পূর্ব লাদাখে চিনকে দুরমুশ করার ঘুঁটি একমাস আগেই সাজায় থিঙ্কট্যাঙ্ক, এবার নেপালকে শায়েস্তার ছকও প্রস্তুত

First Published 14, Sep 2020, 9:41 AM

লাদাখে এই মুহূর্তে একাধিক শৃঙ্গ দাপটের সঙ্গে অবস্থান করছে ভারতীয় সেনা। ২৯-৩০ আগস্ট রাতে যেভাবে চিনকে ব্যাকফুটে ফেলেই ৩১ অগাস্ট রাতে একের পর এক চূড়া ভারত দখল করেছে লাদাখের মতো এলাকায়,তাতে খানিকটা হলেও বেকায়দায় লালফৌজ। তবে চিনকে শায়েস্তা করার ঘুঁটি এক মাস ধরেই সাজিয়েছিল ভারত। এবার নেপালকে শায়েস্তা করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা।
 

<p><strong>মে মাস থেকে লাদাখ সীমান্তে আগ্রাসন বাড়িয়েছে চিন। যার চরম পরিণতির ১৫ জুনের রাত। এরপর দুই দেশ একাধিকবার সামরিক পর্যায়ের বৈঠকে বসেছে। গত এক মাস ধরে চিন লাদাখ সীমান্ত থেকে সেনা সরানোর কথা মুখে বললেও কাজে কলমে তা করেনি। উল্টে &nbsp;যেভাবে ফরোয়ার্ড পজিশন নিতে শুরু করেছিল, তাতে ভারত আঁচ করে নিয়েছিল লালফৌজ কোনও ধূর্ত পথে এগোবে।</strong></p>

মে মাস থেকে লাদাখ সীমান্তে আগ্রাসন বাড়িয়েছে চিন। যার চরম পরিণতির ১৫ জুনের রাত। এরপর দুই দেশ একাধিকবার সামরিক পর্যায়ের বৈঠকে বসেছে। গত এক মাস ধরে চিন লাদাখ সীমান্ত থেকে সেনা সরানোর কথা মুখে বললেও কাজে কলমে তা করেনি। উল্টে  যেভাবে ফরোয়ার্ড পজিশন নিতে শুরু করেছিল, তাতে ভারত আঁচ করে নিয়েছিল লালফৌজ কোনও ধূর্ত পথে এগোবে।

<p><strong>তাই আগে থেকেই ঘুঁটি খুব সন্তর্পণে সাজিয়ে নিয়েছে ভারত। সেই অনুযায়ী টানা এক মাস ধরে চিন দমনের তুখোর প্ল্যান করে ভারতীয় সেনার থিঙ্কট্যাঙ্ক। আর সেই পদক্ষপের প্রথমেই ছিল একের পর এক চূড়া দখল।</strong></p>

তাই আগে থেকেই ঘুঁটি খুব সন্তর্পণে সাজিয়ে নিয়েছে ভারত। সেই অনুযায়ী টানা এক মাস ধরে চিন দমনের তুখোর প্ল্যান করে ভারতীয় সেনার থিঙ্কট্যাঙ্ক। আর সেই পদক্ষপের প্রথমেই ছিল একের পর এক চূড়া দখল।

<p><strong>সেনা পর্যায়ের বৈঠকে লালফৌজ কখনই মানতে চায়নি যে তারা প্যাংগং এলাকায় ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে পা বাড়িয়েছে। চিনের আগ্রাসনের হার দেখে ধীরে ধীরে ঠান্ডা মাথায় প্ল্যান কষা শুরু হয়। লালফৌজকে যোগ্য জবাব দিতে শুধু একটা সুযোগ খুঁজছিল ভারতীয় বাহিনী। আর সেই সুযোগ আগে ২৯ অগাস্ট রাতে। ভারতীয় সেনার অপেক্ষা শেষ হয়। নিমেষে দুরমুশ করা হয় চিনা সেনাকে। ভয়ে গুটিয়ে গিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় ড্রাগন বাহিনী।</strong></p>

