মা দুর্গার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, জেনে নিন পুজোর ১০ সংস্কার

First Published 17, Sep 2019, 4:59 PM IST

সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। মা দুর্গার আগমনের জন্য সেজে উঠেছে শহর কলকাতা। মাকে আহ্বান করার জন্য প্রস্তুত সকলেই। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে খাওয়া দাওয়া, প্যান্ডেল হপিং, সব কিছুর প্ল্যান। তবে শুধুমাত্র এগুলোই নয় মা দুর্গার আগমণের সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে এই পুজোকে ঘিরে বাঙালির বেশ কিছু সংস্কার। সেরকমই ১০ টি সংস্কার আলোচনা করা হল।

মহালয়ার দিন ভোরে ওঠা।  মহালয়ার এক আলাদাই মহিমা রয়েছে। মহালয়া অর্থাৎ দেবীপক্ষের সূচনা। আর এই দেবীর আগমণকেই স্বাগত জানাতে বাঙালিদের কাকভোরে ওঠার রীতি চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। ভোর ৪ টের সময় উঠে স্নান সেরে ঘর পরিষ্কার করে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহালয়া শোনার জন্য প্রস্তুত হয়। সেই মহালয়া নিয়ে এক অন্য জগতে নিয়ে যায় তাদের।

মহালয়ার দিন ভোরে ওঠা। মহালয়ার এক আলাদাই মহিমা রয়েছে। মহালয়া অর্থাৎ দেবীপক্ষের সূচনা। আর এই দেবীর আগমণকেই স্বাগত জানাতে বাঙালিদের কাকভোরে ওঠার রীতি চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। ভোর ৪ টের সময় উঠে স্নান সেরে ঘর পরিষ্কার করে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহালয়া শোনার জন্য প্রস্তুত হয়। সেই মহালয়া নিয়ে এক অন্য জগতে নিয়ে যায় তাদের।

তর্পণ- মহালয়ার দিন ভোরের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হল তর্পণ। দেবীপক্ষের শুরুতে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে জল দান করেন অনেকেই।

তর্পণ- মহালয়ার দিন ভোরের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হল তর্পণ। দেবীপক্ষের শুরুতে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে জল দান করেন অনেকেই।

মহালয়ার নিরামিষ ভোজন বাঙালিরা মনে করেন মহালয়ার দিনই মর্ত্যে আগমণ মা দুর্গার। সে কারণেই সেদিন নিরামিষ ভোজনের রীতি রয়েছে বেশ কিছু বাড়িতে।

মহালয়ার নিরামিষ ভোজন বাঙালিরা মনে করেন মহালয়ার দিনই মর্ত্যে আগমণ মা দুর্গার। সে কারণেই সেদিন নিরামিষ ভোজনের রীতি রয়েছে বেশ কিছু বাড়িতে।

ষষ্ঠী পুজো- ষষ্ঠীতে হয় দেবীর বোধন। সেকারণেই নিজের পরিবার ও সন্তানদের মঙ্গলার্থে ষষ্ঠী পুজো দিয়ে থাকেন বাড়ির মহিলারা।

ষষ্ঠী পুজো- ষষ্ঠীতে হয় দেবীর বোধন। সেকারণেই নিজের পরিবার ও সন্তানদের মঙ্গলার্থে ষষ্ঠী পুজো দিয়ে থাকেন বাড়ির মহিলারা।

ষষ্ঠী পুজোর নিরামিষ ভোজন ষষ্ঠী পুজো দেওয়ার কারণে এদিনেও খিচুড়ি ভোগ বা নিরামিষ ভোজন করা হয় অনেক বাড়িতে।

ষষ্ঠী পুজোর নিরামিষ ভোজন ষষ্ঠী পুজো দেওয়ার কারণে এদিনেও খিচুড়ি ভোগ বা নিরামিষ ভোজন করা হয় অনেক বাড়িতে।

মনে করা হয়  যে অষ্টমী পুজোই হল মা দুর্গার আসল পুজো। তাই অষ্টমীর সকাল থেকেই মায়ের পুজো দেওয়ার জন্য নির্জলা উপবাস করেন  অনেকেই।

মনে করা হয় যে অষ্টমী পুজোই হল মা দুর্গার আসল পুজো। তাই অষ্টমীর সকাল থেকেই মায়ের পুজো দেওয়ার জন্য নির্জলা উপবাস করেন অনেকেই।

