গ্রামে ঘুরতে গিয়ে ধান কাটতে শুরু করলেন জেলা শাসক, নিমেষে ভাইরাল হল সেই ছবি

First Published 9, Sep 2020, 4:38 PM

আলাপ করুন রুদ্রপ্রয়াগের জেলা শাসক বন্দনা সিং এর সঙ্গে। যিনি অগস্থমুনি গ্রাম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রাম পরিদর্শনের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ করে রাখেননি। গ্রাম পরিদর্শনের সময় তিনি দেখেন বেশ কয়েকজন মহিলা ধান কাটছে । আর সেই দেখে তিনি তাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাস্তে তুলেনেন। আর নিজের পদমর্যাদাকে দূরে সরিয়ে রেখে ধান কাটতে শুরু করেন। বন্দনা সিং-এ জন্ম ১৯৮৪ সালে ৪ এপ্রিল। তাঁর পরিবারের প্রথম মহিলা সদস্য তিনি যিনি স্কুলের মুখ দেখেছিলেন। কারণ হরিয়ানার অধিকাংশ পরিবার দীর্ঘ দিন পর্যন্ত বাড়ির মহিলাদের লেখা পড়া থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। কিন্তু নিজের মেয়েকে পড়াশুনা শেখানোর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলেন বন্দনার বাবা। আর সেই পরীক্ষায় তিনি রীতিমত উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। আইন নিয়ে পড়াশুনা করেছেন বন্দনা। 

<p><br />
<strong>রুদ্রপ্রয়াগের জেলা শাসক বন্দনা সিং। রবি আর খারিফ সশ্য কাটার সময় একটি গ্রামে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। আর তখনই স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কোমর বেঁধে ফসল কাটতে নেমে পড়েন।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>


রুদ্রপ্রয়াগের জেলা শাসক বন্দনা সিং। রবি আর খারিফ সশ্য কাটার সময় একটি গ্রামে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। আর তখনই স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কোমর বেঁধে ফসল কাটতে নেমে পড়েন। 
 

<p><strong>&nbsp;বন্দনা সিং একজন দক্ষণ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত। রুদ্রপ্রয়াগের দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি পিথোরাগড় জেলার সিডিও পদে ছিলেন। আর সেখানেই স্থানীয়দের অত্যন্ত কাছের মানুষ হয়ে উঠেছিলেন।&nbsp;</strong></p>

 বন্দনা সিং একজন দক্ষণ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত। রুদ্রপ্রয়াগের দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি পিথোরাগড় জেলার সিডিও পদে ছিলেন। আর সেখানেই স্থানীয়দের অত্যন্ত কাছের মানুষ হয়ে উঠেছিলেন। 

<p><strong>বন্দনা সিং সিডিও পদে থাকাকালীনই আইএএস হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তাই চাকরি করার পাশাপাশি পড়াশুনাও চালিয়ে গিয়েছিলেন।&nbsp;</strong></p>

বন্দনা সিং সিডিও পদে থাকাকালীনই আইএএস হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তাই চাকরি করার পাশাপাশি পড়াশুনাও চালিয়ে গিয়েছিলেন। 

<p><strong>২৮ বছরের বন্দনা ২০১২ সালে ইউপিএসসি পরীক্ষায় অষ্টম আর হিন্দি মাধ্যমে প্রথম স্থান দখল করেছিলেন।&nbsp;</strong></p>

২৮ বছরের বন্দনা ২০১২ সালে ইউপিএসসি পরীক্ষায় অষ্টম আর হিন্দি মাধ্যমে প্রথম স্থান দখল করেছিলেন। 

<p><strong>বন্দনা সিং-এর বাবা মহিপাল সিং জানিয়েছেন তাঁর গ্রামে কোনও ভালো স্কুল নেই। ছেলেকে পড়াশুনা করার জন্য বাইরে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু বন্দনাও তখন পড়াশুনা করতে চাইলে তিনি কিছুটা বাধ্য হয়েই তাতে রাজি হয়েছিলেন।</strong></p>

বন্দনা সিং-এর বাবা মহিপাল সিং জানিয়েছেন তাঁর গ্রামে কোনও ভালো স্কুল নেই। ছেলেকে পড়াশুনা করার জন্য বাইরে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু বন্দনাও তখন পড়াশুনা করতে চাইলে তিনি কিছুটা বাধ্য হয়েই তাতে রাজি হয়েছিলেন।

loader