৯০ কিলোমিটার দূরেও নির্ভুল আঘাত, জানুন ভারতীয় সেনার অস্ত্রভান্ডারের অন্যতম শক্তিশেল 'পিনাকা'র অজানা কথা

First Published 4, Sep 2020, 4:21 PM

লাদাখে গত ১৫ জুনের পর ফের একবার সংঘাতের আবহ তৈরি করছে চিন। গত ২৯ ও ৩০ অগাস্ট ভারতের পূর্ব লাদাখে চিনের ৫০০ সেনা ট্রুপ পদার্পণ করতে শুরু করে। যারপর ভারত মোক্ষম জবাব দেয় ড্রাগনবাহিনীকে। নতুন করে লাদাখে তৈরি হওয়া এমন সংঘাত পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনার পেশীশক্তি বাড়াতে আসছে পিনাকা মিসাইল।
 

<p><strong>পাকিস্তান, চিনের আস্ফালন দেখে ভারতও নিজেকে ক্রমাগত শক্তিশালী করে তুলছে। যে কোনও পরিস্থতির মোকাবিলায় সাজানো হচ্ছে ভারতের অস্ত্রভাণ্ডার। যার সর্বশেষ সংযোজন পিনাকা মিসাইল।</strong><br />
&nbsp;</p>

পাকিস্তান, চিনের আস্ফালন দেখে ভারতও নিজেকে ক্রমাগত শক্তিশালী করে তুলছে। যে কোনও পরিস্থতির মোকাবিলায় সাজানো হচ্ছে ভারতের অস্ত্রভাণ্ডার। যার সর্বশেষ সংযোজন পিনাকা মিসাইল।
 

<p><strong>ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য এই মিসাইল বানিয়েছে ডিফেন্স রিসার্চ ডেভলপমেন্ট অরগাইনজেশন।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য এই মিসাইল বানিয়েছে ডিফেন্স রিসার্চ ডেভলপমেন্ট অরগাইনজেশন। 
 

<p><strong>ডিআরডিওর সঙ্গে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে পুণের আর্মামেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্ট্যাব্লিশমেন্ট , রিসার্চ সেন্টার ইমারত , ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবোরেটরি , প্রুফ অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল এস্ট্যাব্লিশমেন্ট এবং হাই এনার্জি মেটিরিয়াল রিসার্চ ল্যাবোরেটরি।</strong><br />
&nbsp;</p>

ডিআরডিওর সঙ্গে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে পুণের আর্মামেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্ট্যাব্লিশমেন্ট , রিসার্চ সেন্টার ইমারত , ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবোরেটরি , প্রুফ অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল এস্ট্যাব্লিশমেন্ট এবং হাই এনার্জি মেটিরিয়াল রিসার্চ ল্যাবোরেটরি।
 

<p><strong>সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র ৯০ কিলোমিটার দূরের বস্তুকে আঘাত হানতে সক্ষম।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র ৯০ কিলোমিটার দূরের বস্তুকে আঘাত হানতে সক্ষম। 
 

<p><strong>পিনাকার রকেট সিস্টেম এতটাই উন্নত যে ৬০ সেকেন্ডের কম সময়ে একসঙ্গে ১২টি রকেট শত্রুপক্ষের প্রাচীর ভেঙে দিতে সক্ষম।</strong></p>

পিনাকার রকেট সিস্টেম এতটাই উন্নত যে ৬০ সেকেন্ডের কম সময়ে একসঙ্গে ১২টি রকেট শত্রুপক্ষের প্রাচীর ভেঙে দিতে সক্ষম।

<p><strong>পিনাকা মিসাইল সিস্টেমের প্রথম পাল্লা ছিল ৪০ কিলোমিটার। এরপর তা বাড়িয়ে ৭৫ কিলোমিটার করা হয়। এবার তা আরও বাড়ানো হয়েছে।</strong><br />
&nbsp;</p>

পিনাকা মিসাইল সিস্টেমের প্রথম পাল্লা ছিল ৪০ কিলোমিটার। এরপর তা বাড়িয়ে ৭৫ কিলোমিটার করা হয়। এবার তা আরও বাড়ানো হয়েছে।
 

<p><strong>সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে ৯০ কিলোমিটার দূরের বস্তুকে আঘাত হানতে সক্ষম।</strong><br />
&nbsp;</p>

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে ৯০ কিলোমিটার দূরের বস্তুকে আঘাত হানতে সক্ষম।
 

<p><strong>মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেম পিনাকা তার মারণ ক্ষমতার প্রমাণ আগেও দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মারণ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তিতে আরও বদল ঘটিয়ে এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা বহুগুণে বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের শেষে ওড়িশ উপকূল থেকে পিনাকা গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করে ভারত।</strong><br />
&nbsp;</p>

মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেম পিনাকা তার মারণ ক্ষমতার প্রমাণ আগেও দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মারণ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তিতে আরও বদল ঘটিয়ে এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা বহুগুণে বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের শেষে ওড়িশ উপকূল থেকে পিনাকা গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করে ভারত।
 

