চিনা বিমান  হানা প্রতিহত করতে এবার লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় আরও শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, আধুনিক প্রযুক্তির আকাশ মিসাইল মোতায়েন করা হতে পারে পূর্ব লাদাখ সেক্টরে। তবে ধারায়াহিক পরীক্ষায় সাফল্য আসার পরেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলেও জানান হয়েছে। আর সেই পরীক্ষা এক ধাপ এগিয়েছে ভারত। গত সপ্তাহে অন্ধ্রপ্রদেশের সূর্যলঙ্কা টেস্ট ফায়ারিং সেন্টারে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি  ১০টি আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। মাঝারি পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি মাটি থেকে আকাশে লক্ষ্যবস্তুর ওপর আঘাত হানতে সক্ষম। 


ভারতীয় বায়ু সেনার এক আধিকারির বলেছেন, কম্বাইন্ড গাইডেড ওয়েপনস ফায়ারিং ২০২০ অক্সারসাইজ-এর অঙ্গ হিসেবে এই মিসাইলগুলি পরীক্ষা করা হয়। আর আধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা লক্ষ্য বস্তুর ওপর আঘাত করেত সক্ষম হয়েছে। বায়ু সেনার এক আধিকারিক জানিয়েছেন পূর্বা লাদাখ সেক্টর-সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় চিনা যুদ্ধ বিমান ভারতের আকাশ সীমা লঙ্ঘন করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই সব এলাকাগুলিতেই আকাশ মিসাইল মোতায়েন করা হবে। বায়ুসের সূত্রেখবর চিনা জেএইচ ১৭ অথবা ব়্যাডার নজরদারী এড়াতে সক্ষম জে ২০ স্টেলথ যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলা করতে পারবে বলেও দাবি করা হয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ও ভারতের ডায়নামিক্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে আধুনিক প্রযুক্তির আকাশ মিসাইল তৈরি করা হয়েছে। 

লাদাখে চিনের সঙ্গে চলমান বিবাদের মধ্যেই নিজের প্রতিরক্ষা ভান্ডারকে শক্তিশালী করার প্রয়াস চালাচ্ছে ভারত। আর তাতে জোর দেওয়া হয়েছে দেশীয় প্রযুক্তির ওপর। পরপর বেশ কয়েকটি মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত।