জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আক্রান্ত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এর জন্য বেশ কিছু বিজেপি নেতার রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় সাফ জানিয়ে দিলেন, দিপীকার প্রতি তিনিই যথেষ্চই শ্রদ্ধাশীল। শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় দিপিকাকে ট্রোল করারও নিন্দা করেছেন তিনি। 

একই সঙ্গে বাবুল জানাতে বলেননি, দীপিকা যাঁদের সমর্থনে জেএনইউ- তে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের নামই এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে গন্ডগোল পাকানোর অভিযোগে সামনে চলে আসছে। 

নতুন ছবি 'ছপক'-এর মুক্তির আগে হঠাৎই জেএনইউ-তে চলে যান দীপিকা। সেখানে জেএনইউ-তে হামলায় আক্রান্ত ছাত্রছাত্রীদের সমর্থন জানান তিনি। হামলার ঘটনারও নিন্দা করেন। যে ঘটনার পর থেকেই  ট্রোলের মুখে পড়তে হয় দীপিকা। অভিনেত্রীকে উদ্দেশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অশালীন ভাষাও প্রয়োগ করা হয়। দীপিকার জেএনইউ-তে যাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি নেতারাও। দীপিকার ছবি বয়কটের ডাক দেন তাঁরা। এমন কী, স্মৃতি ইরানির মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও দীপিকাকে আক্রমণ করেন। 

ছত্তিশগড়ের দুর্গ- এ নাগরিকত্ব আইনের প্রচারে সভা করতে গিয়ে বাবুল বলেন, 'আমি নিজে দীপিকার একজন গুণমুগ্ধ। 'ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি' ছবিতে দীপিকার চরিত্র দেখেই নিজের মেয়ের নাম নয়না রেখেছি।' এর পরেই বাবুল বলেন, 'এখন মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় যা মনে হয় তাই লিখে ফেলে। গালাগালিও বাদ দেওয়া হয়না। জেএনইউ-তে গিয়ে দীপিকার কয়েকজনের সঙ্গে দেখা করা এবং বাকিদের সঙ্গে দেখা না করাটা অনেকেই ভাল ভাবে নেননি।' কেন্দ্রীয় বন প্রতিমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী,  'তা সত্ত্বেও যদি কেউ দীপিকার উদ্দেশে অশালীন শব্দ প্রয়োগ করে থাকে তাহলে আমি তার নিন্দা করছি। কোনও জায়গাতেই কোনও অশালীন শব্দের ব্যবহার উচিত নয়। 

বাবুল অবশ্য অভিযোগ করেন, নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিরোধীরা মিথ্যে প্রচার করছে। তৃণমূল, কংগ্রেস এবং বাম দলগুলির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন তিনি। কটাক্ষ করে বাবুল বলেন, নাগরিকত্ব আইন ভাল ভাবে না বুঝে থাকলে তার ইটালিয় অনুবাদ রাহুল গাঁধী এবং চিনা অনুবাদ বাম দলগুলির কাছে পাঠিয়ে দেবেন তিনি।