অসমের বন্যায় প্রাণ গিয়েছে কমপক্ষে ২০ জনের  বন্যার ফলে ভূমি ধসে আরও ২৩ জন মারা গিয়েছেন  ভয়াল বন্যা ৯ লাখের বেশি মানুষের জীবন প্রভাবিত করেছে  ভয়াবহ বন্যায় ২ হাজারের বেশি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত  

অসমের বন্যায় প্রাণ গিয়েছে কমপক্ষে ২০ জনের। বন্যার ফলে ভূমি ধসে আরও ২৩ জন মারা গিয়েছেন। ইতিমধ্য়ে উত্তপূর্বের ভয়াল বন্যা ৯ লাখের বেশি মানুষের জীবন প্রভাবিত করেছে। ভয়াবহ বন্যায় ২ হাজারের বেশি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত। রাজ্য়ের বেহাল দশা দেখে মুখ্য়মন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

একে করোনায় রক্ষে নেই,উল্টে দোসর বন্যা। গত ২২ মে থেকে লাগাতার বর্ষায় জেরবার অসমের মানুষ। ঘরে জল ঢুকে গিয়েছে শহর গুয়াহাটিতে। ব্রহ্মপুত্রের জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। রাজ্য়ের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, ইতিমধ্য়েই জলের গ্রাসে গ্রামের পাশাপাশি শহরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বন্যায় সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধেমাজি, লখিমপুর, বিশ্বনাথ ওদালগুড়ি,গোয়লপাড়া, কামরূপ ,মরিগাঁও ,হোজাই।

মনে করা হচ্ছে এবারের বন্যায় অসমের ৬৮ হাজার একর ক্ষেতের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্য়েই ২৭ হাজারের বেশি মানুষকে ১৯৩ টি ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। ঘটনা সম্পর্কে জেনে টুইট করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। অসমের এই পরিস্থিতিতে রাজ্য়বাসীর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। 

সম্প্রতি অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল ও উপ মুখ্য়মন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার সঙ্গে রাজ্য়ের বন্যা পরিস্থিতি নিয় কথা বলেন অমিত শাহ। রাজ্য়ের বিপর্যয়ের অতীত বলছে অসমে বন্যা পরিস্থিতি নতুন নয়। প্রায় প্রতি বছরই অসমে বন্য়া পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তরুণ গগৈয়ের কংগ্রেসের সরকার থাকাকালীন প্রায় প্রতি বছরই অসমের বন্যাকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবি করতেন। এবার অবশ্য় সেই রাস্তায় হাঁটেনি সর্বানন্দ সনোয়ালের সরকার। 

তবে জানা গিয়েছে, এবারের বন্যায় ক্ষতি হয়েছে রাজ্য় পরিচালিত তেল শোধনাগার বাঘজানের রাস্তা। যেখান থেকে সহজেই তেল বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। বর্তমানে সেখানে খোথাও হাঁটু তো কোথাও কোমর জল। তাই তেল নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা আপাতত অথৈজলে।