করোনার মতো আরও ভয়ানক ভাইরাস নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে চিনা বাদুড়, গবেষণায় বাড়ল মহামারির উদ্বেগ

First Published 29, Jul 2020, 11:08 PM

করোনার সঙ্গে বাদুড়ের সম্বন্ধ কয়েক দশকের। একটি নতুন গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। আরও উদ্বেগের এমন অনেক ভাইরাস রয়েছে চিনা বাদুড়দের শরীরে। মানুষের সংস্পর্ষে আসলেই হতে পারে মহামারি।

 

<p>চিনা বাদুড় থেকে সাবধান। একজল আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি নতুন গবেষণা অন্তত তাই বলছে। তারা আবিষ্কার করেছেন, সার্স-কোভ-২, অর্থাৎ কোভিড-১৯ মহামারি হয়েছে যে ভাইরাসটি থেকে সেই নতুন করোনাভাইরাসটি গত কয়েক দশক ধরেই বাদুড়ের দেহে ঘোরাফেরা করছে। তার থেকেও উদ্বেগের তথ্য হল, তাদের গবেষণা বলছে, মানব জগতে মহামারি সৃষ্টি করতে পারে এইরকম অন্যান্য ভাইরাস বেশ কিছু ভাইরাস বয়ে বেড়াচ্ছে বাদুড়েরা।</p>

<p> </p>

চিনা বাদুড় থেকে সাবধান। একজল আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি নতুন গবেষণা অন্তত তাই বলছে। তারা আবিষ্কার করেছেন, সার্স-কোভ-২, অর্থাৎ কোভিড-১৯ মহামারি হয়েছে যে ভাইরাসটি থেকে সেই নতুন করোনাভাইরাসটি গত কয়েক দশক ধরেই বাদুড়ের দেহে ঘোরাফেরা করছে। তার থেকেও উদ্বেগের তথ্য হল, তাদের গবেষণা বলছে, মানব জগতে মহামারি সৃষ্টি করতে পারে এইরকম অন্যান্য ভাইরাস বেশ কিছু ভাইরাস বয়ে বেড়াচ্ছে বাদুড়েরা।

 

<p>সম্প্রতি 'নেচার মাইক্রোবায়োলজি' জার্নালে এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষক দলের অন্যতম সদস্য, আমেরিকার পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ম্যাকিয়েজ বনি বলেছেন, করোনাভাইরাসগুলিতে এমন জেনেটিক উপাদান রয়েছে যা অত্যন্ত 'রিকম্বিন্যান্ট'। অর্থাৎ এই ধরণের ভাইরাসের জিনোমের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন উত্স থেকে গঠিত হতে পারে। আর এই কারণেই সার্স-কোভ-২ এর উৎস খুঁজে পাওয়াটা কঠিন হয়েছিল।</p>

<p> </p>

সম্প্রতি 'নেচার মাইক্রোবায়োলজি' জার্নালে এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষক দলের অন্যতম সদস্য, আমেরিকার পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ম্যাকিয়েজ বনি বলেছেন, করোনাভাইরাসগুলিতে এমন জেনেটিক উপাদান রয়েছে যা অত্যন্ত 'রিকম্বিন্যান্ট'। অর্থাৎ এই ধরণের ভাইরাসের জিনোমের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন উত্স থেকে গঠিত হতে পারে। আর এই কারণেই সার্স-কোভ-২ এর উৎস খুঁজে পাওয়াটা কঠিন হয়েছিল।

 

<p>এর উৎস পুনর্গঠন করতে নতুন করে করে সমন্বিত হওয়া সমস্ত অঞ্চলগুলি সনাক্ত করতে হত এবং তাদের ইতিহাস খুঁজে বার করতে হত। এই কঠিন কাজটা করার জন্য, তাঁরা জেনেটিক পুনর্বিন্যাস, ফাইলেজেনেটিক ডেটিং, ভাইরাসের নমুনাকরণ এবং আণবিক ও ভাইরাল বিবর্তনে পারদর্শীদের একটি দল তৈরি করেছিলেন। তাঁরাই দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোভিড-১৯'এর ভাইরাসটির নিকটতম ভাইরাস উৎসের জিনের পুনর্গঠন করেছিল। তাতেই বাদুড় এবং পাঙ্গোলিনের দেহের কিছু ভাইরাসের সম্পর্ক স্থাপন করা গিয়েছে।</p>

