সংক্ষিপ্ত

মহিলা সম্মান সেভিংস সার্টিফিকেট, মহিলাদের আর্থিক অবস্থা, অর্থনীতি, কেন্দ্রীয় প্রকল্প,Mahila Samman Savings Certificate, Women's Financial Status, Economy, Central Schemes,

 

Mahila Samman Savings: মহিলাদের জন্য খারাপ খবর। মহিলাদের জন্য রীতিমত জনপ্রিয় 'মহিলা সম্মান সেভিংস সার্টিফিকেট'। ব্যাঙ্ক ও পোস্ট অফিসে থেকেই চালান যেত এই প্রকল্প। এবার কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্পটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও প্রকল্পটির জনপ্রিয়তা দেখে অনেকেই আশা করেছিলেন এই প্রকল্পের মেয়াদ আরও বাড়ান হবে। কিন্তু আদতে হচ্ছে উল্টো। কারণ প্রকল্পটি আপাতত বন্ধ রাখতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার।

'মহিলা সম্মান সেভিংস সার্টিফিকেট' কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প। মূলত মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্যই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এই স্কিমে সুদের হার ছিল বেশি, ৭.৫ শতাংশ। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই প্রকল্পটি ৩১ মার্চ থেকে বন্ধ। আর্থাৎ আজই শেষ হয়ে যাচ্ছে জনপ্রিয় এই প্রকল্প। এর পর থেকে এই প্রকল্পে আর নতুন করে কোনও ডিপোজিট নেওয়া হবে না।

যদিও বিজেপির একটি সূত্র দাবি করেছে, অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভজনক স্কিম নিয়ে আসতে চাইছে সরকার। আর সেই কারণে এটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। যদিও এই বিষয় নিয়ে বিরোধীরা কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। বিরোধীদের দাবি বিজেপি সরকার কখনই নারীদের সম্মান আর সুরক্ষার বিষয় চিন্তিত নয়। মহিলা বিদ্বেষী এই সরকার। তৃণমূলের এক নেতা জানিয়েছেন, নারীদের সন্মান আর সুরক্ষার বিষয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে বিজেপির উচিৎ মমতার শিক্ষা নেওয়া। তিনি আরও বলেছেন, কেন্দ্রের সামগ্রিক বাজেটের মধ্যে নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রকের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র ০.৫৩ শতাংশ। এর থেকেই স্পষ্ট এই সরকার নারীদের নিয়ে কতটা চিন্তা করে।

মহিলা সম্মান সেভিংস সার্টিফিকেট স্কিম ২০২৩ সালে চালু করা হয়েছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮ বছরের বেশি বয়সি মহিলদের র্থিক স্বাচ্ছন্দ্যের জন্যই প্রাথমিকভাবে ২ বছরের মেয়াদে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের একটি প্রকল্প চালু হয়। নাবালিকাদের নামেও এই প্রকল্প চালু করতে পারতেন অভিভাবকরা। বছরে সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা আর সর্বাধিক ২ লক্ষ টাকা জমা দেওয়া যেত। সুদের হার ছিল ৭.৫ শতাংশ। তাই সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার মতই এই প্রকল্পও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এই প্রকল্পের টাক এমএসএমই অ্যাকউন্ট খোলার মাত্র ১ বছরের মধ্যেই ৪০ শতাংশ টক পর্যন্ত তুলে নেওয়ার সুবিধে ছিল।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।