তরুণ তুর্কী নেতা তেজস্বী যাবদ না বিদগ্ধ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নীতিশ কুমার, কার পক্ষে রায়ে দিয়েছে বিহারবাসী? বেশ কয়েকটি নির্বাচনী সমীক্ষা তেজস্বীর নেতৃত্বাধীন মহাজোটের পক্ষে রায় দিলেও মঙ্গলবারই যানা যাবে বিহারবাসীর চূড়ান্ত রায়। মঙ্গলবার সকাল ৮টা শুরু হবে ভোট গণনীা। আর তার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  গণনা কেন্দ্রগুলিতে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রথম স্তরটিতে থাকছে কেন্দ্রীয় সুরক্ষা বাহিনী। দ্বিতীয় স্তরের দ্বায়িত্বে থাকছে বিহারের সামরিক পুলিশ বাহিনী। তৃতীয় তথা শেষ স্তরের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকছে জেলা পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর। নিরাপত্তার দাতিত্বে থাকা এক আধিকারিক জানিয়েছেন,প্রায় ২ হাজার কেন্দ্রীয় শসস্ত্র পুলিশ বাহিনী ৩৮টি স্ট্রং রুমের দায়িত্বে রয়েছে। এবার এক নজরে দেখে নিন ভোট গণনার ছবিটা 
 

ভোট গণনার চিত্র 


  


নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী যানা গেছে বিহারের  মহামারির মধ্যেই  গণতন্ত্রের এই উৎসবে ৫৭ শতাংশের বেশি মানুষ সামিল হয়েছিলেন। ২০১৫ সালের তুলনায় তা ছিল বেশি। গত বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৫৬.৬৬ শতাং। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মূল অ্যাজেন্ডা ছিল কর্মসংস্থান। যাকে হাতিয়ার করেই ভোট ময়দানে নেমেছিলেন তেজস্বী যাদব। পাল্টা এনডিএর স্বরোজগারের ওপর জোর দিয়েছিল। গত তিন দশকে এটাই ছিল প্রথম নির্বাচনে যেখানে অনুপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা লালুপ্রসাদ যাদব। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় তিনি বর্তমানে বন্দি রয়েছেন ঝাড়খণ্ডে। অন্যদিকে দীর্ঘ দিন বাদে এই প্রথম বিহার দেখল দুই তরুণ নেতার দাপট। একদিকে ছিলেন তেজস্বী যাদব। অন্যদিকে লোক জনশক্তি পার্টির নেতা চিরাগ পাসোয়ান। নীতিশ কুমারের বিরোধীতা করে একাই লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিল চিরাগের দল। বিহার নির্বাচনের নির্ণায়ক ভূমিকাও গ্রহণ করতে দেখা যেতে পারেন চিরাগকে। 

চলতি নির্বাচনে বিহারের একদিনে ছিল নীতিশ কুমারের জেডিইউ ও সুশীল কুমারের বিজেপির এনডিএর জোট। আর অন্যদিকে রয়েছে আরজেডি, বাম ও কংগ্রেসের মহাজোট। একাই লড়াই করছে চিরাগের লোক জনশক্তি পার্টি। বেশ কয়েকটি আসনে ত্রিমূখী লড়াই হলেও তেজস্বীরাই টক্কর দিয়েছে এনডিএ-কে।  তিন দফায় ভোট গ্রহণ হয় বিহারে। কে শেষ হাসি হাসবা তা বলছেন মঙ্গলবারের গণনা।