করোনার ওষুধ "সিপরেমি"আসছে ভারতের বাজারে, ১০০ মিলি ডোজের দাম পড়বে প্রায় ৫ হাজার টাকা

First Published 24, Jun 2020, 4:58 PM

দেশে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ। ইতিমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৪ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এর মধ্যেই আশার খবর শোনাচ্ছে  ভারতের ওষুধ প্রস্তুতকারী  সংস্থা সিপলা। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে জুন মাসের শেষ থেকেই বাজারে পাওয়া যাবে সিপলার তৈরি কোভিড চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্ত ড্রাগ রেমডেসিভির। এই রেমডেসিভিরকে প্রাথমিক ভাবে কোভিড ১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শুধুমাত্র সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে এই ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। তাই ভারতেই এই ওষুধ তৈরি শুরু হয়েছে। কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় গিলিড সায়েন্সের তৈরি অ্য়ান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভিরের দাম এদেশে  ৫ হাজার টাকার কম রাখা হবে বলে জানাচ্ছে ভারতীয় সংস্থা সিপলা।

<p><strong>রেমডিসিভিরকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হয়েছে। চিকিৎসায় ইতিবাচক সাড়া মেলায় গুরুতর আক্রান্তদের ওপর এই ওষুধ প্রয়োগ করার অনুমতি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া। পাশাপাশি, এই ওষুধের পূর্ণ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে জাপান সরকারও।</strong></p>

রেমডিসিভিরকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হয়েছে। চিকিৎসায় ইতিবাচক সাড়া মেলায় গুরুতর আক্রান্তদের ওপর এই ওষুধ প্রয়োগ করার অনুমতি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া। পাশাপাশি, এই ওষুধের পূর্ণ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে জাপান সরকারও।

<p><br />
<strong>গত রবিবারেই, ভারতীয় বাজারে  কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় গিলিড সায়েন্সের তৈরি অ্য়ান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভিরের জেনেরিক ভার্সান বিক্রি করার অনুমতি পেয়েছে সিপলা।</strong></p>


গত রবিবারেই, ভারতীয় বাজারে  কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় গিলিড সায়েন্সের তৈরি অ্য়ান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভিরের জেনেরিক ভার্সান বিক্রি করার অনুমতি পেয়েছে সিপলা।

<p><strong>বেঙ্গালুরুর হেটেরো ল্যাবের সঙ্গে যৌথভাবে এই ওষুধ বানাবে সিপলা। সিপলা জানিয়েছে, ভারতের বাজারে এই ওষুধের নাম হবে "সিপরেমি"।</strong></p>

বেঙ্গালুরুর হেটেরো ল্যাবের সঙ্গে যৌথভাবে এই ওষুধ বানাবে সিপলা। সিপলা জানিয়েছে, ভারতের বাজারে এই ওষুধের নাম হবে "সিপরেমি"।

<p><strong>করোনাভাইরাসে সংক্রমিতদের চিকিৎসায় গিলিড সায়েন্সের তৈরি অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভিরের দাম হতে পারে ৫ হাজার টাকা। এর কম রাখারও চেষ্টা হবে বলে জানাল ভারতীয় সংস্থা সিপলা। সংস্থার দাবি, এটাই বিশ্বে সবচেয়ে কম দামের রেমডেসিভির হবে। </strong></p>

করোনাভাইরাসে সংক্রমিতদের চিকিৎসায় গিলিড সায়েন্সের তৈরি অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভিরের দাম হতে পারে ৫ হাজার টাকা। এর কম রাখারও চেষ্টা হবে বলে জানাল ভারতীয় সংস্থা সিপলা। সংস্থার দাবি, এটাই বিশ্বে সবচেয়ে কম দামের রেমডেসিভির হবে। 

<p><strong>হেটেরো জানিয়েছিল, ১০০ মিলিগ্রাম ডোজের ওষুধে মূল্য পাঁচ থেকে ৬ হাজারের মধ্যে রাখা হবে। তবে তার থেকে কম দামের কথা বলল সিপলা।  সিপলার পক্ষে জানানো হয়েছে, “মানুষের কেনার ক্ষমতা মাথায় রেখেই এই ওষুধের দাম ঠিক করা হয়েছে। ১০০ মিলি ডোজের একটি ইঞ্জেকশন ভায়ালের দাম পাঁচ হাজার টাকার নীচে রাখা হবে। এটাই বিশ্বে সবচেয়ে কম দামে রেমডেসিভির হবে।”</strong><br />
 </p>

