বাঁকুড়ায় ট্রি হাউসে রাত কাটানোর সুযোগ, জেনে নিন কীভাবে বুকিং, কত খরচ

First Published 19, Jan 2020, 5:36 PM

  • পর্যটকদের আকর্ষণ করতে বাঁকুড়ায় নতুন উদ্যোগ
  • জয়পুরে গড়া হল ট্রি হাউস
  • আধুনিক নানা সুবিধা রয়েছে কটেজগুলি ঘিরে
  • জয়পুর থেকেই ঘুরে দেখা যাবে বিষ্ণুপুর এবং জয়রামবাটি
বাঁকুড়া জেলার জয়পুরে তৈরি হয়েছে ট্রি হাউস রিসর্ট। নাম দেওয়া হয়েছে বনফুল।  বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর এবং জয়পুর জুড় একাধিক টেরাকোটার মন্দির গড়ে তোলেন মল্লরাজারা। সেই টেরাটোকার কাজ এখন দেশের বাইরে বিখ্যাত। শীত পড়লেই সেই সমস্ত ঐতিহাসিক মন্দির দেখতে ছুটে আসেন পর্যটকরা।বিষ্ণুপুর থেকে সামান্য দূরে জয়রামবাটি যাওয়ার পথেই পড়ে জয়পুর। সেখানে টেরাকোটা মন্দির, জঙ্গলের পাশাপাশি রয়েছে প্রাচীন সমুদ্রবাঁধ। এই সমুদ্রবাঁধের তীরেই গড়ে উঠেছে সরকারি পর্যটন স্থল।

বাঁকুড়া জেলার জয়পুরে তৈরি হয়েছে ট্রি হাউস রিসর্ট। নাম দেওয়া হয়েছে বনফুল। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর এবং জয়পুর জুড় একাধিক টেরাকোটার মন্দির গড়ে তোলেন মল্লরাজারা। সেই টেরাটোকার কাজ এখন দেশের বাইরে বিখ্যাত। শীত পড়লেই সেই সমস্ত ঐতিহাসিক মন্দির দেখতে ছুটে আসেন পর্যটকরা।বিষ্ণুপুর থেকে সামান্য দূরে জয়রামবাটি যাওয়ার পথেই পড়ে জয়পুর। সেখানে টেরাকোটা মন্দির, জঙ্গলের পাশাপাশি রয়েছে প্রাচীন সমুদ্রবাঁধ। এই সমুদ্রবাঁধের তীরেই গড়ে উঠেছে সরকারি পর্যটন স্থল।

জয়পুর ব্লক প্রশাসন এর উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই ট্রি হাউসগুলি। বিধায়ক তহবিল থেকে পাওয়া অর্থ সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে প্রকল্প। পাশাপাশি রাজ্য় সরকারের তরফেও অর্থ সাহায্য করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে এই প্রকল্প তৈরি হলেও এটি পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে একটি বেসরকারি সংস্থার হাতে।

জয়পুর ব্লক প্রশাসন এর উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই ট্রি হাউসগুলি। বিধায়ক তহবিল থেকে পাওয়া অর্থ সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে প্রকল্প। পাশাপাশি রাজ্য় সরকারের তরফেও অর্থ সাহায্য করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে এই প্রকল্প তৈরি হলেও এটি পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে একটি বেসরকারি সংস্থার হাতে।

অনলাইনে বুকিং করা যাবে এই ট্রি হাউসগুলির। www.banphooltreehouse.com -এ গিয়ে ট্রি হাউজ এবং তাঁবুতে থাকার বুকিং করা যাবে।

অনলাইনে বুকিং করা যাবে এই ট্রি হাউসগুলির। www.banphooltreehouse.com -এ গিয়ে ট্রি হাউজ এবং তাঁবুতে থাকার বুকিং করা যাবে।

গাছ বাড়িতে থাকতে গেলে প্রতি রাতের জন্য দু' জনের খরচ পড়বে  চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকার মধ্যে (খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে)।

গাছ বাড়িতে থাকতে গেলে প্রতি রাতের জন্য দু' জনের খরচ পড়বে চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকার মধ্যে (খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে)।

তাঁবুতে একসঙ্গে চার থেকে ছয়জন থাকতে পারবেন। খরচ পড়বে চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকার মধ্যে।

তাঁবুতে একসঙ্গে চার থেকে ছয়জন থাকতে পারবেন। খরচ পড়বে চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকার মধ্যে।

কলকাতা থেকে বাসে বা গাড়িতে গেলে আরামবাগ হয়ে জয়পুর পৌঁছতে হবে। ট্রেনে এলে বিষ্ণুপুর বা আরামবাগে নেমে জয়পুর পৌঁছনো যাবে।

কলকাতা থেকে বাসে বা গাড়িতে গেলে আরামবাগ হয়ে জয়পুর পৌঁছতে হবে। ট্রেনে এলে বিষ্ণুপুর বা আরামবাগে নেমে জয়পুর পৌঁছনো যাবে।

এই রিসর্ট থেকে সহজেই বিষ্ণুপুর, জয়রামবাটি, কামারপুকুর ঘুরে আসতে পারবেন পর্যটকরা।

এই রিসর্ট থেকে সহজেই বিষ্ণুপুর, জয়রামবাটি, কামারপুকুর ঘুরে আসতে পারবেন পর্যটকরা।

জয়পুর থেকে গাড়িতে মুকুটমণিপুর, শুশুনিয়া, ঝিলিমিলি-তেও ঘুরে আসতে পারবেন পর্যটকরা।

জয়পুর থেকে গাড়িতে মুকুটমণিপুর, শুশুনিয়া, ঝিলিমিলি-তেও ঘুরে আসতে পারবেন পর্যটকরা।

রাতে ঘুমনোর জন্য থাকছে অভিনব বালিশের ব্যবস্থা। মাথা দিলেই মৃদু আওয়াজে বাজবে গান।

রাতে ঘুমনোর জন্য থাকছে অভিনব বালিশের ব্যবস্থা। মাথা দিলেই মৃদু আওয়াজে বাজবে গান।

রিসর্টের মধ্যেই থাকছে অত্যাধুনিক সবরকম ব্যবস্থা। রয়েছে সুইমিং পুল, করা যাবে ক্যাম্প ফায়ার।

রিসর্টের মধ্যেই থাকছে অত্যাধুনিক সবরকম ব্যবস্থা। রয়েছে সুইমিং পুল, করা যাবে ক্যাম্প ফায়ার।

রিসর্টেই পাওয়া যাবে পর্যটকদের মন পসন্দ নানা রকম খাবার।

রিসর্টেই পাওয়া যাবে পর্যটকদের মন পসন্দ নানা রকম খাবার।

loader