সর্বোচ্চ সংগ্রহ পণ্য পরিষেবা কর। করোনা আবহের মধ্যে গত ছয় মাসে সর্বোচ্চ জিএসটি সংগ্রহ হয়েছে অগাস্টে মাস। অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বরের সংগৃহীত জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ৯৫ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা। কর আদায়ে যা কিনা গত চার দশকের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। মহামারি সঙ্কটের মধ্যে জিএসটি সংগ্রহের এই অঙ্ক আর্থিক গতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের দেওয়া বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

করোনা আবহে প্রথম তিন মাস দেশ জুড়ে লকডাউন। আচমকা থমকে গিয়েছিল দেশের আর্থিক গতি। তারপর আনলক পর্বেও একের মে, জুন ও জুলাই মাসের জিএসটি সংগ্রহ অব্যাহত থাকে। পরবর্তী সময়ে জিএসটি জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থমন্ত্রকের তথ্য অনুসারে অগাস্ট মাসে সংগৃহীত ৯৫ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা জিএসটি, জুলাই মাসের থেকে দশ শতাংশ বেশি এবং গত বছরের তুলনায় চার শতাংশ বেশি জিএসটি সংগ্রহ হয়েছে। 

অর্থমন্ত্রকের তথ্যানুসারে অগাস্ট মাসের জিএসটি সংগ্রহ সব মিলিয়ে ৯৫ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কেন্দ্রীয় জিএসটি-১৭ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা। রাজ্যের জিএসটি-২৩ হাজার ১৩১কোটি টাকা। অর্ন্তভুক্ত জিএসটির পরিমাণ-৪৭ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ সেস ৭ হাজার ১২৪ কোটি টাকা।

শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসেই ৫.৭৪ কোটি টাকার ই-ওয়েবিল জেনারেট হয়েছে। যা কিনা গত এক বছরের ৯.৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। এই বৃদ্ধির হার কোভিড-১৯ সঙ্কটের মধ্যে প্রমাণ করে যে ব্যবসায় অগ্রগতি হয়েছে। জানালেন অর্থমন্ত্রকের অধিকর্তা অজয় ভূষণ পাণ্ডে।