হেটেরো জানিয়েছিল, ১০০ মিলিগ্রাম ডোজের ওষুধে মূল্য পাঁচ থেকে ৬ হাজারের মধ্যে রাখা হবে। তবে তার থেকে কম দামের কথা বলল সিপলা।  সিপলার পক্ষে জানানো হয়েছে, “মানুষের কেনার ক্ষমতা মাথায় রেখেই এই ওষুধের দাম ঠিক করা হয়েছে। ১০০ মিলি ডোজের একটি ইঞ্জেকশন ভায়ালের দাম পাঁচ হাজার টাকার নীচে রাখা হবে। এটাই বিশ্বে সবচেয়ে কম দামে রেমডেসিভির হবে।”
 

<p><strong>এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে জুন মাসের শেষ থেকেই বাজারে পাওয়া যাবে সিপলার তৈরি কোভিড চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্ত ড্রাগ রেমডেসিভির। এই রেমডেসিভিরকে প্রাথমিক ভাবে কোভিড ১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। </strong></p>

এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে জুন মাসের শেষ থেকেই বাজারে পাওয়া যাবে সিপলার তৈরি কোভিড চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্ত ড্রাগ রেমডেসিভির। এই রেমডেসিভিরকে প্রাথমিক ভাবে কোভিড ১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। 

<p><strong>ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শুধুমাত্র সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে এই ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। তাই ভারতেই এই ওষুধ তৈরি শুরু হয়েছে।</strong></p>

ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শুধুমাত্র সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে এই ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। তাই ভারতেই এই ওষুধ তৈরি শুরু হয়েছে।

<p><strong>আমেরিকার জিলেড সায়েন্সেস প্রথম এই ড্রাগ নিয়ে গবেষণা শুরু করে। তারপরে ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই রেমডেসিভিরকে সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে ইমারজেন্সি ইউজ অথরাইজেশন বা জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। যদিও এই রেমডেসিভিরের ব্যবহার নিয়ে এখনও ট্রায়াল চালাচ্ছে জিলেড। সব ধরনের করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য এই ড্রাগ ব্যবহার করা যেতে পারে কিনা সেই গবেষণা চলছে।</strong></p>

আমেরিকার জিলেড সায়েন্সেস প্রথম এই ড্রাগ নিয়ে গবেষণা শুরু করে। তারপরে ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই রেমডেসিভিরকে সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে ইমারজেন্সি ইউজ অথরাইজেশন বা জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। যদিও এই রেমডেসিভিরের ব্যবহার নিয়ে এখনও ট্রায়াল চালাচ্ছে জিলেড। সব ধরনের করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য এই ড্রাগ ব্যবহার করা যেতে পারে কিনা সেই গবেষণা চলছে।

<p><strong>সম্প্রতি রেমডেসিভিরেরে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে গিলিয়েডে। সেই ট্রায়ালের প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে এনেছে সংস্থা। বলা হয়েছে, ৬০০ জন কোভিড পজিটিভ রোগী যাঁদের শরীরে সংক্রমণ ছিল মাঝারি মানের, তাদের রেমডেসিভির ইনজেক্ট করে ভাল ফল দেখা গেছে। পাঁচদিনের কোর্সে নির্দিষ্ট ডোজে ওষুধ দিয়ে দেখা গেছে সংক্রমণ কমতির দিকে।</strong></p>

সম্প্রতি রেমডেসিভিরেরে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে গিলিয়েডে। সেই ট্রায়ালের প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে এনেছে সংস্থা। বলা হয়েছে, ৬০০ জন কোভিড পজিটিভ রোগী যাঁদের শরীরে সংক্রমণ ছিল মাঝারি মানের, তাদের রেমডেসিভির ইনজেক্ট করে ভাল ফল দেখা গেছে। পাঁচদিনের কোর্সে নির্দিষ্ট ডোজে ওষুধ দিয়ে দেখা গেছে সংক্রমণ কমতির দিকে।

<p><strong>এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রেমডিসিভিরের কোনও মূল্য ধার্য করা হয়নি। গিলিড জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষদিকে প্রায় ২০ লক্ষ কোভিড-১৯ রোগীর জন্য ডোজ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে তারা।</strong></p>

এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রেমডিসিভিরের কোনও মূল্য ধার্য করা হয়নি। গিলিড জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষদিকে প্রায় ২০ লক্ষ কোভিড-১৯ রোগীর জন্য ডোজ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে তারা।

loader