<p><strong>বিদেশ থেকে অস্ত্র আমদানির বদলে দেশীয় প্রযুক্তিতেই সমরাস্ত্র তৈরির উপরে জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের অস্ত্র নির্মাতা সংস্থাগুলির সঙ্গে এই মর্মে একাধিক চুক্তিও হচ্ছে। পিনাকা মিসাইল সিস্টেমের জন্য দেশের কয়েকটি সংস্থাকে বরাত দিয়েছে কেন্দ্র। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।</strong><br />
&nbsp;</p>

বিদেশ থেকে অস্ত্র আমদানির বদলে দেশীয় প্রযুক্তিতেই সমরাস্ত্র তৈরির উপরে জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের অস্ত্র নির্মাতা সংস্থাগুলির সঙ্গে এই মর্মে একাধিক চুক্তিও হচ্ছে। পিনাকা মিসাইল সিস্টেমের জন্য দেশের কয়েকটি সংস্থাকে বরাত দিয়েছে কেন্দ্র। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
 

<p><strong>প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, লাদাখে চিনের আগ্রাসন বাড়ছে। অন্যদিকে, পাক সীমান্তেও নিরাপত্তা দরকার। এই পরিস্থিতিতে মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেম পিনাকার মিসাইলের প্রয়োজন রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর। ছ’টি সেনা রেজিমেন্টে পৌঁছে দেওয়া হবে পিনাকা ক্ষেপণাস্ত্র।</strong></p>

প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, লাদাখে চিনের আগ্রাসন বাড়ছে। অন্যদিকে, পাক সীমান্তেও নিরাপত্তা দরকার। এই পরিস্থিতিতে মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেম পিনাকার মিসাইলের প্রয়োজন রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর। ছ’টি সেনা রেজিমেন্টে পৌঁছে দেওয়া হবে পিনাকা ক্ষেপণাস্ত্র।

<p><strong>সূত্রের খবর, ভারত আর্থ মুভার্স লিমিটেড, টাটা পাওয়ার কোম্পানি ও লার্সেন অ্যান্ড টার্বোকে বরাত দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে দেশীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে।</strong></p>

সূত্রের খবর, ভারত আর্থ মুভার্স লিমিটেড, টাটা পাওয়ার কোম্পানি ও লার্সেন অ্যান্ড টার্বোকে বরাত দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে দেশীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে।

<p><br />
<strong>টাটা পাওয়ার কোম্পানি ও লার্সেন অ্যান্ড টার্বো তৈরি করবে পিনাকা সিস্টেমের ১১৪ টি লঞ্চার ও অটোমেটেড গান এবং পজিশনিং সিস্টেম। ভারত আর্থ মুভার্স দেবে ৩৩০টি আর্মড ভেহিকল। নর্দার্ন ও ইস্টার্ন বর্ডারে মোতায়েন করা হবে এই সিস্টেম।</strong></p>


টাটা পাওয়ার কোম্পানি ও লার্সেন অ্যান্ড টার্বো তৈরি করবে পিনাকা সিস্টেমের ১১৪ টি লঞ্চার ও অটোমেটেড গান এবং পজিশনিং সিস্টেম। ভারত আর্থ মুভার্স দেবে ৩৩০টি আর্মড ভেহিকল। নর্দার্ন ও ইস্টার্ন বর্ডারে মোতায়েন করা হবে এই সিস্টেম।

<p><strong>প্রতিরক্ষামন্ত্রকের আশা, ২০২৪ সালের মধ্যে এই নতুন ৬টি পিনাকা রেজিমেন্ট বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।</strong></p>

প্রতিরক্ষামন্ত্রকের আশা, ২০২৪ সালের মধ্যে এই নতুন ৬টি পিনাকা রেজিমেন্ট বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

<p><strong>এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস রয়েছে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই মিসাইল। বাতাসে শব্দের যা গতিবেগ, তার চার গুণ বেগে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ছুটে যেতে সক্ষম ব্রহ্মস। ফলে র‌্যাডারে ধরা পড়লেও মাঝপথে তাকে রোখা খুব কঠিন।&nbsp;</strong></p>

এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস রয়েছে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই মিসাইল। বাতাসে শব্দের যা গতিবেগ, তার চার গুণ বেগে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ছুটে যেতে সক্ষম ব্রহ্মস। ফলে র‌্যাডারে ধরা পড়লেও মাঝপথে তাকে রোখা খুব কঠিন। 

<p><strong>ভারতে আরও এক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নাগ মিসাইল ক্যারিয়ার। শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ক &nbsp;নিমেষে রুখে দেবে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক &nbsp;গাইডেড মিসাইল নাগ।</strong></p>

ভারতে আরও এক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নাগ মিসাইল ক্যারিয়ার। শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ক  নিমেষে রুখে দেবে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক  গাইডেড মিসাইল নাগ।

loader