লাউডগা সাপ। বাংলার গ্রামে গাছের গায়ে সরু এই বিষাক্ত সাপের দেখা প্রায়শই মেলে। কিন্তু তারই একটি বিরল প্রজাতি প্রায় হারিয়েই গিয়েছিল। একশো বছর দেখা মেলেনি এশিয়ান ভাইন তথা আহেতুল্লা লাউডঙ্কিয়া নামক এক অতিবিরল প্রজাতির লাউডগা সাপের। বিশেষজ্ঞরা ধরেই নিয়েছিলেন চিরবিলুপ্ত হয়েছে এই বিশেষ লাউডগা। কিন্তু ওড়িশার সিমলিপালের বনাঞ্চলে এই নতুন খোঁজে আশার আলো দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। 

লাউডগা সাপ দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গে, ওড়িশায়। রাজস্থানে ও মহারাষ্ট্রেও দেখা মেলে তার। এই সাপটির খোঁজে বিশেষজ্ঞগের দলটি  ময়ূরভঞ্জে, বালাসোর ও বৌধ জেলায় সন্ধান চালাচ্ছেন প্রায় দশ বছর ধরে। সর্পবিশারদদের দাবি এই সাপটি লাউডগা হলেও তার কিছু অন্য জিনগত বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বিশেষ প্রজাতির সাপটির পেটের দিকটা লালচে -কমলা।

প্রসঙ্গত লাউডগা সাপের গড় দৈর্ঘ্য ১৭০ সেমির মতো। লাউডগা গাছের গায়ে ঝুলে থাকে, ছোট পোকামাকড় খায়, ডিম পাড়ে না, বাচ্চা দেয়। এ যাবৎ লাউডগার আটটির প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। এই হারিয়ে যাওয়া প্রজাতটির পুনরায় সন্ধান পাওয়ার ফলে লাউডগার প্রজাতির সংখ্যা দাঁড়াল নয়। 

জুলজিক্যাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার বিজ্ঞানী প্রত্যুষ মহাপাত্র জানাচ্ছেন, "২০০৯ সালে এই সাপটিকে লুলুঙ্গ অঞ্চলে প্রথম খুঁজে পান বিখ্যাত সর্পবিশারদ সুশীল দত্ত। এরপরে এই সাপটিকে দেখা য়ায় বালাসোরে। ক্রমেই আমরা নিশ্চিত হই আমাদের চেনা প্রজাতির সাপ নয় এটি। "