সেনা পর্যায়ের বৈঠকে লালফৌজ কখনই মানতে চায়নি যে তারা প্যাংগং এলাকায় ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে পা বাড়িয়েছে। চিনের আগ্রাসনের হার দেখে ধীরে ধীরে ঠান্ডা মাথায় প্ল্যান কষা শুরু হয়। লালফৌজকে যোগ্য জবাব দিতে শুধু একটা সুযোগ খুঁজছিল ভারতীয় বাহিনী। আর সেই সুযোগ আগে ২৯ অগাস্ট রাতে। ভারতীয় সেনার অপেক্ষা শেষ হয়। নিমেষে দুরমুশ করা হয় চিনা সেনাকে। ভয়ে গুটিয়ে গিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় ড্রাগন বাহিনী।

<p><strong>&nbsp;লাদাখে একাধিক প্ল্যান নিয়ে সবসময়ই প্রস্তুত ছিল ভারতীয় সেনা। এই প্ল্যান সম্পর্কে অবহিত ছিলেন হাতেগোনা মাত্র কয়েকজন। আর ঠান্ডা মাথায় সেই প্ল্যানকে বাস্তবায়িত করা হয়েছে। এরপরই কোন কোন লোকেশন দখল হবে তা মানচিত্র ধরে ঠিক করে ফেলে সেনা। গোটা পরিকল্পনায় কঠোরভাবে গোপনিয়তা বজায় রাখা হয়। সেনা সূত্রের খবর, ঠিক যেমনটি প্ল্যানিং হয় তেমনই এগোয় সেনা, আর সেই ছকেই আসে সাফল্য।</strong></p>

 লাদাখে একাধিক প্ল্যান নিয়ে সবসময়ই প্রস্তুত ছিল ভারতীয় সেনা। এই প্ল্যান সম্পর্কে অবহিত ছিলেন হাতেগোনা মাত্র কয়েকজন। আর ঠান্ডা মাথায় সেই প্ল্যানকে বাস্তবায়িত করা হয়েছে। এরপরই কোন কোন লোকেশন দখল হবে তা মানচিত্র ধরে ঠিক করে ফেলে সেনা। গোটা পরিকল্পনায় কঠোরভাবে গোপনিয়তা বজায় রাখা হয়। সেনা সূত্রের খবর, ঠিক যেমনটি প্ল্যানিং হয় তেমনই এগোয় সেনা, আর সেই ছকেই আসে সাফল্য।

<p><strong>ভারতীয় সেনা প্যানগংয়ের দক্ষিণ প্রান্তের প্রতিটি শৃঙ্গ এক একটি সেনাদলকে দখলের দায়িত্ব দেয়। এক্ষেত্রে স্পেশ্যাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স, ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ ও ভারতীয় সেনা আলাদা আলাদ ভাবে নিজেদের লক্ষ্যে এগিয়েছে।</strong></p>

ভারতীয় সেনা প্যানগংয়ের দক্ষিণ প্রান্তের প্রতিটি শৃঙ্গ এক একটি সেনাদলকে দখলের দায়িত্ব দেয়। এক্ষেত্রে স্পেশ্যাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স, ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ ও ভারতীয় সেনা আলাদা আলাদ ভাবে নিজেদের লক্ষ্যে এগিয়েছে।

<p><strong>পূর্ব লাদাখে ব্ল্যাকটপ ও হেলমেট টপ চিন দখল করে রাখলেও, তাকে ঘিরে যে চূড়াগুলি রয়েছে তা দখলে নিয়ে ফেলেছে ভারত। আর এভাবেই সাঁড়াশি আক্রমণ শানিয়ে ক্রমাগত চিনকে চোখ রাঙাতে শুরু করে দেয় ভারতীয় সেনা।</strong></p>

পূর্ব লাদাখে ব্ল্যাকটপ ও হেলমেট টপ চিন দখল করে রাখলেও, তাকে ঘিরে যে চূড়াগুলি রয়েছে তা দখলে নিয়ে ফেলেছে ভারত। আর এভাবেই সাঁড়াশি আক্রমণ শানিয়ে ক্রমাগত চিনকে চোখ রাঙাতে শুরু করে দেয় ভারতীয় সেনা।

