ডেনমার্কে মিলল করোনার ভয়ঙ্কর রূপান্তর, হত্যা করা হবে ১ কোটি ৭০ লক্ষ বেজি

First Published 6, Nov 2020, 1:35 PM

যাকে বলে 'ব্যাক টু স্কোয়ার ওয়ান', করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ে প্রায় সেই অবস্থা হতে পারে মানব জাতির। গত প্রায় এক বছরের করোনাভাইরাস গবেষণা, মহামারি গবেষণা, ভ্যাকসিন আবিষ্কাররে প্রচেষ্টা - সব কিছু হয়ে যেতে পারে ব্যর্থ। এমনই ভয়ঙ্কর প্রকারের করোনারভাইরাসের রূপান্তর ধরা পড়ল ডেনমার্কে। যার জেরে প্রায় ১৭ মিলিয়ন বা ১ কোটি ৭০ লক্ষ মিঙ্ক (বেজি জাতীয় একপ্রকার লোমশ প্রাণী) হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডেনমার্কের সরকার।

 

<p>বৃহস্পতিবার ড্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাঁচটি মিঙ্ক ফার্মে এই নতুন ভাইরাস স্ট্রেইনটি ছড়িয়ে পড়েছে। মিঙ্ক থেকে করোনার এই নতুন রূপান্তর এখন সেই দেশের অন্তত ১২ জন মানুষের দেহেও সংক্রামিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ড্যানিশ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই নতুন করোনাভাইরাস স্ট্রেইনটির সামনে আগের রুপান্তরগুলির সংক্রমণের ফলে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডিগুলিও খুব একটা কাজ করছে না। ফলে, বর্তমানে সারা পৃথিবী জুড়ে যে টিকাগুলি তৈরির কাজ চলছে, এই নতুন রূপান্তরটি পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়লে সেই ভ্যাকসিনগুলিও অকার্যকর হয়ে যাবে। এদিকে, ডেনমার্কে প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ মিঙ্ক রয়েছে। ফলে মিঙ্ক-এর থেকে করোনার এই নতুন রূপান্তরটির ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। &nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

বৃহস্পতিবার ড্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাঁচটি মিঙ্ক ফার্মে এই নতুন ভাইরাস স্ট্রেইনটি ছড়িয়ে পড়েছে। মিঙ্ক থেকে করোনার এই নতুন রূপান্তর এখন সেই দেশের অন্তত ১২ জন মানুষের দেহেও সংক্রামিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ড্যানিশ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই নতুন করোনাভাইরাস স্ট্রেইনটির সামনে আগের রুপান্তরগুলির সংক্রমণের ফলে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডিগুলিও খুব একটা কাজ করছে না। ফলে, বর্তমানে সারা পৃথিবী জুড়ে যে টিকাগুলি তৈরির কাজ চলছে, এই নতুন রূপান্তরটি পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়লে সেই ভ্যাকসিনগুলিও অকার্যকর হয়ে যাবে। এদিকে, ডেনমার্কে প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ মিঙ্ক রয়েছে। ফলে মিঙ্ক-এর থেকে করোনার এই নতুন রূপান্তরটির ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল।  

 

<p>এই বিষয়ে প্রথম সতর্কতা জারি করেছিলেন, ডেনমার্কের রাজ্য সিরাম ইনস্টিটিউট (এসএসআই) -এর ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ তথা সংক্রামক রোগ বিভাগের ডিরেক্টর প্রফেসর কার মলবাক। তাঁর মতে কোভিড-১৯'এর এই মিঙ্ক রূপান্তর থেকে কোভিড মহামারির একটি নতুন তরঙ্গ শুরু হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে ডেনমার্কে থেকেই শুরু হবে সম্পূর্ণ নতুন একটি মহামারি। আর এই রূপান্তরিত করোনাভাইরাসের অন্যান্য রূপান্তরগুলির থেকে এতটাই আলাদা যে করোনা ভ্যাকসিনকে কার্যকর করতে বিজ্ঞানী-গবেষকদের নতুন উপাদান যোগ করতে হবে এবং গোটা পৃথিবী আবার করোনা মহামারির প্রথম অবস্থায় ফিরে যাবে।</p>

এই বিষয়ে প্রথম সতর্কতা জারি করেছিলেন, ডেনমার্কের রাজ্য সিরাম ইনস্টিটিউট (এসএসআই) -এর ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ তথা সংক্রামক রোগ বিভাগের ডিরেক্টর প্রফেসর কার মলবাক। তাঁর মতে কোভিড-১৯'এর এই মিঙ্ক রূপান্তর থেকে কোভিড মহামারির একটি নতুন তরঙ্গ শুরু হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে ডেনমার্কে থেকেই শুরু হবে সম্পূর্ণ নতুন একটি মহামারি। আর এই রূপান্তরিত করোনাভাইরাসের অন্যান্য রূপান্তরগুলির থেকে এতটাই আলাদা যে করোনা ভ্যাকসিনকে কার্যকর করতে বিজ্ঞানী-গবেষকদের নতুন উপাদান যোগ করতে হবে এবং গোটা পৃথিবী আবার করোনা মহামারির প্রথম অবস্থায় ফিরে যাবে।

