তিন বছরের শিশুর পেটে রিমোটের ব্যাটারি, অস্ত্রোপচার করে প্রাণ বাঁচালেন চিকিৎসকরা

First Published 25, Aug 2020, 9:37 PM

তিন বছরের ছেলের পেটে রিমোটের ব্যাটারি! সরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে শিশুর প্রাণ বাঁচালেন চিকিৎসকরা। সাফল্যের নজির মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। স্বস্তিতে পরিবারের লোকেরা। 
 

<p>মালদহের হবিবপুর থানার বুলবুলচণ্ডীর কেন্দুয়া এলাকার বাসিন্দা সনোজিৎ সরকার। পেশায় তিনি সরকারি স্কুলের শিক্ষক। তাঁর একমাত্র ছেলে অনিকের বয়স মাত্র তিন বছর।&nbsp;<br />
&nbsp;</p>

মালদহের হবিবপুর থানার বুলবুলচণ্ডীর কেন্দুয়া এলাকার বাসিন্দা সনোজিৎ সরকার। পেশায় তিনি সরকারি স্কুলের শিক্ষক। তাঁর একমাত্র ছেলে অনিকের বয়স মাত্র তিন বছর। 
 

<p>বাড়িতে খেলতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। টিভি রিমোটের একটি পেন্সিল ব্যাটারি মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলে সে। ব্যাটারিটি সোজা চলে যায় পেটে।&nbsp;<br />
&nbsp;</p>

বাড়িতে খেলতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। টিভি রিমোটের একটি পেন্সিল ব্যাটারি মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলে সে। ব্যাটারিটি সোজা চলে যায় পেটে। 
 

<p>পেটে অসহ্য ব্যাথা শুরু হয় অনিকের। &nbsp;প্রথমে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বুলবুলচণ্ডী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। কিন্তু রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় আর ঝুঁকি নেননি চিকিৎসকরা। শিশুটিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।<br />
&nbsp;</p>

পেটে অসহ্য ব্যাথা শুরু হয় অনিকের।  প্রথমে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বুলবুলচণ্ডী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। কিন্তু রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় আর ঝুঁকি নেননি চিকিৎসকরা। শিশুটিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।
 

<p>মালদহ মেডিক্য়াল কলেজে প্রথমে অনিকের পেটে এক্স-রে করেন চিকিৎসকরা। এক্স-রে-কে স্পষ্ট দেখা যায়, শিশুটির পেটে আটকে রয়েছে একটি পেন্সিল ব্যাটারি।<br />
&nbsp;</p>

মালদহ মেডিক্য়াল কলেজে প্রথমে অনিকের পেটে এক্স-রে করেন চিকিৎসকরা। এক্স-রে-কে স্পষ্ট দেখা যায়, শিশুটির পেটে আটকে রয়েছে একটি পেন্সিল ব্যাটারি।
 

<p>রোগীর প্রাণ বাঁচাতে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোমবার রাতে মিনিট চল্লিশের অস্ত্রোপচারে পেট থেকে ব্যাটারিটি বের করে ফেলেন চিকিৎসকরা। ছোট্ট অনিক এখন পুরোপুরি সুস্থ।&nbsp;<br />
&nbsp;</p>

রোগীর প্রাণ বাঁচাতে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোমবার রাতে মিনিট চল্লিশের অস্ত্রোপচারে পেট থেকে ব্যাটারিটি বের করে ফেলেন চিকিৎসকরা। ছোট্ট অনিক এখন পুরোপুরি সুস্থ। 
 

loader