২০৫০ সালের আগেই জনসংখ্যার নিরিখে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে ভারত, জানেন কত হতে চলেছে সেই সংখ্যাটা

First Published 16, Jul 2020, 5:45 PM

বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ ভারত। ২০১৭ সালে এদেশের জনসংখ্যা ছিল ১.৩৮ বিলিয়ন বা ১৩৮ কোটি। গবেষণা বলছে ২০৪৮ সালে এই দেশের জনসংখ্যা হবে ১.৬ বিলিয়ন বা ১৬০ কোটি। কিন্তু তার পরেই ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে সেই সংখ্যা। আর ২১০০ সালে দেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১০৯ কোটিতে। এমনই তথ্য জানা গিয়েছে ২০১৭ সালে ১৯৫টি দেশে সমীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি ‘গ্লোবাল বার্ডেন অফ ডিজিসেস’ গবেষণা রিপোর্টে।

<p><strong>‘দ্য ল্যান্সেট জার্নাল’-এ প্রকাশিত ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৬৪ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা পৌঁছবে ৯৭৩ কোটিতে। তার পরে ২১০০ সালে এসে তা দাঁড়াবে ৮৭৯ কোটি। এই হিসেব রাষ্ট্রসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ ঘোষিত সংখ্যার তুলনায় প্রায় ২ কোটি কম।  </strong></p>

‘দ্য ল্যান্সেট জার্নাল’-এ প্রকাশিত ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৬৪ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা পৌঁছবে ৯৭৩ কোটিতে। তার পরে ২১০০ সালে এসে তা দাঁড়াবে ৮৭৯ কোটি। এই হিসেব রাষ্ট্রসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ ঘোষিত সংখ্যার তুলনায় প্রায় ২ কোটি কম।  

<p><strong>গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুই দেশ ভারত ও চিন ২০৫০ সালের আগেই জনসংখ্যার নিরিখে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে। বলা হয়েছে, এর পরে ২১০০ সালে চিনের জনসংখ্যা প্রায় ৫১.১% হ্রাস পাবে এবং ভারতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের চেয়ে ৬৮.১% কমবে জনসংখ্যা। </strong></p>

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুই দেশ ভারত ও চিন ২০৫০ সালের আগেই জনসংখ্যার নিরিখে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে। বলা হয়েছে, এর পরে ২১০০ সালে চিনের জনসংখ্যা প্রায় ৫১.১% হ্রাস পাবে এবং ভারতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের চেয়ে ৬৮.১% কমবে জনসংখ্যা। 

<p><strong>গবেষণায় জানা গিয়েছে, ২১০০ সালে বিশ্বের কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক দেখা যাবে ভারতেই।  সেই সংখ্যাটা হবে ৫৭ কোটি ৮০ লাখ </strong></p>

গবেষণায় জানা গিয়েছে, ২১০০ সালে বিশ্বের কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক দেখা যাবে ভারতেই।  সেই সংখ্যাটা হবে ৫৭ কোটি ৮০ লাখ 

<p><strong>সমীক্ষা অনুসারে, ২১০০ সালে ভারত হবে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ। এসময় ভারতে  কার্যক্ষম জনসংখ্যা কমে যেতে পারে। ভারতে ২০-৬৪ বছর বয়সের যারা কাজ করতে পারেন এমন মানুষের সংখ্যা ২০১৭ সালে ছিল প্রায় ৭৬.২০ কোটি। যা ২১০০ সালে কমে ৫৭.৮ কোটি হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে ওই সমীক্ষাতে।</strong></p>

সমীক্ষা অনুসারে, ২১০০ সালে ভারত হবে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ। এসময় ভারতে  কার্যক্ষম জনসংখ্যা কমে যেতে পারে। ভারতে ২০-৬৪ বছর বয়সের যারা কাজ করতে পারেন এমন মানুষের সংখ্যা ২০১৭ সালে ছিল প্রায় ৭৬.২০ কোটি। যা ২১০০ সালে কমে ৫৭.৮ কোটি হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে ওই সমীক্ষাতে।

<p><br />
<strong>জিডিপির নিরিখে ২১০০ সালে বিশ্বে ভারত সপ্তম অবস্থান থেকে তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে বলে সমীক্ষায় পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। </strong></p>


জিডিপির নিরিখে ২১০০ সালে বিশ্বে ভারত সপ্তম অবস্থান থেকে তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে বলে সমীক্ষায় পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। 

<p><strong>এছাড়াও বলা হয়েছে, জন্ম বৃদ্ধির হার ২০১৯ সালেই ২.১ ভাগ কমেছে। ২০৪০ সাল পর্যন্ত এই হারেই তা কমতে থাকবে। মোট জন্ম বৃদ্ধির হার ২১০০ সালে কমে হতে পারে ১.২৯। তবুও ভারতে  জনসংখ্যা বাড়বে।</strong></p>

এছাড়াও বলা হয়েছে, জন্ম বৃদ্ধির হার ২০১৯ সালেই ২.১ ভাগ কমেছে। ২০৪০ সাল পর্যন্ত এই হারেই তা কমতে থাকবে। মোট জন্ম বৃদ্ধির হার ২১০০ সালে কমে হতে পারে ১.২৯। তবুও ভারতে  জনসংখ্যা বাড়বে।

<p><strong>ওই গবেষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, ২১০০ সালে ভারতের মোট অভিবাসন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম হয়ে উঠবে। সেই সময় আরও ৫০ লাখের বেশি মানুষ ভারতে বসবাস করতে আসবে।</strong></p>

ওই গবেষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, ২১০০ সালে ভারতের মোট অভিবাসন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম হয়ে উঠবে। সেই সময় আরও ৫০ লাখের বেশি মানুষ ভারতে বসবাস করতে আসবে।

<p><strong>সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে শতাব্দীর শেষ দিকেজাপান, ইতালি, স্পেনসহ ২৩টি দেশের জনসংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি কমে যেতে পারে।</strong></p>

সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে শতাব্দীর শেষ দিকেজাপান, ইতালি, স্পেনসহ ২৩টি দেশের জনসংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি কমে যেতে পারে।

<p><strong>বিশ্বে জন্মহার  ২০১৭ সালে ছিল ২.৩৭। ২১০০ সালে তা কমে ১.৬৬ হতে পারে বলে অনুমান করা হয় ওই সমীক্ষায়। আর ন্যূনতম নিম্ন হার হবে ২.১।</strong></p>

বিশ্বে জন্মহার  ২০১৭ সালে ছিল ২.৩৭। ২১০০ সালে তা কমে ১.৬৬ হতে পারে বলে অনুমান করা হয় ওই সমীক্ষায়। আর ন্যূনতম নিম্ন হার হবে ২.১।

loader