রাশিয়া সফরে গিয়ে 'এস-৪০০' দ্রুত সরবরাহের আর্জি রাজনাথ সিংহের, দেখেনিন অ্যান্টি মিসাইলের গুণাবলী

First Published 24, Jun 2020, 2:16 PM

উত্তপ্ত সীমান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া সফরে গেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানে হিটলারের জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত রাশিয়ার জলের ৭৫তম বর্য উজ্জাপন চলেছে। সেই অনুষ্ঠানে কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছে ভারত।  কিন্তু সেখানেও তাঁকে ভাবাচ্ছে গত মোসবারে লাদাখ সীমান্ত ভারত ও চিনা সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে। কিন্তু এখনই  যুদ্ধ প্রস্তুতি গাফিলতি করতে নারাজ ভারত। তাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রী  রাশিয়া সফরে গিয়েও  অ্যান্টি মিসাইল সিস্টেম 'এস-৪০০' যাতে দ্রুত সরবরাহ করা হয় সেদিকেই জোর দিচ্ছেন।  রাশিয়া যাতে দ্রুত ভারতের হাতে এই যুদ্ধ সরঞ্জাম তুলে দেয় তারই আবেদন জানিয়েছেন রাজনাথ সিং। ২০১৮ সালে রাশিয়ার থেকে 'এস-৪০০' কেনার চুক্তি করেছিল ভারত। এক্ষেত্রে ভারতের ব্যয় হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা। 
 

<p> ভারতের সঙ্গে চুক্তির পরই 'এস-৪০০' তৈরি শুরু করেছে। ২০২৫ সালে এই অ্যান্টি মিসাইল ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার কথা। কিন্তু পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে চলমান বিবাদের জেরে অ্যান্টি মিসাইল দ্রুত হাতে চায় ভারত। <br />
 </p>

 ভারতের সঙ্গে চুক্তির পরই 'এস-৪০০' তৈরি শুরু করেছে। ২০২৫ সালে এই অ্যান্টি মিসাইল ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার কথা। কিন্তু পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে চলমান বিবাদের জেরে অ্যান্টি মিসাইল দ্রুত হাতে চায় ভারত। 
 

<p>আগে এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম শুধু রাশিয়া আর চিনই ব্যবহার করত। ২০১৪ সালে এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছিল চিন। <br />
 </p>

আগে এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম শুধু রাশিয়া আর চিনই ব্যবহার করত। ২০১৪ সালে এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছিল চিন। 
 

<p> 'এস-৪০০'  ক্ষেপণাস্ত্রটি  'এস-৩০০' ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক সংস্কার। এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনতে ভারত রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছে। </p>

 'এস-৪০০'  ক্ষেপণাস্ত্রটি  'এস-৩০০' ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক সংস্কার। এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনতে ভারত রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছে। 

<p> 'এস-৪০০'  মিসাইলটি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করবে। এটি পঞ্চম প্রযুক্তির যুদ্ধ বিমানগুলিকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। <br />
 </p>

 'এস-৪০০'  মিসাইলটি ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করবে। এটি পঞ্চম প্রযুক্তির যুদ্ধ বিমানগুলিকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। 
 

<p>এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ৪০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। বিপদ সংকেত পেতে এটি যথেষ্ট সক্রিয়। <br />
 </p>

এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ৪০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। বিপদ সংকেত পেতে এটি যথেষ্ট সক্রিয়। 
 

<p><br />
'এস-৪০০'  অত্যাধুনিক রাডারে সজ্জিত। উপগ্রহর সঙ্গে যোগাযোগ স্পাপন করতেও সক্ষম। এটি মাঝ আকাশেই শক্রুপক্ষের বিমানকে চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে পারে। <br />
 </p>


'এস-৪০০'  অত্যাধুনিক রাডারে সজ্জিত। উপগ্রহর সঙ্গে যোগাযোগ স্পাপন করতেও সক্ষম। এটি মাঝ আকাশেই শক্রুপক্ষের বিমানকে চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে পারে। 
 

<p> 'এস-৪০০'  রাডার ১০০-৩০০ টি পর্যন্ত টার্গেট ট্র্যাক করতে পারে। ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বে লক্ষ্যগুলিকে চিহ্নিত করতে পারে। পাশাপাশি একই সঙ্গে ৩৬টি লক্ষ্য বস্তুকে নিশানা বানাতে পারে। ১২টি লঞ্চারকে ধারণের ক্ষমতা রাখে, </p>

 'এস-৪০০'  রাডার ১০০-৩০০ টি পর্যন্ত টার্গেট ট্র্যাক করতে পারে। ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বে লক্ষ্যগুলিকে চিহ্নিত করতে পারে। পাশাপাশি একই সঙ্গে ৩৬টি লক্ষ্য বস্তুকে নিশানা বানাতে পারে। ১২টি লঞ্চারকে ধারণের ক্ষমতা রাখে, 

loader