কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা। এরপর থেকেই উপত্যকার পরিস্থিতি ছিল থমথমে। উপত্যকায় মোতায়েন করা হয়েছিল কড়া পুলিশ পাহাড়া। উপত্যকায় স্কুল-কলেজও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শুধুতাই নয়, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বদেরও শ্রীনগর বিমানবন্দরেই আটকে দেওয়ার ঘটনাও প্রকাশ্যে এসেছে।

তবে চলতি সপ্তাহের টানাপোড়েন ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে জম্মু ও কাশ্মীর। শুক্রবারই উপত্যকায় ফের চালু হয় একাধিক স্কুল। জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর ৯ অগাস্ট ছিল প্রথম শুক্রবার। আর এই প্রথম শুক্রবারে শ্রীনগরে নমাজ পড়লেন প্রায় ১৮ হাজার মানুষ। 

একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বুদগাঁও -এ এদিন নমাজ পড়েছেন প্রায় সাড়ে সাত হাজার মানুষ, অনন্তনাগে নমাজ পড়েছেন প্রায় এগার হাজার মানুষ। বা রামুল্লা, কুলগাঁও এবং সোপিয়ানে অন্তত চার হাজার মানুষ নমাজ পড়েছেন বলে খবর। 

নমাজ পাঠের পর অনেকে ঈদের জন্য কেনাকাটাও করেছেন বলে খবর। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ছোট ছোট দলে ভাগ করে নমাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে জামিয়া মসজিদ মা হজরতবলে-এর মতো বড় বড় জায়গায় সাধারণত বিরাট সংখ্যক জমায়েত চোখে পড়ে। যদিও প্রশাসনের তরফে এইসব মসজিদে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।