অষ্টমীর অঞ্জলি- দুর্গা পুজোর একটি বিশেষ অংশ হল দুর্গা পুজোর অঞ্জলি। এদিন সকালেই স্নান সেরে নতুন শাড়ি জামা পরে মা দুর্গার পায়ে অঞ্জলি দেন সকলে।

অষ্টমীর অঞ্জলি- দুর্গা পুজোর একটি বিশেষ অংশ হল দুর্গা পুজোর অঞ্জলি। এদিন সকালেই স্নান সেরে নতুন শাড়ি জামা পরে মা দুর্গার পায়ে অঞ্জলি দেন সকলে।

সন্ধি পূজা- সন্ধি পূজা মানেই সকলের মনে আসতে থাকে মায়ের ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা। সন্ধি পূজা অর্থাৎ অষ্টমী পুজো শেষ হয়ে নবমীতে পদার্পণ। রাত জেগে সন্ধি পূজা দেখার আগ্রহও কম নেই মানুষের মধ্যে।

সন্ধি পূজা- সন্ধি পূজা মানেই সকলের মনে আসতে থাকে মায়ের ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা। সন্ধি পূজা অর্থাৎ অষ্টমী পুজো শেষ হয়ে নবমীতে পদার্পণ। রাত জেগে সন্ধি পূজা দেখার আগ্রহও কম নেই মানুষের মধ্যে।

নবমীতে খাসির মাংস ভক্ষণ- নবমীর দিন বাঙালির ঘরে ঘরে চলে খাসির মাংস রান্না। এটি বাঙালির নবমী পালনের একটি রীতি বলাই চলে।

নবমীতে খাসির মাংস ভক্ষণ- নবমীর দিন বাঙালির ঘরে ঘরে চলে খাসির মাংস রান্না। এটি বাঙালির নবমী পালনের একটি রীতি বলাই চলে।

সিঁদুর খেলা- দশমীর দিন সিঁদুর খেলার বরাবরই রীতি রয়েছে বাঙালিদের মধ্যে। দশমীতে মা দুর্গাকে সিঁদুরে রাঙানোর সঙ্গে সঙ্গেই চলে রমনিদের মধ্যে সিঁদুর খেলা।

সিঁদুর খেলা- দশমীর দিন সিঁদুর খেলার বরাবরই রীতি রয়েছে বাঙালিদের মধ্যে। দশমীতে মা দুর্গাকে সিঁদুরে রাঙানোর সঙ্গে সঙ্গেই চলে রমনিদের মধ্যে সিঁদুর খেলা।

বিজয়ার প্রণাম- এটি আর এক বাঙালি রীতি। বিজয়া দশমীতে মায়ের ভাসানের পরেই বাড়ি ফিরে বড়দের প্রনাম করার রীতি রয়েছে প্রত্যেক বাঙালি পরিবারেই। ঐ দিন বড়দের প্রণাম করে তাদের থেকে আশীর্বাদ নেন সকলেই।

বিজয়ার প্রণাম- এটি আর এক বাঙালি রীতি। বিজয়া দশমীতে মায়ের ভাসানের পরেই বাড়ি ফিরে বড়দের প্রনাম করার রীতি রয়েছে প্রত্যেক বাঙালি পরিবারেই। ঐ দিন বড়দের প্রণাম করে তাদের থেকে আশীর্বাদ নেন সকলেই।

মিষ্টি মুখ- এ একেবারে সকলেরই জানা যে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব অথচ মিষ্টি থাকবে না তা কখনওই সম্ভব নয়। দশমীতে বড়দের প্রণাম করে সকলকে মিষ্টিমুখ করানোর রীতি রয়েছে।

মিষ্টি মুখ- এ একেবারে সকলেরই জানা যে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব অথচ মিষ্টি থাকবে না তা কখনওই সম্ভব নয়। দশমীতে বড়দের প্রণাম করে সকলকে মিষ্টিমুখ করানোর রীতি রয়েছে।

ভাসান নাচ- ভাসান নাচে সবার থেকেই এগিয়ে বাঙালি। মা দুর্গার বিসর্জনে মন ভারাক্রান্ত হলেও তা চোখের জলে না কাটিয়ে হাসি মুখে বিদায় জানায় মাকে।

ভাসান নাচ- ভাসান নাচে সবার থেকেই এগিয়ে বাঙালি। মা দুর্গার বিসর্জনে মন ভারাক্রান্ত হলেও তা চোখের জলে না কাটিয়ে হাসি মুখে বিদায় জানায় মাকে।

loader