সদস্য ছিলেন। তার আগে দুটো মরশুম কাটিয়েছিলেন ম্যালোরোকা তে। বার্সালোনার হয়ে মোট ৬ টি লা-লিগা জিতেছেন। সেই সময় লা-লিগার সেরা গোলকিপারের জন্য বরাদ্দ ট্রফি রিকার্ডো জামোরা ট্রফি জিতেছেন পাঁচ বার। খেলা ছাড়ার পর দেশের অনেকগুলি ক্লাবে ম্যানেজার হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। 
 

<p><strong>৩. যেয়ান ওবল্যাক</strong><br />
স্লোভানিয়ার এই ফুটবলার বর্তমানে খেলেন আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা গোলকিপারদের একজন তিনি। ট্রফির দিক দিয়ে দেখলে হয়তো তার সঠিক বিচার করা হবে না। আতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর বড় ট্রফি বলতে জিতেছেন ইউরোপা লিগ। কিন্তু ব্যাক্তিগত ট্রফির দিক দিয়ে পর পর টানা চার মরশুম লা-লিগার সেরা গোলকিপারের তকমা নিজের নামে করেছেন তিনি। এছাড়া ২০১৫ থেকে ২০১৮ অবধি টানা চারবার নিজের দেশের সেরা ফুটবলারের তকমা পেয়েছেন তিনি। লা-লিগায় কম গোল খাওয়ার দিক দিয়ে প্রতিনিয়ত নতুন রেকর্ড গড়ছেন তিনি। </p>

৩. যেয়ান ওবল্যাক
স্লোভানিয়ার এই ফুটবলার বর্তমানে খেলেন আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা গোলকিপারদের একজন তিনি। ট্রফির দিক দিয়ে দেখলে হয়তো তার সঠিক বিচার করা হবে না। আতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর বড় ট্রফি বলতে জিতেছেন ইউরোপা লিগ। কিন্তু ব্যাক্তিগত ট্রফির দিক দিয়ে পর পর টানা চার মরশুম লা-লিগার সেরা গোলকিপারের তকমা নিজের নামে করেছেন তিনি। এছাড়া ২০১৫ থেকে ২০১৮ অবধি টানা চারবার নিজের দেশের সেরা ফুটবলারের তকমা পেয়েছেন তিনি। লা-লিগায় কম গোল খাওয়ার দিক দিয়ে প্রতিনিয়ত নতুন রেকর্ড গড়ছেন তিনি। 

<p><strong>২. সান্তিয়াগো ক্যানিজোরাস</strong><br />
রিয়াল মাদ্রিদ ইয়ুথ একাডেমির ফসল এই গোলকিপার লা লিগার ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলকিপার। খেলেছেন সেল্টা ভিগো, রিয়াল মাদ্রিদ এবং ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে। কেরিয়ারে মোট চার বার লা-লিগা জিতেছেন। ১৯৯৭-৯৮ মরশুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। কেরিয়ারে মোট চারবার রিকার্ডো জামোরা ট্রফি জিতেছেন। স্পেনের হয়ে মোট ৪৬ টি ম্যাচ খেলেছেন এই গোলকিপার। <br />
 </p>

২. সান্তিয়াগো ক্যানিজোরাস
রিয়াল মাদ্রিদ ইয়ুথ একাডেমির ফসল এই গোলকিপার লা লিগার ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলকিপার। খেলেছেন সেল্টা ভিগো, রিয়াল মাদ্রিদ এবং ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে। কেরিয়ারে মোট চার বার লা-লিগা জিতেছেন। ১৯৯৭-৯৮ মরশুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। কেরিয়ারে মোট চারবার রিকার্ডো জামোরা ট্রফি জিতেছেন। স্পেনের হয়ে মোট ৪৬ টি ম্যাচ খেলেছেন এই গোলকিপার। 
 

<p><strong>১. ইকের ক্যাসিয়াস</strong><br />
রিয়াল মাদ্রিদ ভক্তদের চোখের মণি এই গোলকিপার শুধু লা-লিগার নন, বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলকিপার। ইনার ব্যাপারে বলতে গেলে কথা কম পড়বে। রিয়াল মাদ্রিদ একাডেমির থেকে ওঠা এই গোলকিপার রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৫০০ টিরও বেশি ম্যাচে নেমেছেন। প্রায় ২৫ বছর ধরে খেলেছেন লা-লিগায়। জিতেছেন ৫ টি লা-লিগা, ৩ টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। আন্তর্জাতিক স্তরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে (১০২) গোলশূন্য থাকার রেকর্ড আছে তার। আইএফএফএইচএস এর বিচারে ২০০৮ থেকে ২০১২ অবধি টানা পাঁচবার বিশ্বের সেরা গোলকিপারের সম্মান পেয়েছেন তিনি। দুই বার লা-লিগার সেরা গোলকিপারের সম্মাম পেয়েছেন তিনি।</p>

১. ইকের ক্যাসিয়াস
রিয়াল মাদ্রিদ ভক্তদের চোখের মণি এই গোলকিপার শুধু লা-লিগার নন, বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলকিপার। ইনার ব্যাপারে বলতে গেলে কথা কম পড়বে। রিয়াল মাদ্রিদ একাডেমির থেকে ওঠা এই গোলকিপার রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৫০০ টিরও বেশি ম্যাচে নেমেছেন। প্রায় ২৫ বছর ধরে খেলেছেন লা-লিগায়। জিতেছেন ৫ টি লা-লিগা, ৩ টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। আন্তর্জাতিক স্তরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে (১০২) গোলশূন্য থাকার রেকর্ড আছে তার। আইএফএফএইচএস এর বিচারে ২০০৮ থেকে ২০১২ অবধি টানা পাঁচবার বিশ্বের সেরা গোলকিপারের সম্মান পেয়েছেন তিনি। দুই বার লা-লিগার সেরা গোলকিপারের সম্মাম পেয়েছেন তিনি।

loader