এক দেশ এক ভোট শীর্ষক সর্বদলীয় বৈঠক চলছে। বহু বিরোধী মুখই অনুপস্থিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আগেই জানিয়ে দিয়েছেন যেতে পারবেন না। টিপ্পনী কেটে মায়াবতী বলেছেন, ইভিএম নিয়ে কথা হলে যেতাম। সেই দলে নাম লিখিয়েছেন এমকে স্ট্যালিনও। 

অন্য দিকে মেহেবুবা মুফতি, নবীন পট্টনায়কের মতো নেতারা এই মিটিং-এ অংশগ্রহণ করেছেন।

মঙ্গলবারই সদ্য নির্বাচিত কংগ্রেসেরে লোকসভা নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানান, 'আমরা নীতি আয়োগের এই প্রস্তাবকে সর্বার্থে খারিজ করতে চাই। এই বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী থাকবেন। তিনিই এই মর্মে যা বলার বলবেন।' 

মমতা বন্দোপাধ্যায় আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন এত কম সময়ের মধ্যে তাঁর পক্ষে যাওয়া সম্ভব না। এই মর্মে গত মঙ্গলবার দুপুরে চিঠিও  সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী  প্রহ্লাদ যোশীকে চিঠিও দেন মমতা। 

প্রসঙ্গত এই বৈঠককে এড়িয়ে যাওয়ার আরও একটি কারণ রয়েছে মমতার কাছে। তিনি স্পষ্টই লিখেছেন চিঠিতে লিখেছেন সেই কথা। তাঁর দাবি, 'নীতি আয়োগের প্রস্তাব অনুযায়ী রাজ্যের জেলাগুলিকে এগিয়ে থাকা বা পিছিয়ে থাকা বলে দাগিয়ে দিলে তা আর্থসামাজিক বিকাশের পথে অন্তরায় হয়।' মমতার দাওয়াই, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে একটি সার্কুলেশান পাঠানো হোক। প্রতিটি রাজ্য তা দেখে, বিশ্লেষণ করে মত  পাঠাবে। 

প্রসঙ্গত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মহাত্মা গান্ধীর সার্ধশতবর্ষ পালনের অনুষ্ঠানে  সর্বান্তকরণে উপস্থিত থাকবেন তিনি এবং তাঁর দল। বলাই বাহুল্য মমতা না থাকলেও এদিন  বৈঠকে রাহুল-সোনিয়া, কানিমোঝি, ফারুক আবদুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিরা থাকছেই।