লকডাউনের গেরোয় রেশমগুটি শিল্পীরা, বিপুল আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা

First Published 28, Apr 2020, 6:13 PM

অন্য জেলা থেকে আসতে পারছেন না ক্রেতারা, বন্ধ কেনা-বেচা। লকডাউনের জেরে মাথায় হাত বীরভূমের রেশমগুটি শিল্পীদের। বিপুল আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

<p>বীরভূমের নলহাটি ২ ব্লকের দক্ষিণপুর ভদ্রপুর গ্রাম। গ্রামে ৬০টি পরিবারের বাস। রেশমগুটি চাষ করে সংসার চলে সকলেরই। পুরুষরা তো বটেই, এই কাজে হাত লাগান মহিলারাও। </p>

বীরভূমের নলহাটি ২ ব্লকের দক্ষিণপুর ভদ্রপুর গ্রাম। গ্রামে ৬০টি পরিবারের বাস। রেশমগুটি চাষ করে সংসার চলে সকলেরই। পুরুষরা তো বটেই, এই কাজে হাত লাগান মহিলারাও। 

<p>রাজ্য সরকারের সেরিকালচার দপ্তর থেকে পলু পোকা কেনেন রেশমগুটি শিল্পীরা। এরপর বড় একটি  ডালায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় পলু পোকা ও তুঁতপাতা। </p>

রাজ্য সরকারের সেরিকালচার দপ্তর থেকে পলু পোকা কেনেন রেশমগুটি শিল্পীরা। এরপর বড় একটি  ডালায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় পলু পোকা ও তুঁতপাতা। 

<p>তুঁতপাতা খাওয়ার পর পোকাদের শরীর থেকে লালা বেরিয়ে আসে। তা থেকেই তৈরি হয় রেশমগুটি। গ্রীষ্মকালে এই প্রক্রিয়াটি শেষ করতে সময় লাগে ২৫ দিন, আর শীতকালে একমাসের থেকেও কয়েকদিন বেশি। </p>

তুঁতপাতা খাওয়ার পর পোকাদের শরীর থেকে লালা বেরিয়ে আসে। তা থেকেই তৈরি হয় রেশমগুটি। গ্রীষ্মকালে এই প্রক্রিয়াটি শেষ করতে সময় লাগে ২৫ দিন, আর শীতকালে একমাসের থেকেও কয়েকদিন বেশি। 

<p>বীরভূমের শিল্পীদের কাছ থেকে রেশমগুটি কেনেন মালদহ ও মুর্শিদাবাদে ব্যবসায়ীরা। গুটি থেকে সুতো তৈরি করেন তাঁরা।</p>

বীরভূমের শিল্পীদের কাছ থেকে রেশমগুটি কেনেন মালদহ ও মুর্শিদাবাদে ব্যবসায়ীরা। গুটি থেকে সুতো তৈরি করেন তাঁরা।

<p>শিল্পীদের দাবি, গুটি তৈরি করে ফেলেছেন তাঁরা। কিন্তু লকডাউনের কারণে বাইরে থেকে খদ্দেররা আসতে পারছেন না। এভাবে যদি আর দু'একদিন ফেলে রাখতে হয়,তাহলে গুটি নষ্ট হয়ে যাবে। </p>

শিল্পীদের দাবি, গুটি তৈরি করে ফেলেছেন তাঁরা। কিন্তু লকডাউনের কারণে বাইরে থেকে খদ্দেররা আসতে পারছেন না। এভাবে যদি আর দু'একদিন ফেলে রাখতে হয়,তাহলে গুটি নষ্ট হয়ে যাবে। 

loader