১৫ অগাস্ট সন্ধ্যায় অবসরের কথা ঘোষণা করেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক এমএস ধোনি। তাঁর অবসর ঘোষণার কিছু পরই আরও তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ সুরেশ রায়নাও অবসররের কথা জানিয়েছিলেন। একই দিনে অবসরগ্রহে প্রবেশ করেছিলেন দুই তারকা। বৃহস্পতিবার এমএস ধোনিকে কৃতঙ্গতা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার সুরেশ রায়না টুইট করে জানালেন তাঁর কাছেও এসেছে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি।

রায়না তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে চিঠিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, খেলার সময় তাঁরা দেশের জন্য রক্ত ​​ও ঘাম ঝরিয়ে থাকেন। তাই দেশের মানুষ এবং দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ভালবাসার চেয়ে বড় কিছু আর হয় না। তাঁকে চিঠি লেখা এবং শুভেচ্ছা জানানোর জন্য রায়না নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর চিঠিতে জানিয়েছেন, রায়না তাঁর প্রজন্মের একজন দুর্দান্ত ব্যাটসম্যান তো বটেই, সেই সঙ্গে সব পরিস্থিতিতেই তিনি অধিনায়কের ভরসা ছিলেন। একজন দরকারি বোলার হিসেবেও তাঁর অবদান স্মরণীয়, আর তাঁর ফিল্ডিং ছিল অনুকরণীয় এবং অনুপ্রেরণামূলক। ২০১১ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পিছনেও রায়নার অবদানের জন্য তাঁর প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এমনকী আহমেদাবাদে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কোয়ার্টারফাইনালে রায়নার ইনিংস স্টেডিয়ামে বসে দেখার অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর খেদ, অনের কম বয়সেই অবসর নিলেন রায়না।

এদিকে, পরপর দুদিন দুই প্রাক্তন ভারতীয় তারকাকে প্রধানমন্ত্রী চিঠি লেখার পর বিরোধী মহলে প্রকাশ্যে না হলেও ভিতরে ভিতরে মৃদু গুঞ্জন শুরু হয়েছে। গৌতম গম্ভীরের পর কি তাহলে বিজেপি-তে য়োগ দিতে পারেন বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের এই দুই তারকাও? ইতিমধ্যেই অবশ্য বিজেপি সাংসদ সুব্রমণিয়ন ধোনির অবসররে পর তাঁর বিজেপি-তে য়োগ দেওয়া উচিত বলে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন। তারপর প্রধানমন্ত্রীর এই দুই চিঠিতে তা আরও হালে পানি পেল। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গেও বেশ কয়েকদিন ধরেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপি-র মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।