কোনও শিশু বাড়ির পর সব থেকে বেশি যদি কোথাও সময় কাটায়, তা হল স্কুলে। অভিভাবকরা নিশ্চিন্তে ছোট ছোট শিশুদের স্কুলে পাঠায়। একটা শিশুর যখন নিজেকে প্রতিরোধ করার বয়স পর্যন্ত হয়নি, বিপদ কী সেটা বোঝার বয়স পর্যন্ত হয়নি, তখন থেকে স্কুলে  যাওয়া শুরু করে। কিন্তু বার বার বিভিন্ন ঘটনা প্রমাণ করে স্কুল মোটেই শিশুদের জন্য বা ছোটদের জন্য নিরাপদ জায়গা নয়। পাটনার একটি বেসরকারি স্কুলের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির বালিকাকে স্কুল চত্বরের মধ্যে নয় মাস ধরে ক্রমাগত ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। 


পাটনার এক স্কুলে গত নয় মাস ধরে ক্রমাগত পঞ্চম শ্রেণির একটি বালিকা ধর্ষণ করা হয়। তাকে ভয় দেখানোও হয়, কাউকে বললে, আরও বিপদ হবে। দিনের পর দিন  ওই টুকু ছোট্ট মেয়ে এই অত্যাচার সহ্য করে গিয়েছে। বাড়িতে স্কুল না যাওয়ার জন্য অনেকবার বায়নাও করেছে। কিন্তু বাবা-মা ভেবেছেন, পড়তে ভালো না লাগার জন্য ওই বালিকা হয়তো স্কুল যেতে চাইছে না। জোর করে তাকে স্কুলে পাঠানো হত। স্কুলে গেলেই তার ওপর অত্যাচার শুরু হতো। করা হতো ধর্ষণ। প্রায় নয় মাস ধরে ওই ছাত্রীটি অত্যাচার সহ্য করতে থাকে। কিন্তু এক দিন স্কুল থেকে ফিরেই বমি করতে থাকে ওই ছাত্রী। 

মেয়ের শরীর খারাপ থেকে অভিভাবকরা চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। বিভিন্ন পরীক্ষাও করা যায়। জানা যায়  ওই ছাত্রীটি গর্ভবতী হয়ে পড়েছে।  বাড়ির অভিভাবককে জানায়, স্কুলের প্রিন্সিপাল ও একজন কেরানি তাকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে।  ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ছাত্রীটিক বাবা-মা স্কুলের প্রিন্সিপাল ও ওই কেরানি বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পাটনার সিনিয়র সুপারিটেনডেন্ট অফ পুলিশ মনু মহারাজ  ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তিনি জানিয়েছেন, প্রিন্সিপাল ও কেরানিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।