<p><strong>পূর্ব লাদাখে ব্ল্যাকটপ ও হেলমেট টপ চিন দখল করে রাখলেও, তাকে ঘিরে যে চূড়াগুলি রয়েছে তা দখলে নিয়ে ফেলেছে ভারত। আর এভাবেই সাঁড়াশি আক্রমণ শানিয়ে ক্রমাগত চিনকে চোখ রাঙাতে শুরু করে দেয় ভারতীয় সেনা।</strong><br />
&nbsp;</p>

পূর্ব লাদাখে ব্ল্যাকটপ ও হেলমেট টপ চিন দখল করে রাখলেও, তাকে ঘিরে যে চূড়াগুলি রয়েছে তা দখলে নিয়ে ফেলেছে ভারত। আর এভাবেই সাঁড়াশি আক্রমণ শানিয়ে ক্রমাগত চিনকে চোখ রাঙাতে শুরু করে দেয় ভারতীয় সেনা।
 

<p><br />
<strong>চিন, নেপালের মত শত্রু ভাবাপন্ন প্রতিবেশীদের চাপে রাখতে উত্তরাখণ্ডে তিনটি জেলায় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বসাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। চিন ও নেপালের সীমান্তবর্তী ৩টি জেলায় এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বসানো হচ্ছে।&nbsp;</strong></p>


চিন, নেপালের মত শত্রু ভাবাপন্ন প্রতিবেশীদের চাপে রাখতে উত্তরাখণ্ডে তিনটি জেলায় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বসাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। চিন ও নেপালের সীমান্তবর্তী ৩টি জেলায় এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বসানো হচ্ছে। 

<p><strong>এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সঙ্গে তৈরি হবে অ্যাডভান্স ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড। উত্তরাখণ্ডের সঙ্গেই সীমানা ভাগ করেছে চিন ও নেপাল। তবে নেপালের পক্ষে ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করে আক্রমণ চালানো দুঃসাফ্য হলেও তার পরামর্শ দাতা চিনের কাছে নয়। এই কারণেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</strong></p>

এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সঙ্গে তৈরি হবে অ্যাডভান্স ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড। উত্তরাখণ্ডের সঙ্গেই সীমানা ভাগ করেছে চিন ও নেপাল। তবে নেপালের পক্ষে ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করে আক্রমণ চালানো দুঃসাফ্য হলেও তার পরামর্শ দাতা চিনের কাছে নয়। এই কারণেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

<p><strong>এই বিষয়ে গত সপ্তাহেই &nbsp;উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াতের সঙ্গে এয়ার মার্শাল রাজেশ কুমাপ সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক বৈঠক করেছেন। উত্তরাখণ্ডের চামোলি, পিথোরগড় ও উত্তরকাশী জেলায় এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বসানো হবে। যার জন্য সেনার তরফে উত্তারখণ্ড সরকারের কাছে ইতিমধ্যে জমির আবেদন করা হয়েছে।&nbsp;</strong></p>

এই বিষয়ে গত সপ্তাহেই  উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াতের সঙ্গে এয়ার মার্শাল রাজেশ কুমাপ সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক বৈঠক করেছেন। উত্তরাখণ্ডের চামোলি, পিথোরগড় ও উত্তরকাশী জেলায় এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বসানো হবে। যার জন্য সেনার তরফে উত্তারখণ্ড সরকারের কাছে ইতিমধ্যে জমির আবেদন করা হয়েছে। 

<p><strong>এয়ার ডিফেন্সের পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডে বায়ুসেনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে এয়ারফোর্স একটি অ্যাডভান্স ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড, চৌকুঠিয়াতে নতুন বিমানঘাঁটি নির্মাণ করছে। পাশাপাশি জলি গ্রান্ট, পিথোরগড় ও পাটনা নগর বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।&nbsp;</strong></p>

এয়ার ডিফেন্সের পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডে বায়ুসেনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে এয়ারফোর্স একটি অ্যাডভান্স ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড, চৌকুঠিয়াতে নতুন বিমানঘাঁটি নির্মাণ করছে। পাশাপাশি জলি গ্রান্ট, পিথোরগড় ও পাটনা নগর বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। 

loader