প্রয়োজনে নাগরিকত্ব বিলে পরিবর্তন, হিংসা রুখতে নয়া পন্থা অমিতের। ক্রিসমাসের পরই এই বিষয়ে খোলসা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মেঘালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলার পরই মত পরিবর্তন শাহের।  

 

কদিন আগেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতায় উত্তাল চেহারা নেয় মেঘালয়। পরিস্থিতি খারাপ থেকে আরও খারাপের  দিকে যায়। এক অনুষ্ঠানে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা যোগ  দিতে গেলে বিক্ষোভকারীরা তাঁকে হেনস্থা করে। চপার থেকে মুখ্যমন্ত্রী নামতেই তাঁর ওপর চড়াও হয় বিক্ষোভকারীরা। উইলিয়াম নগরে এই ঘটনার পরই রাজ্যজুড়ে কারফিউ জারি করা হয়। সন্ধের দিকে কারফিউ কিছুক্ষণের জন্য তুলে নেওয়া হলেও এখনও মেঘালয়ে জারি রয়েছে কঠোর নিরাপত্তা। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না যায়, তার জন্য রাজ্য়ে ইন্টারনেট ও এসএমএস পরিষেবা সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

নাগরিকত্ব বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই উত্তাল চেহারা নিয়েছে উত্তরপূর্ব। বিশেষ করে অসমে বিলের বিরোধিতার জেরে আক্রান্ত হয়েছে খোদ মুখ্য়মন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালের বাসভবন। ডিব্রুগড়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পাথর ছোঁড়ে ক্যাব বিরোধীরা। বিক্ষোভকারীদের ভয়ে থানায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন গহপুরের বিজেপি বিধায়ক উৎপল বরা। এর আগে হামলা হয় গুয়াহাটির বিজেপি সাংসদ কুইন ওঝার বাড়িতে।ডিব্রুগড়ে আক্রান্ত হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামেশ্বর তেলি।  একই হাল হয়েছে মেঘালয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখন নাগরিকত্ব বিলে পিরবর্তন করার কথা ভাবছে সরকার। 

সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনে প্রচারে নিজেই ক্যাব নিয়ে মুখ খোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, নাগরিকত্ব বিল নিয়ে ইতিমধ্য়েই তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা ছাড়াও বেশ কয়েকজন। তাঁরা বিলে কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তাঁদের ক্রিসমাসের পর আসতে বলেছি। প্রয়োজনে ক্যাব আইনে গঠনমূলক পরিবর্তন আনা যেতেই পারে।

স্বাভাবিকভাবেই অমিত শাহের এই টুইটের পর বুকে বল পেয়েছেন কনরাড। অমিত শাহের সেই মন্তব্য়ের ভিডিও নিজের টুইটার হ্য়ান্ডেলে আপলোড করেছেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য়ের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।