<p>এই অবস্থায় ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, দেশের সমস্ত মিঙ্ককে মেরে ফেলা হবে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ডেনমার্কের নাগরিকদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে তাঁর গুরু দায়িত্ব রয়েছে। তবে নতুন যে রূপান্তরটি পাওয়া গিয়েছে, তাতে গোটা বিশ্বকে সুস্থ রাখার বৃহত্তর দায়িত্বও তাঁদের কাঁধে এসে পড়েছে। তাই ডেনমার্ককে, অতি দ্রুত তাদের দেশের সব মিঙ্ক-কে মেরে ফেলতেই&nbsp; হবে। ড্যানিশ পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং হোমগার্ডদের বৃহত্তর স্বার্থে এই মিঙ্ক হত্যার কাজে নিযুক্ত করা হবে। সেইসঙ্গে উত্তর ডেনমার্ক, যেখানে মিঙ্ক ফার্মগুলির সংখ্যা বেশি, সেখানে এই নতুন রূপান্তরের মহামারি নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউন জারি করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে চলবে যুদ্ধকালীন তৎপড়তায় আক্রান্তদের সনাক্ত করার প্রক্রিয়া।</p>

এই অবস্থায় ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, দেশের সমস্ত মিঙ্ককে মেরে ফেলা হবে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ডেনমার্কের নাগরিকদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে তাঁর গুরু দায়িত্ব রয়েছে। তবে নতুন যে রূপান্তরটি পাওয়া গিয়েছে, তাতে গোটা বিশ্বকে সুস্থ রাখার বৃহত্তর দায়িত্বও তাঁদের কাঁধে এসে পড়েছে। তাই ডেনমার্ককে, অতি দ্রুত তাদের দেশের সব মিঙ্ক-কে মেরে ফেলতেই  হবে। ড্যানিশ পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং হোমগার্ডদের বৃহত্তর স্বার্থে এই মিঙ্ক হত্যার কাজে নিযুক্ত করা হবে। সেইসঙ্গে উত্তর ডেনমার্ক, যেখানে মিঙ্ক ফার্মগুলির সংখ্যা বেশি, সেখানে এই নতুন রূপান্তরের মহামারি নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউন জারি করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে চলবে যুদ্ধকালীন তৎপড়তায় আক্রান্তদের সনাক্ত করার প্রক্রিয়া।

<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকেও ডেনমার্কে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের এই নতুন রূপভেদটির সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। হু-এর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েন মিঙ্ক-এর দেহ করোনার জন্য 'ভালো আধার'। ভাইরাসের এই নির্দিষ্ট রূপান্তর সম্পর্কে গবেষণাটি উল্লেখযোগ্য হলেও, হু-এর মতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসের জিনগত পরিবর্তন হওয়া 'সম্পূর্ণ স্বাভাবিক' বিষয়। হু-এর গবেষকরা করোনার পরিবর্তনগুলি খুব যত্ন সহকারে পর্যবেক্ষণ করছেন। আর তাই ডেনমার্কের এই ঘটনা তাদের বিশেষ আগ্রহী করে তুলেছে। তবে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকার ও কর্তৃপক্ষ যেভাবে এতদিন মহামারিটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে, তা পাল্টানোর এখনই দরকার নেই বলে পরামর্শ দিয়েছে সংস্থা।</p>

<p>&nbsp;</p>

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকেও ডেনমার্কে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের এই নতুন রূপভেদটির সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। হু-এর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েন মিঙ্ক-এর দেহ করোনার জন্য 'ভালো আধার'। ভাইরাসের এই নির্দিষ্ট রূপান্তর সম্পর্কে গবেষণাটি উল্লেখযোগ্য হলেও, হু-এর মতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসের জিনগত পরিবর্তন হওয়া 'সম্পূর্ণ স্বাভাবিক' বিষয়। হু-এর গবেষকরা করোনার পরিবর্তনগুলি খুব যত্ন সহকারে পর্যবেক্ষণ করছেন। আর তাই ডেনমার্কের এই ঘটনা তাদের বিশেষ আগ্রহী করে তুলেছে। তবে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকার ও কর্তৃপক্ষ যেভাবে এতদিন মহামারিটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে, তা পাল্টানোর এখনই দরকার নেই বলে পরামর্শ দিয়েছে সংস্থা।

 

<p>ইউরোপের বৃহত্তম মিঙ্ক-পশম উৎপাদক এবং রফতানিকারী দেশ হল ডেনমার্ক। কাজেই দেশের সব মিঙ্ক মেরে ফেললে, বলাই বাহুল্য তার বড় অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে সেই দেশে। তারপরেও যে মানবজাতিকে নতুন মহামারি থেকে রক্ষার স্বার্থে ড্যানিশ সরকার এই বিপুল সংখ্যক মিঙ্ক হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে,&nbsp; তার জন্য তাদের প্রশংসা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।</p>

ইউরোপের বৃহত্তম মিঙ্ক-পশম উৎপাদক এবং রফতানিকারী দেশ হল ডেনমার্ক। কাজেই দেশের সব মিঙ্ক মেরে ফেললে, বলাই বাহুল্য তার বড় অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে সেই দেশে। তারপরেও যে মানবজাতিকে নতুন মহামারি থেকে রক্ষার স্বার্থে ড্যানিশ সরকার এই বিপুল সংখ্যক মিঙ্ক হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে,  তার জন্য তাদের প্রশংসা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।