ক্ষুদ্রতম জাতীয় পতাকা এঁকে নজির, রেকর্ড বুকে নাম উঠল রায়গঞ্জের কিশোরের

First Published 19, Aug 2020, 12:37 AM

স্বাধীনতা দিবসের সকালে যে শহরে গগণচুম্বী স্তম্ভে উড়েছিল তেরঙ্গা, সেই শহরের কিশোরই এবার পোস্তর দানার উপর এঁকে ফেলল ক্ষুদ্রতম জাতীয় পতাকা! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ নাম তুলেছে সে। নয়া কীর্তির সাক্ষী থাকল উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ। 
 

<p>রায়গঞ্জ শহরের কসবা মোড় এলাকায়&nbsp;বাড়ি বলরাম সরকারের। শহরের ডিএলএড স্কুলের ছাত্র সে। ছোট থেকে প্রতি ঝোঁক, যদিও প্রথাগত কোনও প্রশিক্ষণ নেই ওই কিশোরের।<br />
&nbsp;</p>

রায়গঞ্জ শহরের কসবা মোড় এলাকায় বাড়ি বলরাম সরকারের। শহরের ডিএলএড স্কুলের ছাত্র সে। ছোট থেকে প্রতি ঝোঁক, যদিও প্রথাগত কোনও প্রশিক্ষণ নেই ওই কিশোরের।
 

<p>সোশ্যাল মিডিয়া ও ইউটিউব দেখে বিভিন্ন হাতের কাজে করে তাক লাগাত দিত বলরাম। &nbsp;বন্ধুবান্ধবের অনুরোধ ও নেহাতই শখে কখন চিঁড়ে, তো কখনও আবার চিনির দানা উপর এঁকেছেন ভারতের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার&nbsp;ছবি।<br />
&nbsp;</p>

সোশ্যাল মিডিয়া ও ইউটিউব দেখে বিভিন্ন হাতের কাজে করে তাক লাগাত দিত বলরাম।  বন্ধুবান্ধবের অনুরোধ ও নেহাতই শখে কখন চিঁড়ে, তো কখনও আবার চিনির দানা উপর এঁকেছেন ভারতের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার ছবি।
 

<p>জুন মাসে একটি জাতীয় পতাকা তৈরি করেছিলেন বন্ধুরাই। সেই পতাকা দেখে উৎসাহিত হয় বলরামও। চিন্তাভাবনা শুরু করে, যদি পোস্ত-এর দানা উপর জাতীয় পতাকা আঁকা যায়! যেমনি ভাবা, তেমনি কাজ।<br />
&nbsp;</p>

জুন মাসে একটি জাতীয় পতাকা তৈরি করেছিলেন বন্ধুরাই। সেই পতাকা দেখে উৎসাহিত হয় বলরামও। চিন্তাভাবনা শুরু করে, যদি পোস্ত-এর দানা উপর জাতীয় পতাকা আঁকা যায়! যেমনি ভাবা, তেমনি কাজ।
 

<p>প্রায় একমাসের চেষ্টায় আসে সাফল্য। জুলাই মাসের শেষের দিকে ১/১ মিলিমিটার পোস্ত-এর দানা উপর জাতীয় পতাকা এঁকে ফেলেন ওই কিশোর। তাও আবার খালি চোখে!<br />
&nbsp;</p>

প্রায় একমাসের চেষ্টায় আসে সাফল্য। জুলাই মাসের শেষের দিকে ১/১ মিলিমিটার পোস্ত-এর দানা উপর জাতীয় পতাকা এঁকে ফেলেন ওই কিশোর। তাও আবার খালি চোখে!
 

<p>প্রচারের আনা তো দূর, বরং নিজের প্রতিভাকে বলরাম লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিল বলা চলে। কাউকে না জানিয়েও ছবিটি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পাঠিয়ে দেয় সে। স্বীকৃতি মেলার পর ঘটনাটি আর চাপা থাকেনি। ছেলের কৃতিত্বে খুশি বলরামের পরিবারের লোকেরা।<br />
&nbsp;</p>

প্রচারের আনা তো দূর, বরং নিজের প্রতিভাকে বলরাম লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিল বলা চলে। কাউকে না জানিয়েও ছবিটি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পাঠিয়ে দেয় সে। স্বীকৃতি মেলার পর ঘটনাটি আর চাপা থাকেনি। ছেলের কৃতিত্বে খুশি বলরামের পরিবারের লোকেরা।
 

loader