কয়েকদিন আগেই জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে মুখ থুবড়ে পড়েছিল এরাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবা। এবার লোকসভায় জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন বিল পাশের প্রতিবাদে দেশজুড়ে চিকিৎসকদের ধর্মঘটের জেরে বুধবার ফের একই ছবির পুনরাবৃত্তি দেখা গেল রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও আউটডোর পরিষেবা প্রায় বন্ধই রয়েছে বলে খবর। ফলে, দূর দূরান্ত থেকে এসে বিপদে পড়েছেন রোগীরা। দেশের অধিকাংশ জায়গাতেই ছবিটা একই রকম। তবে চালু রয়েছে জরুরি পরিষেবা। 

চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন আইএমএ-র তরফে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়ায় তার প্রভাব আরও বেশি করে পড়েছে। শুধু এ রাজ্যেই নয়, ধর্মঘটের ছবি দেখা গিয়েছে তামিলনাড়ু, দিল্লি, কর্ণাটক, আন্ধ্রপ্রদেশেও। প্রভাব পড়েছে দিল্লি, কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুতেও। বেঙ্গালুরুতে অবশ্য চিকিৎসা পরিষেবা স্বাভাবিকই রয়েছে। 

চিকিৎসকদের অভিযোগ, এই বিল পাশ হলে প্রস্তাবিত কমিশনই সমস্ত মেডিক্যাল কলেজের অনুমোদন দেবে। শুধু তাই নয়, এমবিবিএস পরীক্ষাও তারাই পরিচালনা করবে, যা মানতে নারাজ চিকিৎসকরা। প্রস্তাবিত এই বিল আইনে পরিণত হলে চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত যে কেউ ডাক্তারদের মতোই প্রেস্ক্রিপশন লেখার ক্ষমতা পেয়ে যাবেন বলেও অভিযোগ আইএমএ-র। যার ফলে, ফার্মাসিস্ট, নার্স, ফিজিয়োথেরাপিস্টের মতো প্যারা মেডিক্যাল পরিষেবার সঙ্গে যুক্তরাও নিজেদের মতো করে রোগী দেখতে শুরু করবেন বলেই আশঙ্কা আইএমএ-র। তাদের অভিযোগ, নতুন এই বিল কোয়াক ডাক্তারিকেই আইনি স্বীকৃতি দেবে।