<p> </p>

এর উৎস পুনর্গঠন করতে নতুন করে করে সমন্বিত হওয়া সমস্ত অঞ্চলগুলি সনাক্ত করতে হত এবং তাদের ইতিহাস খুঁজে বার করতে হত। এই কঠিন কাজটা করার জন্য, তাঁরা জেনেটিক পুনর্বিন্যাস, ফাইলেজেনেটিক ডেটিং, ভাইরাসের নমুনাকরণ এবং আণবিক ও ভাইরাল বিবর্তনে পারদর্শীদের একটি দল তৈরি করেছিলেন। তাঁরাই দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোভিড-১৯'এর ভাইরাসটির নিকটতম ভাইরাস উৎসের জিনের পুনর্গঠন করেছিল। তাতেই বাদুড় এবং পাঙ্গোলিনের দেহের কিছু ভাইরাসের সম্পর্ক স্থাপন করা গিয়েছে।

 

<p>গবেষকরা দেখেছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাসের পূর্বপুরুষরা প্রায় ৪০ থেকে ৭০ বছর আগে বাদুড়দের দেহে থাকা অন্যান্য ভাইরাসগুলি থেকে পৃথক জিন গঠন করেছিল। ২০১৩ সালে একটি হর্সশু প্রজাতির বাদুড়ের দেহ থেকে আর‌এটিজি ১৩ নামে এরটি ভাইরাসের সন্ধান মিলেছিল। সারস-সিওভি -২ ভাইরাসের জিনের সঙ্গে ওই ভাইরাসটির জিন প্রায় ৯৬ শতাংশ মিলে গেলেও গবেষকরা দেখেছেন আরটিজি ১৩ ভাইরাস থেকে ১৯৬৯ সালেই আলাদা হয়ে গিয়েছিল এই নতুন করোনাভাইরাস।</p>

গবেষকরা দেখেছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাসের পূর্বপুরুষরা প্রায় ৪০ থেকে ৭০ বছর আগে বাদুড়দের দেহে থাকা অন্যান্য ভাইরাসগুলি থেকে পৃথক জিন গঠন করেছিল। ২০১৩ সালে একটি হর্সশু প্রজাতির বাদুড়ের দেহ থেকে আর‌এটিজি ১৩ নামে এরটি ভাইরাসের সন্ধান মিলেছিল। সারস-সিওভি -২ ভাইরাসের জিনের সঙ্গে ওই ভাইরাসটির জিন প্রায় ৯৬ শতাংশ মিলে গেলেও গবেষকরা দেখেছেন আরটিজি ১৩ ভাইরাস থেকে ১৯৬৯ সালেই আলাদা হয়ে গিয়েছিল এই নতুন করোনাভাইরাস।

<p>তবে এই গবেষণায় সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকটি যেটা উঠে এসেছে তা হল, সার্স-কোভ-২'এর যে বৈশিষ্ট্যগুলি তাদের নিকটতম ভাইরাসগুলির মধ্যেও রয়েছে তার অন্যতম হল স্পাইক প্রোটিনে অবস্থিত রিসেপ্টর-বাইন্ডিং ডোমেইন বা আরবিডি। এই আরবিডি-র মাধ্যমেই করোনাভাইরাস মানবদেহের কোনও কোষের পৃষ্ঠে আটকে যেতে পারে। গবেষকরা বলছেন এর অর্থ হল মানুষকে সংক্রামিত করতে পারে এইরকম আরও অনেক অনেক ভাইরাস চিনের হর্সশু প্রজাতির বাদুড়দের দেহে ঘুরছে। কোনওভাবে মানুষের সংস্পর্ষে এলেই ফের মহামারির আশঙ্কা তৈরি হবে।</p>

তবে এই গবেষণায় সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকটি যেটা উঠে এসেছে তা হল, সার্স-কোভ-২'এর যে বৈশিষ্ট্যগুলি তাদের নিকটতম ভাইরাসগুলির মধ্যেও রয়েছে তার অন্যতম হল স্পাইক প্রোটিনে অবস্থিত রিসেপ্টর-বাইন্ডিং ডোমেইন বা আরবিডি। এই আরবিডি-র মাধ্যমেই করোনাভাইরাস মানবদেহের কোনও কোষের পৃষ্ঠে আটকে যেতে পারে। গবেষকরা বলছেন এর অর্থ হল মানুষকে সংক্রামিত করতে পারে এইরকম আরও অনেক অনেক ভাইরাস চিনের হর্সশু প্রজাতির বাদুড়দের দেহে ঘুরছে। কোনওভাবে মানুষের সংস্পর্ষে এলেই ফের মহামারির আশঙ্কা তৈরি হবে।

loader