হাওড়ায় ফের করোনা ছোবল এবার সংক্রমিত আরপিএফ জওয়ান জরুরি কাজে দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি ব্যারাক সিল করে দিল পুলিশ  

দিল্লিতে থেকে ফিরে এবার সংক্রমণের কবলে পড়লেন আরপিএফ জওয়ান। ফের করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল হাওড়ায়। উলুবেড়িয়ায় আরপিফ-এর ব্যারাক সিল করে দিয়েছে পুলিশ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: করোনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় 'ভুল তথ্য' পেশ, বাম বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত আরপিএফ জওয়ানের বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। পাঁচ বছর ধরে হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় কর্মরত তিনি। লকডাউনের মাঝেও জরুরি কাজে ২২ মার্চ ওই জওয়ান দিল্লিতে গিয়েছিলেন। স্পেশাল ট্রেনে উলুবেড়িয়ায় ফেরেন ১৪ এপ্রিল। করোনা আক্রান্ত হননি তো? ওই আরপিএফ জওয়ান ও তাঁর এক সহকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয় স্টেশন লাগোয়া সরকারি আবাসনে। সন্দেহজনক উপসর্গ দেখা দেওয়ায়, বুধবার দু'জনকেই ভর্তি করা হয় উলুবেড়িয়া ইএসআই হাসপাতালে। সহকর্মীর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে, তবে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে ওই আরপিএফ জওয়ানের। এদিকে এই ঘটনার উলুবেড়িয়ায় আরপিএফ ব্যারাকটি সিল করে দিয়েছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতে ব্যারাকটি চারদিকে দিয়ে ঘিরেও ফেলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ব্যারাকে এখন রয়েছেন ৯ জন জওয়ান। তাঁদের সকলকেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর। প্রয়োজনী সামগ্রী ব্যারাকে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: পশ্চিম মেদিনীপুরে এক দিনে সাতজন করোনা পজেটিভ, উদ্বেগে স্বাস্থ্য দফতর

আরও পড়ুুন: সাংবিধানিকভাবে দুর্বল, মমতার চিঠির পাল্টা দিলেন রাজ্য়পাল

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নবান্ন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে হাওড়ার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, 'খুব খারাপ জায়গায় এসেছে হাওড়ার পরিস্থিতি। সকলকে বলছি, রাস্তায় বেরোবেন না। দরকার হলে পুলিশ বাড়ি গিয়ে খাবার পৌঁছে দেবে। না হলে হাওড়াকে বাঁচানো যাবে না।' জেলাশাসককে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, '১৪ দিনে মধ্যে রেড থেকে অরেঞ্জ জোনে আনতে হবে হাওড়া।' এরপরই লকডাউন কার্যকর করতে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ব়্যাফ নামে।