৭৩ দিনের মধ্যেই আসছে করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে শোরগোল, এবার ছড়িয়ে পড়া খবর ভুয়ো জানাল সিরাম

First Published 24, Aug 2020, 1:47 PM

নোভেল করোনার টিকা তৈরি করা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিত্য দিন নানা গুজব সামনে আসছে। আগামী ৭৩ দিনের মধ্যে ভারতবাসীর হাতে বিনামূল্যে করোনার ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার তথ্যও তেমনই একটি গুজব। সোমবার বিবৃতি জারি করে সে কথা সাফ জানিয়ে দিল করোনার ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।

<p style="text-align: justify;"><br />
<strong>অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা টিকা ৭৩ দিনের মধ্যে বাজারে আসবে বলে যে খবর রটেছে তা সম্পূর্ণ ভুল। জানিয়ে দিল সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।</strong></p>


অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা টিকা ৭৩ দিনের মধ্যে বাজারে আসবে বলে যে খবর রটেছে তা সম্পূর্ণ ভুল। জানিয়ে দিল সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।

<p><strong>করোনার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড তৈরির জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা পুনের সিরাম ইনস্টিটিউট।&nbsp;</strong></p>

করোনার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড তৈরির জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা পুনের সিরাম ইনস্টিটিউট। 

<p style="text-align: justify;"><strong>সংস্থা জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের শুধু কোভিশিল্ড তৈরির ছাড়পত্র দিয়েছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল হওয়ার পর সরকারি ছাড়পত্র পেলে তবেই ভ্যাকসিনের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে ।</strong></p>

সংস্থা জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের শুধু কোভিশিল্ড তৈরির ছাড়পত্র দিয়েছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল হওয়ার পর সরকারি ছাড়পত্র পেলে তবেই ভ্যাকসিনের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে ।

<p><strong>ভ্যাকসিন তৈরি হবে ভবিষ্যতে কাজে লাগানোর জন্য, অতএব ৭৩ দিনের মধ্যে তা বাজারে আসবে বলে যে খবর রটেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে ও অনুমানের ভিত্তিতে বলা। সম্পূর্ণ ট্রায়াল মিটে গেলে ও তা সফল হলে তখনই শুধু কোভিশিল্ড বাজারে আনা হবে, এ জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র চাই।</strong></p>

ভ্যাকসিন তৈরি হবে ভবিষ্যতে কাজে লাগানোর জন্য, অতএব ৭৩ দিনের মধ্যে তা বাজারে আসবে বলে যে খবর রটেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে ও অনুমানের ভিত্তিতে বলা। সম্পূর্ণ ট্রায়াল মিটে গেলে ও তা সফল হলে তখনই শুধু কোভিশিল্ড বাজারে আনা হবে, এ জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র চাই।

<p><strong>কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালস রেজিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া (সিটিআরআই)-এ রেজিস্ট্রি করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। দেশজুড়ে ১,৬০০ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এই ট্রায়াল চলবে। টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন হিসেবে প্রমাণিত হলে তখনই সরকারিভাবে বলা যাবে তা বাণিজ্যিক কারণে পাওয়া যাবে কিনা, জানিয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউট।</strong></p>

কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালস রেজিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া (সিটিআরআই)-এ রেজিস্ট্রি করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। দেশজুড়ে ১,৬০০ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এই ট্রায়াল চলবে। টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন হিসেবে প্রমাণিত হলে তখনই সরকারিভাবে বলা যাবে তা বাণিজ্যিক কারণে পাওয়া যাবে কিনা, জানিয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউট।

<p><strong>করোনার প্রকোপে প্রতি দিন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা তরতর করে বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার সিরাম ইনস্টিটিউটের এক আধিকারিক জানান, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭৩ দিনের মধ্যেই বিনামূল্যে করোনার টিকা হাতে পাবেন ভারতবাসী।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

করোনার প্রকোপে প্রতি দিন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা তরতর করে বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার সিরাম ইনস্টিটিউটের এক আধিকারিক জানান, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭৩ দিনের মধ্যেই বিনামূল্যে করোনার টিকা হাতে পাবেন ভারতবাসী। 
 

<p><strong>বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আলোচনা শুরু হতেই &nbsp;সিরাম ইনস্টিটিউটের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ৭৩ দিনে ভ্যাকসিন &nbsp;পৌঁছে দেওয়ার খবরটি ভুয়ো। অনুমানের ভিত্তিতে এমন মন্তব্য করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য কোভিশিল্ড টিকা মজুত করার অনুমতি দিয়েছে সরকার। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল হলে টিকা তৈরিতে যদি ছাড়পত্র মেলে, তবেই এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। মানবশরীরে করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং করোনার বিরুদ্ধে এর প্রয়োগ নিশ্চিত ভাবে ফলপ্রদ হলে তবেই বাজারে আনা হবে এই ভ্যাকসিন।</strong></p>

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আলোচনা শুরু হতেই  সিরাম ইনস্টিটিউটের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ৭৩ দিনে ভ্যাকসিন  পৌঁছে দেওয়ার খবরটি ভুয়ো। অনুমানের ভিত্তিতে এমন মন্তব্য করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য কোভিশিল্ড টিকা মজুত করার অনুমতি দিয়েছে সরকার। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল হলে টিকা তৈরিতে যদি ছাড়পত্র মেলে, তবেই এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। মানবশরীরে করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং করোনার বিরুদ্ধে এর প্রয়োগ নিশ্চিত ভাবে ফলপ্রদ হলে তবেই বাজারে আনা হবে এই ভ্যাকসিন।

<p style="text-align: justify;"><strong>অ্যাস্ট্রাজেনেকা ছাড়াও গাভি, দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে করোনা টিকা তৈরির জন্য সিরাম &nbsp;চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ভারত ও বেশ কয়েকটি মধ্য ও নিম্ন আয়ের দেশের জন্য ১০ কোটি করোনা টিকা দ্রুত তৈরি করার লক্ষ্যে এই চুক্তি করা হয়েছে।</strong><br />
&nbsp;</p>

অ্যাস্ট্রাজেনেকা ছাড়াও গাভি, দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে করোনা টিকা তৈরির জন্য সিরাম  চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ভারত ও বেশ কয়েকটি মধ্য ও নিম্ন আয়ের দেশের জন্য ১০ কোটি করোনা টিকা দ্রুত তৈরি করার লক্ষ্যে এই চুক্তি করা হয়েছে।
 

loader